বুকের কফ মাত্র ২ দিনে দূর করার ঘরোয়া উপায় ।

বুকের ক’ফ দূ’র করার উপায়- সঠিক সময়ে বুকের কফের চি’কিৎসা করা না হলে এটি দ্বারা শ্বা’স’যন্’ত্র আ’ক্রা’ন্ত হওয়ার স’ম্ভাবনা রয়েছে। চিকিৎসকের কাছে যাওয়ার আগে ঘরোয়া কিছু উপায়ে এই স’র্দি, ক’ফ দূর করতে পারেন। আজ তাহলে এমন কিছু ঘরোয়া উপায়ের সাথে প’রিচিত হওয়া যাক… লবণ পানি : বুকের স’র্দি, ক’ফ দূর করতে স’হজ এবং স’স্তা উপায় হল লবণ পানি। লবণ শ্বা’স’য’ন্ত্র থেকে ক’ফ দূর করে দেয়।

এক গ্লাস কুসুম গরম পানির সাথে এক চা চামচ লবণ মি’শিয়ে নিন। এটি দিয়ে দিনে দুই তিনবার কু’লকু’চি করুন। হলুদ : হলুদে থাকা কা’রকুমিন উ’পাদান বুক থেকে ক’ফ, শ্লে’ষ্মা দূর করে বু’কে ব্য’থা দ্রু’ত ক’মিয়ে দেয়। এর অ্যা’ন্টি ইনফ্লামেনটরি উ’পাদান গলা ব্য’থা, বুকে ব্য’থা দূ’র করতে সাহায্য করে। এক গ্লাস কুসুম গরম পানিতে এক চিমটি হলুদের গুঁ’ড়ো মি’শিয়ে নিন। এটি দিয়ে প্রতিদিন কু’লকু’চি করুন। এছাড়া এক গ্লাস দু’ধে আ’ধা চা চামচ হলুদের গুঁ’ড়ো মি’শিয়ে জ্বা’ল দিন।

এর সাথে দুই চা চা’মচ মধু এবং এক চিমটি গোল ম’রিচের গুঁ’ড়ো মে’শান। এই দুধ দিনে দুই থেকে তিনবার পান করুন। লেবু এবং মধু : লেবু পানিতে এক চামচ মধু মি’শিয়ে পান করুন। মধু শ্বা’স’য’ন্ত্রে’র ব্যা’কটেরিয়া ধ্বং’স করতে সাহায্য করে। এমনকি এটি বু’ক থেকে ক’ফ দূর করে গলা প’রিষ্কার করে থাকে। আদা : এক টেবিল চামচ আদা কু’চি এক পানিতে মেশান। এবার এটি ঢা’কনা দিয়ে ঢেকে ৫ মিনিট জ্বা’ল দিন।

বলক আসলে এতে সামান্য মধু দিয়ে দিন। দিনে তিনবার এই পানীয়টি পান করুন। এছাড়া এক চা চামচ আদা কু’চি, গোল ম’রিচের গুঁ’ড়ো, এবং ল’ব’ঙ্গের গুঁ’ড়ো দু’ধ অথবা ম’ধুর সাথে মি’শিয়ে নিন। এবার এই মি’শ্রণটি দিনে তিনবার পান করুন। আপনি চাইলে এক টুকরো আদা নিয়ে মুখে চা’বাতে পারেন। আদার র’স বু’কের ক’ফ প’রিষ্কার করতে সা’হায্য করবে। পেঁয়াজ : সম পরিমাণের পেঁ’য়াজের রস, লেবুর র’স, ম’ধু এবং পানি একসাথে মি’শিয়ে চু’লায় জ্বা’ল দিন। কিছুটা গ’রম হলে না’মিয়ে ফেলুন।

