Breaking News

নারীর এই জিনিস পুরুষকে বেশী আকৃষ্ট করে…

প্রকৃতগতভাবেই নারী-পুরুষের মাঝে আকর্ষণ থাকাটা স্বাভাবিক। একজন নারীর শুধু সৌন্দর্যই পুরুষকে আকর্ষণ করে না। সৌন্দের্যের পাশাপাশি আরো বেশ কিছু বিষয় নারীদের প্রতি পুরুষদের আগ্রহী করে তোলে। নারীর যে ৬ টি বিষয় ভীষণ আগ্রহী করে তোলে পুরুষদেরকে! ১. হাসি: নারীদের হাসি খুবই স্বাভাবিক একটা বিষয় যা পুরুষের মন জয় করার জন্য যথেষ্ট। নারীরা খুব রহস্যজনকভাবে হাসতে পারে। আর সেটি একজন পুরুষকে করে তুলতে পারে অধীর। নারীর সেই রহস্যময়ী হাসিটি দেখতেই তার ভালো লাগে। আর মুগ্ধ সেই পুরুষটির তখন প্রথম কথাই থাকে “তোমার হাসি অনেক সুন্দর”। ২. সৌন্দর্য: এটা অবশ্যই স্বীকার করতেই হবে যে প্রত্যেক নারীই আপন স্বীয় সৌন্দর্যে মোহনীয়। অনেক কালো একটা মেয়ের মধ্যেও নিজস্ব কোনো মোহনীয় সৌন্দর্য লুকিয়ে থাকতে পারে। আর সেই মোহনীয় সৌন্দর্যই যেকোনো পুরুষকে করে তুলতে পারে মনমুগ্ধ। বাড়িয়ে দিতে পারে তার প্রতি আকর্ষণ। ৩. বাচন ভঙ্গি: একজন নারী খুব সুন্দরভাবে একটি কাজ করতে পারেন আর তা হলো গুছিয়ে কথা বলা রপ্ত করে ফেলা। আর তার সেই কথা বলার ভঙ্গিই মুগ্ধ করে ফেলেতে পারে একজন পুরুষকে। নারীরা বেশিরভাগ সময়েই বেশ গুছিয়ে কথা বলেন। এর ফলে নারীদের কথা পুরুষদের কাছে মনে হয় যেন মধুমাখা। ফলে আকর্ষণবোধ করতে পারে।

৪. চুলের ধরণ: একটি নারীর সকল সৌন্দর্যই যেন লেগে থাকে তার চুলের বাঁধনে। নারীটি চুল বেঁধে রাখুক বা খুলে রাখুক হালকা বাতাসে চুলের দোদুল্যমানতা দেখতে প্রত্যেক পুরুষেরই বেশ ভালো লাগে। নারীর ঝলমলে চুল সব পুরুষের পছন্দ। ৫. সরলতা: নারী শব্দটির সাথে সরলতা শব্দটি যেন ওতপ্রোতভাবে জড়িত। নারী মানেই যেন সরল হবে। আর এই সরলতাই প্রত্যেক পুরুষের তার প্রতি আকর্ষণ বাড়িয়ে দেয়। একজন নারী যদি কুটিল ও হিংস্র প্রকৃতির হয় তাহলে তার প্রতি কোনো পুরুষেরই আকর্ষণবোধ হবে না। পুরুষরা এমন নারীর প্রতি আকর্ষণবোধ করে যে হবে সরল এবং মায়াবতী। ৬. ছেলেমানুষি ভাব ও চোখের ভঙ্গি: অনেকের নারীর মাঝেই ছেলেমানুষি ভাব থাকে। এই ছেলেমানুষি ভাবই আকর্ষিত করে তোলে একজন পুরুষকে। আরেকটি বিষয়ে একজন পুরুষ একজন নারীর প্রতি আকর্ষণবোধ করতে পারেন। সেটি হল তার চোখের ভঙ্গি বা চোখের ভাষা। একজন নারীর চোখে অনেক ভাষা থাকে। আর পুরুষরা সেই ভাষা পড়তে খুব ভালোবাসেন। এভাবেও একজন পুরুষ একজন নারীর প্রতি আকর্ষিত হতে পারেন। পেঁপে। কাঁচা ও পাঁকা দুই ভাবেই খাওয়া যায়, তবে কাচা অবস্থায় সব্জি এবং পাঁকলে ফল। বিশ্বের জনপ্রিয় ফলগুলোর মধ্যেও একটি। স্বাদ ও গুনাগুণের কারণেই মানুষের কাছে এর এতো কদর। এতে প্রাকৃতিক ফাইবার হিসাবে পুষ্টি এবং ভিটামিন এ, সি, এবং কে, যেমন নিয়াসিন, ম্যাগনেসিয়াম, পটাসিয়াম, প্রোটিন রয়েছে। চলুন তাহলে জেনে নিই পেঁপের অসাধারণ কিছু উপকারিতা-

