সৌদি থেকে দেশে ফিরলেন আরও ৮৬ বাংলাদেশি ।

সৌদি সরকারের ক্র’মব’র্ধমান ধ’রপা’কড় অ’ভিযানের ম’ধ্য দিয়ে সৌদি থেকে দেশে ফি‌রে‌ছেন আরও ৮৬ জন প্রবাসী বাংলা‌দে‌শি। বৃহস্পতিবার (১৪ নভেম্বর) রাত ১১.২০ মিনিটে সৌদি এয়ারলাইন্সের (এসভি-৮০৪) বিমান যো’গে সৌদি থেকে দেশে ফিরেন তারা। বি’মানবন্দেরের প্র’বাসী কল্যাণ ডেস্কের ত’থ্য অনুযায়ী, নভেস্বর মাসের দু’সপ্তায় এক হাজার ৬৪৭ জন বাংলাদেশি দেশে ফিরেছেন।

বরাবরের মতো গতকালও ফে’রত আসাদের প্রবাসী কল্যাণ ডেস্কের স’হযোগিতায় ব্র্যাক মাইগ্রেশন প্রোগ্রাম থেকে খাবার-পানিসহ নি’রাপদে বাড়ী পৌ’ছানোর জন্য জ’রুরি স’হায়তা প্রদান করা হয়। এদিকে ফে’রত আ’সাদের ম’ধ্যে একজন হলেন ব্রা’হ্মণবা‌ড়িয়ার লিটন। তিনি জানান, পাসপোর্টে প্রথম তিন মাসের ভিসার মেয়াদ থা’কা স’ত্বেও শু’ন্য হাতে দে’শে ফি’রতে হয়েছে তাকে। লিটন মাত্র দেড় মাস আগে রিক্রুটিং এজেন্সি এরোমা ইন্টারন্যাশনালের মা’ধ্যমে গি’য়েছিলেন সৌদি আরবে।

কিন্তু চলমান অ’ভি’যা’নে খালি হাতেই দে’শে ফে’রতে হলো তাকে। ব্রাহ্মণবা‌ড়িয়ার আরেক ছেলে দুলাল হোসেন জানান, চার লাখ পঞ্চাশ হাজার টাকা খরচ করে ছয় মাস পূর্বে গি’য়েছিলেন সৌদিতে। কিন্তু তারও ভাগ্যে একই প’রি’ন’তি। বাজার করতে যাবার পথে পুলিশ ধ’রে এক কাপড়েই পা’ঠি‌য়ে দেয়। সাত মাস আগে সৌদি যাওয়া নওগাঁর জুয়েলের গল্পটাও একই রকম। জুয়েলের অ’ভি’যো’গ আমার আ’কামা থা’কা স’ত্বেও দেশে ফে’রত পা’ঠানো হলো তাকে।

জুয়ে‌লের সাথে স’ঙ্গী হয়ে দেশে ফি’রেছেন মুন্সিগঞ্জের রুহুল আমিন। ছিলেন এক বছর। টাঙ্গাইলের নাসিম তিন লাখ আশি হাজার টাকা খরচ করে পাঁচ মাস আগে গিয়েছিলেন। চার লাখ টাকা দিয়ে মেহেরপুরের সোহাগ গিয়েছেন চার মাস পূর্বে। নরসিংন্দীর কাউসার দশ মাস। কুমিল্লার আশিকুর রহমান ও মানিক মিয়া গি’য়েছেন নয় মাস পূ’র্বে। দে’শে ফে’রত আসা ক’র্মীদের অ’ভিযো’গ, কফিল‌কে (নি’য়োগক’র্তা) আ’কামর টাকা প্রদানের পরেও তাদের আকামা তৈরি করে দেওয়া হয়নি।

আর পুলিশ ধ’রলে দা’য়িত্ব না নিয়ে দেশ পা’ঠিয়ে নি’র্দেশ প্রদান করেন কফিল। ব্র্যাক অ’ভিবাসন ক’র্মসূ’চির প্রধান শরিফুল হাসান জানান, চলতি বছ‌র এখন প’র্য’ন্ত প্রায় ২১ হাজার বাংলাদেশিকে শুধু সৌদি আরব থেকে ফে’রত পাঠানো হলো। দেশে ফেরা অনেক ক’র্মীদের অ’ভি’যো’গ, আ’কামা তৈরীর জন্য তারা কফিলকে (নি’য়োগক’র্তা) টাকা প্রদান করলেও কফিল আকামা তৈরি করে দেয়নি। এখন পুলিশ যখন তাদের গ্রে’প্তার করছেন কফিল কোন দায় নিচ্ছে না। বিষয়গুলো দুঃ’খজ’নক। ফে’রত আসা সবাই ভ’বিষ্যত নিয়ে দু’শ্চিন্তায়। এভাবে যেন কাউকে শূ’ন্য হাতে ফিরতে না হয় সেজন্য যাওয়ার অগেই ব্য’বস্থা নেয়া উচিত। বি‌শেষ ক‌রে ফ্রি ভিসার নামে প্রতারণা ব’ন্ধ করা উচিত।