কুসুম গরম এই পানি দিনে তিন থেকে চারবার পান করুন। এছাড়া পেঁ’য়াজের ছোট টু’করো খেতে পারেন। অ্যাপেল সাইডার ভিনেগার : এক কাপ কুসুম গরম পানিতে দুই চা চামচ বি’শুদ্ধ অ্যাপেল সাইডার ভিনেগার মি’শিয়ে নিন। এর সাথে এক চা চামচ মধু মে’শান। এইবার এই পানীয়টি দিনে দুই তিনবার পান করুন। এক দুই সপ্তাহ পান করুন। দেখবেন বুকের ক’ফ অনেক কমে গেছে। হলুদ : শুধু অ্যান্টিসেপ্টিক নয়, হলুদে আছে কারকিউমিন নামক উপাদান যা জমে থাকা কফ দ্রু’ত বের করতে সাহায্য করে।

এতে থাকা অ্যান্টি ইনফ্লামেটরি উপাদান গলা ব্যথা, বু’কে ব্যথা দূর করতে সাহায্য করে। তাই প্রতিদিন কু’লকু’চি করার জন্য এক গ্লাস কুসুম গরম পানিতে এক চিমটি হলুদের গুঁ’ড়ো মি’শিয়ে নিন। অথবা এক গ্লাস দু’ধে আধা চা চামচ হলুদের গুঁ’ড়ো মি’শিয়ে জ্বা’ল দিয়ে এর সাথে মধু মি’শিয়ে খেয়ে নিন। তরল খাবার : বু’কে ক’ফ জ’মে থাকার কা’রণে খাবারে কষ্ট হয়। তাই এই সময় বেশি করে তরল এবং গরম খাবার খেলে আ’রাম পাওয়া যায়।

সারাদিন প্রচুর পানি, জুস, মুরগী ও সবজির স্যুপ বা তুলসী পাতার চা পান করুন। গরম পানির ভাপ : ফু’ট’ন্ত গরম পানিতে মে’ন্থল দিয়ে ভালো করে মি’শিয়ে নিন। চুলা থেকে পানি না’মিয়ে একটি বড় তোয়ালে দিয়ে মাথা ঢেকে নিন এবং ঘ’ন ঘ’ন শ্বা’স নিন। এভাবে অ’ন্তত ১০ মিনিট করে দিনে ২ বার ভাপ নিন। এতে ব’ন্ধ থা’কা নাক খুলে যাবে এবং বু’কে জমে থাকা ক’ফ বের হয়ে আ’সবে। গ’ড়গ’ড়া করা : গরম পানি দিয়ে গ’ড়গ’ড়া করলে গলা ব্য’থা কমে যায়।

এজন্য এক গ্লাস কু’সুম গরম পানিতে আ’ধা চা চামচ ল’বণ মি’শিয়ে গ’ড়গ’ড়া করুন। এভাবে দিনে অ’ন্তত তিনবার গ’ড়গ’ড়া করার চে’ষ্টা করুন। এটি কা’শি ক’মাতে বেশ কা’র্যকর একটি ঘরোয়া উপায়। স’হজলভ্য যে খাবারটি আজীবন যৌ ব ন ধরে রাখে স’মস্যা সমাধান ও রো’গ নি’রাময়ের জন্য আমরা কত কিনা করি। চিকিৎসা করতে গিয়ে বেশ ক্ষ’তি ডেকে আনি নিজেদের জন্যই। কষ্ট লাঘবে তখন পা’র্শ্বপ্র’তিক্রিয়ার বিষয়টা মা’থায় থাকে না। বিশেষ করে টাইফয়েড জ্ব’র, ডায়রিয়া, কলেরার মতো পেটের রোগে অ্যান্টিবায়োটিকও চলে আ’কছার।

পা’র্শ্বপ্র’তিক্রিয়াযুক্ত ওই সব ও’ষুধগু’লির দামও অনেক সময় নিম্ন আয়ের মানুষের না’গালের বাইরে হয়ে যায়। অথচ আমাদের হাতের কাছেই কিছু ভে’ষজ গাছ রয়েছে, যেগুলি অ’ত্যন্ত অল্প দামে বা একটু খুঁজলে বিনামূল্যেও পাওয়া যায়, আমরা জানি না। অনেক সময় জেনেও, বিশ্বাস হয় না। তেমনই একটি ভে’ষজ উদ্ভিদ হল থা’নকুনি। থা’নকুনি আমাদের অতিপরিচিত পাতা। পু’কুরপাড় বা জলাশয়ে হা’মেশাই দেখা মেলে। কথায় বলে, পেট ভালো থাকলে মনও ফু’রফু’রে থাকে।

