গণপরিবহন চলাচলে আবারো যে নতুন সিদ্ধান্ত ঘোষণা দেওয়া হলো

দিন যত যাচ্ছে ততই বেড়েই চলেছে করো'নাভা’ইরাস সংক্রমণের মাত্রা। তাই দীর্ঘ দুই মাসেরও বেশি সময়ের সরকার সাধারণ ছুটি বাতিলের পর আবার নতুন করে ল’কডাউনের সি’'দ্ধান্ত নিচ্ছে। সং’ক্রমণের মাত্রার ওপর নির্ভর করে কিছু এলাকাকে লাল, হলুদ ও সবুজ হিসেবে চিহ্নিত করে পরিচালনার জন্য গাইডলাইন ঠিক করা হয়েছে।এলাকাভেদে করো'নাভা’ইরাস (কোভিড-১৯) সংক্রমণের মাত্রার ওপর ভিত্তি করে রে'ড,

ইয়োলো ও গ্রিন জোন করে লকডাউন ঘোষণা সংক্রা'ন্ত প্রস্তাবে অনুমোদন দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সোমবার (৮ জুন) সচিবালয়ে মন্ত্রিসভা বৈঠকের পর প্রেস ব্রিফিংয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম এ তথ্য জানান। এর আগে জাতীয় সংসদ ভবনে প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে মন্ত্রিসভা বৈঠক হয়।জোনিং করে লকডাউনের বি'ষয়ে মন্ত্রিসভায় কোনো আলোচনা হয়েছে কি-না, জানতে চাইলে মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, ‘এটা ক্যাব'িনেট মিটিংয়ে আলোচনা হয়নি, মন্ত্রী (স্বাস্থ্যমন্ত্রী) মহোদয়ের স''ঙ্গে আমা'র আলোচনা হয়েছে।

আমা'দের যে সংক্রা'মক ব্যাধি আইন আছে, এটা সেই আইনের মধ্যে দেয়া আছে। সেই অনুযায়ী বিভিন্ন পদ'ক্ষেপ নেয়ার জন্য স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়, স্বাস্থ্য অধিদফতর অথরাইজড।’ তিনি বলেন, ‘মাননীয় প্রধানমন্ত্রী এটা অ্যাপ্রিশিয়েট করেছেন যে, আইনটি ব্যবহার করে যেভাবে জোনিং করার চিন্তাভাবনা হচ্ছে এটা সারা পৃথিবীতে করা হচ্ছে। এটাতে সুবিধা আছে। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ও অন্যান্য এক্সিকিউটিভ মিনিস্ট্রি, তারা বসেই যদি মনে করে কোনো জায়গাটাকে….

রে'ড জোন ডিক্লেয়ার করলে সবার জন্যই ভালো, কারণ সবাই তখন সতর্ক 'হতে পারবে।’মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, ‘কোনো এলাকায় যদি অধিক সংক্রমণ থাকে সেই এলাকাকে যদি স্পেশালি নিয়ন্ত্রণে নেয়া যায়, সে বি'ষয়ে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী সম্মতি দিয়েছেন গতকালই।’সম্প্রতি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানান, করো'নাভাইরাসে আ'ক্রা'ন্তের আধিক্য বিবেচনায় রে'ড জোন, ইয়েলো জোন ও গ্রিন জোনে চিহ্নিত করে ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে স্বাস্থ্যবিধি ও আইনি পদ'ক্ষেপ বাস্তবায়ন হবে।

বেশি আ'ক্রা'ন্ত এলাকাকে রে'ড, অ’পেক্ষাকৃত কম আ'ক্রা'ন্ত এলাকাকে ইয়োলো ও একেবারে কম আ'ক্রা'ন্ত বা সংক্রমণমুক্ত এলাকাকে গ্রিন জোন হিসেবে চিহ্নিত করে স্বাস্থ্যবিধি বাস্তবায়ন করা হবে। গ্রিন জোনে সতর্কতা এবং ইয়েলো জোনে সংক্রমণ যেন আর না বাড়ে সেজন্য পদ'ক্ষেপ থাকলেও রে'ড জোনে করো'নার বিশেষ গাইডলাইন অনুযায়ী কঠোর হবে পু'লিশ।লাল এলাকায় মানুষদের নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের জন্য হোম ডেলিভারির ব্যবস্থা থাকবে।

লাল ও হলুদ এলাকায় শপিং মল বন্ধ থাকবে। তবে হলুদ ও সবুজ এলাকায় মুদি দোকান খোলা থাকবে। লাল এলাকায় গণপরিবহন চলাচল করবে না। তবে কেবল রাতে মালবাহী যান চলাচল করতে পারবে।হলুদ এলাকায় অর্ধেক যাত্রী নিয়ে গণপরিবহন চলতে পারবে। একজন করে যাত্রী নিয়ে রিকশা ও অটোরিকশা চলতে পারবে। এই এলাকায় মালবাহী যানও চলবে। আর সবুজ এলাকায় যানবাহন চলতে পারবে। লাল এলাকার মসজিদে সাধারণের প্রবেশ নিষে'’ধ থাকবে। তবে হলুদ ও সবুজ এলাকায় দূরত্ব বজায় রেখে মসিজিদে যাওয়া যাব'