ঘুমের যে অভ্যাসে বাড়বে করোনার ঝুঁকি, বিস্তারিত ভেতরের পাতায়…

করো’না প’রিস্থিতি ও তার জেরে ল’কডাউনে টানা ঘরব'ন্দি শিশু-কিশোর মনে যে নে’তিবাচক প্রভাব পড়ছে, এমন আ’শঙ্কা অনেক অ'ভিভাবকই করছিলেন। মনরো’গ বিশেষজ্ঞদের একাংশও সেই ভ’য়ের কথা জানিয়েছিলেন। একেবারে একরত্তি থেকে ক্লাস টেন-ইলেভেনের পড়ুয়া, অনেকের মধ্যেই গত এক-দেড় মাসে এমন প্রব’ণতা লক্ষ করা যাচ্ছে।

অনেকের মধ্যেই গত এক-দেড় মাসে এমন প্র’বণতা লক্ষ করা যাচ্ছে।তদের মধ্যে যারা একটু বেশী ঘু'মায় তাদের অবস্থা আরো নাজেহাল।খুব তাড়াতাড়ি আ'ক্রম’ণ করে। হাইলাইটস কলকাতার স্পিচ অ্যান্ড হিয়ারিং ইনস্টিটিউট অ্যান্ড রিসার্চ সেন্টারের (এসএইচআইআরসি) তরফে ২৫০ জন শিশু-কিশোর পড়ুয়ার মধ্যে ১ এপ্রিল থেকে ২৫ মে পর্যন্ত একটি সমীক্ষা চালানো হয়েছিল।

সংস্থার তরফে প্রোজেক্ট ম্যানেজার অদিতি দে জানান, মূলত কথা বলা ও শোনার সমস্যা রয়েছে, অটিজম বা সেরিব্রাল পলসি আছে, এমন ২৫০ জন পড়ুয়ার মধ্যে সমীক্ষাটি চালানো হয়। অদিতি বলছেন, ‘এই সমস্যাগু'লো যে শুধু এই বিশেষ ধরনের কচিকাঁচাদের ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য, এমনটা নয়। অন্য শিশু-কিশোরদের মধ্যেও কমবেশি এই ধরনের প্রভাব বৈশিষ্ট্য এখন থাকা স্বাভাবিক।

’ হিমা'দ্রি সরকার কেউ বলছে, পড়াশোনায় মন বসছে না কিছুতেই। অনেকের ঘু'ম অনিয়মিত। কেউ কেউ আবার এক-এক সময়ে হঠাৎ উ’ত্তেজিত হয়ে মা-বাবা-পরিজনের উপর চ’ড়াও হচ্ছে। খাবারদাবার ছুড়ে ফেলছে অথবা বাড়ির লোকজনকে, বড়দের আঁ’চড়ে-কা’মড়ে দিচ্ছে! একেবারে একরত্তি থেকে ক্লাস টেন-ইলেভেনের পড়ুয়া, অনেকের মধ্যেই গত এক-দেড় মাসে এমন প্রবণতা লক্ষ করা যাচ্ছে।

করো’না পরিস্থিতি ও তার জেরে ল’কডাউনে টানা ঘরব'ন্দি শিশু-কিশোর মনে যে নে’তিবাচক প্রভাব পড়ছে, এমন আশ’ঙ্কা অনেক অ'ভিভাবকই করছিলেন। মনরোগ বিশেষজ্ঞদের একাংশও সেই ভয়ের কথা জানিয়েছিলেন। এ বার একটি সংস্থার সমীক্ষায় সেই আশ’ঙ্কার ছবিই অনেকটা উঠে এসেছে। কলকাতার স্পিচ অ্যান্ড হিয়ারিং ইনস্টিটিউট অ্যান্ড রিসার্চ সেন্টারের (এসএইচআইআরসি) তরফে ২৫০ জন শিশু-কিশোর পড়ুয়ার মধ্যে ১ এপ্রিল থেকে ২৫ মে পর্যন্ত একটি সমীক্ষা চালানো হয়েছিল।

সংস্থার তরফে প্রোজেক্ট ম্যানেজার অদিতি দে জানান, মূলত কথা বলা ও শোনার সম’স্যা রয়েছে, অটিজম বা সেরিব্রাল পলসি আছে, এমন ২৫০ জন পড়ুয়ার মধ্যে সমীক্ষাটি চালানো হয়। অদিতি বলছেন, ‘এই সম’স্যাগু'লো যে শুধু এই বিশেষ ধরনের কচিকাঁচাদের ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য, এমনটা নয়। অন্য শিশু-কিশোরদের মধ্যেও কমবেশি এই ধরনের প্রভাব বৈশিষ্ট্য এখন থাকা স্বাভাবিক।

প্রায় ৫০ শতাংশ পড়ুয়াই তাদের পড়াশোনা বা আশপাশের অবস্থা নিয়ে চিন্তিত বা উদ্বি’'গ্ন। ওই সংস্থা সূত্রের খবর, সমীক্ষা চলাকালীন পড়ুয়াদের যে সব প্রশ্ন করা হয়েছিল, তার মধ্যে কয়েকটি এই রকম: তারা কি জানে কেন বাড়িব'ন্দি থাকতে হচ্ছে? বাড়িতে থাকতে কি তাদের কোনও সম’স্যা হচ্ছে? কী ভাবে তাদের সময় কাটছে?

ল’কডাউনে তাদের ঘু'মের অ’ভ্যাসে কি কোনও বদল হয়েছে? এই সময়ে ভয় বা আ’ত'ঙ্কের মতো কোনও অ'ভিজ্ঞতা কি তাদের হয়েছে? চারপাশের কোনও কিছু কি তাদের কষ্ট দিচ্ছে? তাদের খিদে পাওয়ার ক্ষেত্রে কি কোনও বদল হয়েছে? পড়াশোনা বা অন্য কাজে মনোনিবেশ করতে কি কোনও সমস্যা হচ্ছে? এই সব প্রশ্নে তারা যে সব উত্তর দিয়েছে, তার ভিত্তিতে ওই শিশু-কিশোরদের মনস্তত্ত্ব বিশ্লেষণ করেছেন বিশেষজ্ঞরা।

তাই বিশেষজ্ঞরা বলেছেন দেরি করে ঘু'মানো করো'নার বেশী হয় । এতে করে আম'দের সতক থাকতে হবে।