মানুষ পেঁয়াজ খাওয়া কমিয়ে দিয়েছে, লোকসানে ব্যবসায়ীরা

দেশীয় বাজারে নতুন পেঁয়াজ উঠতে শুরু করায় ও বিদেশ থেকে পেঁয়াজ আমদানির খবরে কৃষক ও মজুতদারেরা আজ মঙ্গলবার ঘরে রাখা প্রায় সব পেঁয়াজ হাটে তুলেছিলেন। সকালের দিকে যেখানে বিক্রেতারা প্রতি কেজি পুরোনো পেঁয়াজের দাম হেঁকেছিলেন ১৫০ থেকে ১৭৫ টাকা সেখানে দুপুর ১২টার দিকে দাম নেমে আসে ১০০ থেকে ১৩০ টাকায়। আর আগাম জাতের নতুন পেঁয়াজ বিক্রি হয়েছে ৭০ থেকে ৮০ টাকা কেজি দরে।

কিন্তু এই দামেও হাটে পেঁয়াজ নিয়ে আসা বেশির ভাগ কৃষক ও ব্যবসায়ী বিক্রি করতে পারেননি। তাই হাটে ওঠা বেশির ভাগ পেঁয়াজ ফেরত গেছে। হাটে পেঁয়াজ কিনতে এসেছিলেন টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরের ইকবাল হোসেন ও আমিনুল ইসলাম। এই হাট থেকে পাইকারি দরে পেঁয়াজ কিনে ভূঞাপুরের বাজারে খুচরো দামে বিক্রি করে থাকেন তারা। তারা জানান, গতকাল দুজনে মিলে ৫০০ কেজির মতো পেঁয়াজ কিনেছেন। অথচ অন্য সময়ে এই হাট থেকে তারা আড়াই থেকে তিন হাজার কেজি পেঁয়াজ কিনে নিয়ে যান। তাদের ভাষ্য, মানুষ পেঁয়াজ খাওয়া একেবারেই কমিয়ে দিয়েছে।

তাই এখান থেকে পেঁয়াজ কেনার পর টাঙ্গাইলে নিয়ে তারা বিক্রি করতে পারছেন না। গত কয়েক দিনে তাদের ৩০ থেকে ৩৫ হাজার টাকা লোকসান হয়েছে বলে তাঁরা জানান। প্রসঙ্গত, প্রসঙ্গত, গত ২৯ সেম্টেম্বর থেকে ভারত পেঁয়াজ রফতানি বন্ধ করে দেয়। দেশটির বাণিজ্য মন্ত্রণালয় নিজেদের রফতানি নীতি সংশোধন করে পেঁয়াজকে রফতানি নিষিদ্ধ পণ্যের তালিকায় ঢুকিয়েছে। এর পর থেকে বাংলাদেশের বাজারে বাড়তে থাকে পেঁয়াজের দাম। বর্তমানে খুচরা বাজারে পেঁয়াজের দাম ২৫০ টাকায় ঠেকেছে।