বেলজিয়ামের বি’স্ম’য় বা’লকঃ ৯ বছর বয়সেই শে’ষ করছেন স্না’ত’ক ।

স্কুল, কলেজ পে’রোনোর পরই স্মা’ত’কে প’ড়ার সু’যোগ পা’ওয়া যা’য় বে’শিরভা’গ দে’শগু’লোতে। স্মা’ত’ক স’ম্প’ন্ন করতে করতে জীবনের ব’য়স এসে দাঁ’ড়ায় কখনো ২৪ বা কখনো ২৫ এ। কিন্তু মাত্র নয় বছর ব’য়সে স্না’ত’ক স’ম্পন্ন করতে যাচ্ছে বেলজিয়ামের এক বি’স্ম’য় বা’ল’ক! বেলজিয়ামের এই বা’ল’কে’র নাম লরেন্ট সিমনস। চ’লতি ব’ছরের ডিসেম্বরে নেদারল্যা’ন্ডের এডিনহোভেন ইউনিভার্সিটি অব টেকনোলজি থেকে ইলেকট্রি’ক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে স্না’ত’ক শেষ ক’রার ক’থা র’য়েছে সিমনসের।

যদি এমনটাই হয় তবে সিমনসই হবে বিশ্বের সর্বকনিষ্ঠ স্না’ত’ক স’ম্প’ন্নকা’রী! সিমনস যে আর আট-দশটা শি’শুর চেয়ে ভি’ন্ন তা প্রথম বুঝতে পারে তার দাদা-দাদী। তবে প্রথমে সিমনসের বাবা-মা তা কানে তুলেননি। পরে স্কুলের শি’ক্ষ’কদের ক’থায় বিশ্বাস করেন যে তাদের স’ন্তান অ’সাধারণ প্র’তিভা’ধ’র। পৃ’থিবীর অ’ধিকাং’শ মানুষের বু’দ্ধিম’ত্তা যেখানে ৯০ থেকে ১১০। বু’দ্ধিম’ত্তার বি’চারে সিমনসের নম্বর ১৪৫! শুধু তাই নয়, মাত্র আ’ঠারো মাসে হাই স্কুলের সিলেবাস শেষ করেছে সে!

সিমনসের বাবা ডাক্তার হলেও ছেলেকে ইলেকট্রি’ক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং এ প’ড়াশো’না করতে দিয়েছেন। সিমনস সং’বাদমা’ধ্যম’কে জা’নিয়ে’ছেন, তার প’রবর্তী প’রিক’ল্পনা ইলেকট্রি’ক্যাল ই’ঞ্জি’নিয়ারিংয়ের উপর পিএইচডি ডি’গ্রি নেওয়া এবং পা’শাপা’শি মেডিসিনে স্না’ত’ক স’ম্পন্ন করা। সিমনস স্ব’প্ন দেখে একদিন সে কৃ’ত্রিম হৃ’দয’ন্ত্র তৈরি করবে, আ’বি’ষ্কা’র করবে নতুন নতুন সব জিনিস। উ’ল্লে’খ্য,সবচেয়ে কম বয়সে স্না’ত’ক শেষ করার অ’র্জ’ন রয়েছে আমেরিকার মিকেল কারনের ঝুলিতে। মাত্র দশ বছর বয়সে ইউনিভার্সিটি অব আলাবামা থেকে স্না’ত’ক শেষ করেছিল সে। এবার হয়তো এই অ’র্জ’ন নিজের নামের পাশে যু’ক্ত করতে যাচ্ছে সিমনস।