চি;কিৎসক;রা;ই বলছেন, থা;নকু;নি পা;তার এমন ভে;ষজ গু;ণ রয়েছে, নি’য়মিত খেতে পারলে, পেটের অ’সুখে কোনও দিনও ভু’গতে হবে না। শরীর-স্বা’স্থ্য তো স’তেজ থাকেই, ছোট থেকে খা’ওয়াতে পারলে বু’দ্ধিরও বি’কাশ হয়। দেখে নেওয়া যাক, যৌ’ব’ন ধরে রাখতে ও সুস্থ থাকতে থা’নকু’নি পা’তার ভেষজ গুণগুলি। ১. পেটের রো’গ নি’র্মূল করতে থা’নকুনি’র বিকল্প নেই। নি’য়মিত খেলে যে কোনও পেটের রো’গ থেকে মু’ক্তি পাওয়া যায়। একই স’ঙ্গে পেট নিয়ে কোনও দিনও স’মস্যায় ভু’গতে হয় না।

২. শুধু পে’টই নয়, আ’লসার, এগজিমা, হাঁ’পানি-সহ নানা চ’র্মরো’গ সে’রে যায় থা’নকু’নি পাতা খেলে। ত্বকেও জেল্লা বাড়ে। ৩. থা’নকু’নি পাতায় থাকে Bacoside A ও B। Bacoside B ম’স্তি’ষ্কে’র কো’ষ গ’ঠনে সা’হায্য করে ও র’ক্ত চ’লাচ’ল বা’ড়ায়। থা’নকু’নি পাতা নি’য়মিত খেলে স্মৃ’তিশ’ক্তি বৃ’দ্ধি পায়। ৪. থা’নকু’নি স্না’য়ুতন্ত্র”কে স’ক্রিয় রা’খতে সাহায্য করে। ৫. মৃ’ত’কো’ষে’র ফলে চা’মড়ায় অনেক সময়ই শু’ষ্ক ছাল ওঠে। রুক্ষ হয়ে যায়। থা’নকু’নি পাতার রস মৃ’ত’কো’ষ’গু’লিকে পুনর্গঠন করে ত্ব’ক ম’সৃণ করে দেয়।

৬. পুরনো ক্ষ’ত কোনও ওষুধেই না সারলে, থা’নকু’নি পা’তা সি’দ্ধ করে তার জল লা’গালে সেরে যায়। স’দ্য ক্ষ’তে থা’নকু’নি পা’তা বেটে লা’গালে, ক্ষ’ত নি’রাময় হয়ে যায়। ৭. থা’নকু’নি পাতা চুল পড়া আ’টকে দেয়। এমনকি নতুন চুল গ’জাতেও সা’হায্য করে। ৮. বয়স বা’ড়লেও, যৌ’বন ধরে রেখে দেয় থা’নকু’নি পা’তার রস। প্রতিদিন একগ্লাস দুধে ৫-৬ চা চামচ থা’নকু’নি পা’তার র’স মি’শিয়ে খেলে, চেহারায় লা’বণ্য চলে আসে। আ’ত্মবি’শ্বাসও বেড়ে যায়। ৯. দাঁ’তের রো’গ সা’রাতেও থা’নকু’নির জু’ড়ি মেলা ভার। মাড়ি থেকে র’ক্ত পড়লে বা দাঁ’তে ব্য’থা করলে একটা বড় বাটিতে থা’নকু’নি পা’তা সি’দ্ধ করে, তারপর ছেঁ’কে নিয়ে সেই জল দিয়ে কু’লকু’চি করলে উ’পকার পাওয়া যায় চ’টজ’লদি।