১। হৃদরোগ থেকে রক্ষা করে: নিয়োমিত পেপে খেলে অথেরোস্ক্লেরোসিস এবং ডায়াবেটিক হৃদরোগ প্রতিরোধ করে। পেঁপের ভিটামিন এ, সি এবং ই, সমূহের এবং শক্তিশালী অ্যান্টিঅক্সিডেন্টস এর চমৎকার উৎস। এই তিনটি পুষ্টি কোলেস্টেরল প্রতিরোধে সাহায্য করে, যা হার্ট এটাক ও স্ট্রোক এর প্রধান কারণ এক। পেঁপের এছাড়াও ফাইবার এর একটি ভাল উৎস, যা উচ্চ কোলেস্টেরলের মাত্রা কমাতে সহায়তা করে। ২। দৃষ্টিশক্তি রক্ষা করে: অপথ্যালমোলজি আর্কাইভস প্রকাশিত একটি সমীক্ষা অনুযায়ী, প্রতিদিন তিনবার পেপে খেলে চোখের বয়সজনিত ঝুঁকি অনেকটাই কমে যায়। বয়স্কদের মধ্যে দৃষ্টি ক্ষতি প্রাথমিক কারণ, প্রতিদিনের খাবারে তলনামূলক ভাবে কম পুষ্টি গ্রহণ করা। পেঁপে আপনার চোখের জন্য ভাল এর অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও ভিটামিন এ, সি, ও ই এর উপস্থিতির কারণে। ৩। হজমে সহায়তা করে: বদ হজমের রোগিদের পাকা পেঁপে খেলে খুব উপকার মিলবে। পাঁকা পেপে খেলে মুখে রুচি বাড়ে, সাথে সাথে খিদে বাড়ে তাছাড়া পাঁকা পেপে কোষ্ট পরিস্কার করে এবং বায়ু নাস করে। এ ছাড়াও পেপে অর্শ রোগের ক্ষেত্রেও বেশউপকারি। ৪। অর্শ ও কৃমিনাশক: কাঁচা পেঁপের আঠা বীজ কৃমিনাশক।

কাঁচা পেঁপের আঠা চিনি বা বাতা্সোর সাথে মিশিয়ে খেলে অর্শ ও জন্ডিস সহ লিবারের নানা রোগ ভালো হয়। এ আঠা প্রতিদিন সকালে ৫- ৭ ফোটা আঠা বাতাসার সাথে মিসিয়ে খেলে অর্শের রক্ত পড়া বন্ধ হয়। ব্রন আচিল জিভের ঘায়ে এ আঠা লাগলে খুব উপকার হয়। ৫। কোলেস্টেরল কমায়: অন্যান্য ফলের মতই পেঁপেতে কোনো কোলেস্টেরল নেই। আর পেঁপেতে আছে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার। তাই কোলেস্টেরলের সমস্যায় যারা দুশ্চিন্তায় আছেন তাঁরা প্রতিদিনের খাবার তালিকায় পেঁপে রাখুন। অন্যান্য কোলেস্টেরল যুক্ত খাবারের বদলে পেঁপে খান। তাহলে আপনার কোলেস্টেরলের পরিমাণ নিয়ন্ত্রণে থাকবে। ৬। ক্যানসারের ঝুঁকি কমায়: পেঁপেতে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, বিটা ক্যারোটিন, ফ্লেভানয়েড, লুটেইন, ক্রিপ্টোক্সান্থিন আছে। এছাড়াও আরো অনেক পুষ্টি উপাদান আছে যেগুলো শরীরের জন্য খুবই উপকারী। ক্যারোটিন ফুসফুস ও অন্যান্য ক্যান্সারের ঝুঁকি কমায়। ৭। চুলের যত্নে: চুলের যত্নে পেপে অত্যন্ত গুরুত্বপুর্ণ ভূমিকা পালন করে। টক দইয়ের সাথে পেপে মিশিয়ে চুলে মাখলে চুলের গোরা শক্ত হয় ও চুল ঝলমলে হয়। ১ চামচ পেপের আঠা ৭/৮ চামচ পানি দিয়ে ফেটে চুলের গোড়ায় কিছুক্ষন রেখে ধুয়ে ফেললে উকুন মরে যায়।