Breaking News

এইমাত্র পাওয়া খবরঃ দুবাইয়ে বিমান বিধ্বস্ত, পাইলটসহ সকল যাত্রী নিহত…

দুবাইয়ে ডিএ৪২ মডেলের একটি বিমান বিধ্বস্ত হয়ে তিন ব্রিটিশ এবং দক্ষিণ আফ্রিকার নাগরিকসহ পাইলট নিহত হয়েছেন। আরব আমিরাতের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা এমিরেটস নিউজ এজেন্সি এ তথ্য নিশ্চিত করেছে। বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, বিমানটি আন্তর্জাতিক হাব থেকে পাঁচ কিলোমিটার দক্ষিণে বিধ্বস্ত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৬ মে) যুক্তরাজ্যের নিবন্ধিত ডায়মন্ড এয়ারক্রাফটের একটি ছোট বিমান দুবাই আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কাছে বিধ্বস্ত হয়। এমিরেটস নিউজ এজেন্সির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, একটি মিশনে অংশ নেয়া চার সিটের বিমানটির সব আরোহী নিহত হয়েছে। বিমানটিতে তিন ব্রিটিশ নাগরিক এবং দক্ষিণ আফ্রিকার এক নাগরিক ছিলেন। বিধ্বস্ত বিমানটি ইংল্যান্ডের ওয়েস্ট সাসেক্সের শোরহাম বিমাবন্দরের ফ্লাইট ক্যালিব্রেশন পরিষেবাগুলির অন্তরর্ভুক্ত ছিল। স্থানীয় গণমাধ্যম জানায়, বিমানটি প্রায় স্থানীয় সময় ১৯: ৩০ এই দুর্ঘটনা ঘটে। এতে পাইলট, সহ-পাইলট এবং দুই যাত্রী নিহত হয়েছে।

জেনারেল সিভিল এভিয়েশন অথরিটি (জিসিএএ) জানিয়েছে, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, কারিগরি ত্রুটির কারণে বিমানটি বিধ্বস্ত হয়েছে। এই দুর্ঘটনার পর পরই সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নেয়া হয়। এছাড়া দুবাই আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ৪৫মিনিট বদ্ধ ছিল। প্রসঙ্গত, দুবাই আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর বিশ্বের অন্যতম ব্যস্ত বিমান চলাচল কেন্দ্র। ব্রিটিশ পররাষ্ট্র দফতরের এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, দুবাইয়ে একটি ছোট বিমান বিধ্বস্ত হওয়ার খবর শুনে আমরা এমিরাত কর্তৃপক্ষের সাথে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করছি। আফ্রিকার ছোট্ট দেশ এরিত্রিয়ার সমস্ত পুরুষকে ন্যূনতম দু’টি বিবাহ করতেই হবে , যা আইনে স্পষ্ট করে বলা হয়েছে। যদি দেশের কোনো পুরুষ বা নারী এই সিদ্ধান্তে আপত্তি করে, তা হলে শাস্তি হবে যাবজ্জীবন জেল। একে চন্দ্র, দুয়ে পক্ষ। এক্ষেত্রে প্রথম পক্ষ এবং দ্বিতীয় পক্ষ, দুটোই বাধ্যতামূলক। এমনই আজব আইনে সিলমোহর দিল এরিত্রিয়া সরকার। আরবিক দেশগুলির মধ্যে এরিত্রিয়াতেই শুধুমাত্র এমন আজব আইন জারি করা হয়েছে। রীতিমতো ধর্মীয় আইনের মাধ্যমে এই নির্দেশকে মান্যতা দিলেন গ্র্যান্ড মুফতি। সরকারি সূত্রে জানানো হয়েছে, দেশে পুরুষের আকাল পড়েছে। এর আগে দীর্ঘদিন ইথিওপিয়ার সঙ্গে যুদ্ধের কারণে অনেক পুরুষ হারিয়েছে এরিত্রিয়া। ক্রমশ পুরুষশূন্য হয়ে পড়ছে এই দেশ। তাই দেশের স্বার্থেই এই আইন বলবৎ করল সরকার। প্রসঙ্গত, এরিত্রিয়ার জনসংখ্যা চৌষট্টি লক্ষেরও কিছু কম। এর এক দিকে সুদান আর ইথিওপিয়া, এক দিকে জিবুতি এবং অন্য এক দিকে লোহিত সাগর। দেশটি ইথিওপিয়া থেকে আলাদা হয়ে স্বাধীন রাষ্ট্র জন্ম হয় ১৯৯৩ সালে।