কুরআনে হাফেজ আবু তাহার স্বপ্ন মসজিদে আকসায় নামাজ পড়া ।

আবু তাহার স্বপ্ন- একজন মুমিন বান্দার ইচ্ছা হবে মসজিদে আকসায় নামাজ পড়া এটাই স্বাভাবিক। ৭ বছরের শিশু ফিলিস্তিনের কনিষ্ঠতম কুরআনের হাফেজ ইয়াহিয়া নুরুদ্দীন রায়িস আবু তাহা। ছোট্ট আবু তাহার একমাত্র ইচ্ছা হলো অসংখ্য নবি-রাসুলের আগমনের শহর জেরুজালেম নিজ চোখে দেখা এবং মসজিদে আকসায় নামাজ আদায় করা। আবু তাহা’র ভাষায়, ‘আমার বয়স ৭ বছর।

আমি আমার পিতা-মাতা ও শিক্ষকদের সহায়তায় মহাগ্রন্থ আল-কুরআনুল কারিম মুখস্ত করতে সক্ষম হই।’ পড়াশুনায় সফল হয়ে চিকিৎসক হওয়ারও স্বপ্ন দেখে ছোট্ট আবু তাহা। কনিষ্ঠ হাফেজ আবু তাহা’র একমাত্র ইচ্ছা জেরুজালেম শহর নিজ চোখে দেখা এবং মুসলমানদের প্রথম কেবলা বায়তুল মুকাদ্দাসে নামাজ আদায় করা। মহানবী (সাঃ) বলেন,“মসজিদুল হারাম ছাড়া অন্যান্য মসজিদের তুলনায় আমার এই মসজিদে (নববীতে) একটি নামায হাজার নামায অপেক্ষা শ্রেষ্ঠ।

” (বুখারী, মুসলিম, মিশকাত ৬৯২নং) “আর অন্যান্য মসজিদের তুলনায় মসজিদুল হারামের একটি নামায এক লক্ষ নামায অপেক্ষা শ্রেষ্ঠ।” (আহমাদ, মুসনাদ, বায়হাকী, জামে ৩৮৩৮, ৩৮৪১ নং) আল্লাহ তাআলা ছোট্ট হাফেজ আবু তাহা’কে কুরআনের খাদেম হিসেবে কবুল করুন। আমিন। ইহুদি ধর্ম ছেড়ে সপরিবারে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করলেন দ’খ’ল’দা’র ইসরাইলের এই নারী দ’খ’ল’দা’র ইসরাইলের এক নারী ইহুদি ধর্ম ছেড়ে সপরিবারে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেছেন।

ইসরাইলি টিভি চ্যানেল থার্টিন জানিয়েছে, ইহুদি পরিবারে বেড়ে ওঠা ইলাত শহরে বসবাসকারী এই নারী হঠাৎ করেই তার পূর্বপুরুষদের ধর্ম ত্যাগ করে ইসলাম ধর্ম গ্রহণের ঘোষণা দেন। ফিলিস্তিনের জনপ্রিয় গণমাধ্যম দুনিয়া আল-ওতানের খবরে বলা হয়েছে, মুসলিম হওয়ার পরে ইলাত ছেড়ে সপরিবারে পশ্চিম তীরের খলিল পর্বতের পাদদেশে হিজরত করেছেন নওমুসলিম ওই নারী।

ইসলাম ধর্ম গ্রহণের পরে ইলাতে থাকাকালীন সময়ে পরিবারের দুটি শিশুবাচ্চাকে সাময়িক সময়ের জন্য অ”প”হ”র”ণ করে ইসরাইলের সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় তাদেরকে বাপদাদাদের ভিটেমাটি ছাড়ার হু”ম”কি দেয়। এরই প্রেক্ষিতে জীবন বাঁচানোর তাকিদে পশ্চিম তীরে আশ্রয় নিতে বাধ্য হন তারা। তবে পরিবারের মোট কতজন ইসলাম গ্রহণ করেছেন, খবরে তা বলা হয়নি।