মালয়েশিয়ায় ক’র্মর’ত প্রবাসী ক’র্মীদের কাজের মূ’ল্যায়ন দিতে না’গরিকের দাবী ।

মালয়েশিয়ায় ক’র্মর’ত বাংলাদেশি ক’র্মীদের কাজের মূ’ল্যায়ন করতে হবে। বলছিলেন মালয়েশিয়ান না’গরিক কুয়েস্টার ফং। তিনি বলেন, মালয়েশিয়ায় স্ব-সাহসে কঠোর পরিশ্র’ম করে চলেছেন বাংলাদেশের শ্রমিকরা। তাদের শ্রমের মূ’ল্যায়ন অবশ্যই করতে হবে। শুক্রবার রা’তে গ্রাবে করে বাসায় ফিরছিলাম। গ্রাবের চালক মি: ফং আমার পরিচয় যেনে আলাপ শুরু করলেন। এক পর্যায় বাংলাদেশি ক’র্মীদের কাজের দ’ক্ষতার প্রশংসা করলেন। এ সময় মি: ফং বললেন, এখানে কিন্তু সবাই ভাল জীবন খুঁ’জে পায় না।

কারণ কখনও কখনও তারা শোষিত ও ঝুঁ’কিপূ’র্ণ অ’বস্থায় কাজ করছে। দু’দেশের সরকারের কিছু নীতি নি’র্ধারনের কারনে বাংলাদেশি শ্রমিকরা অনেক ঝা’মেলায় প’ড়ছে বলে তিনি ম’ন্তব্য করেন। মি: ফং কিন্তু গ্রাব চালকই নন। তিনি একজন রিয়েলএ্যাষ্টেট নেগোশিয়েটর। পার্টটাইম গ্রাব চালান। ফং গর্বের সহিত বললেন, আমি বাংলাদেশি ক’র্মীদের স’ঙ্গে দীর্ঘ তিন বছর কাজ করেছি বিল্ডিং কন্সট্রাকশনে। তাদের কাজের দ’ক্ষতা অপরিসীম। এসময় ফং আরো বললেন,

আপনি হয়ত ভাবছেন আপনার দেশের শ্রমিকদের প্রশংসা করছি আপনাকে খুশি করতে। না সত্যিই তাদের কাছ থেকে আমি কাজের দ’ক্ষতা অ’র্জন করেছি। আজ আমি দুইটি কোম্পানীর মালিক। আর দামানসারা তার কোম্পানীতে ১২জন বাংলাদেশি কাজ করছেন। আমি তাদের নিজের আপন ভাইয়ের চাইতে বেশি আপন মনে করি। কারন তাদের শ্রমে ও তাদের দ’ক্ষতায় আজ আমি দু’টি কোম্পানীর মালিক।

আমি ফংকে প্রশ্ন করলাম তা হলে আপনি গ্রাব .. বলতেই পুরোটা বলার আ’গেই হা’সিঁ মূখে বললেন, আপনি যে প্রশ্ন করতে চাচ্ছেন আমি গ্রাব কেন চালাই? তাইত? হ্যাঁ। ফং বললেন, যখন আমি অ’বসর থাকি তখন রাস্তায় গাড়ি নিয়ে নেমে পড়ি। তাও বেশির ভা’গ যা’ত্রি বাংলাদেশি। এ দিকে দেশে থাকা পরিবার পরিজনদের আ’কাশচু’ম্বী চাওয়া-পাওয়ার অনেকটাই নি’র্ভর করে প্রবাসীদের উ’পার্জনের ওপর। হা’সিমু’খে তাদের সর্বো’চ্চটুকু দিয়ে যাচ্ছে দেশ এবং পরিবারকে। কেউ কেউ পরিবারের মুখে হাসি ও স্ব’চ্ছলতা ফি’রিয়ে আনলেও অনেকেই প্রবাসে অ’সহায়ত্বের গ্লানি টানার ম’ধ্যেও তাদের একটাই কথা পরিবার পরিজন ছে’ড়ে বিদেশে এসেছি টাকা রোজগার করতে।

শনিবার সরেজমিন কুয়ালালামপুর পিএনবি ১১৮ ভবনে গিয়ে দেখা গেছে, অ’ভিবাসী শ্রমিকরা বীরদর্পে কাজ করছেন । কথা হয় তাদের স’ঙ্গে। মালয়েশিয়াবাসী কিছু অ’ভিবাসী শ্রমিকের দিকে নজর রাখছেন এমন কয়েকজন মালয়েশিয়ান না’গরিকদের স’ঙ্গেও কথা হয়, তারা বলছেন পরবাসী হয়েও যারা আমাদের দেশের অ’র্থনীতির চাকা সচল রেখেছেন, যে চাকরিগুলি আমাদের মালয়েশিয়রা করেন না সেগুলি অ’ভিবাসী শ্র’মিকরা করছেন ।

তারা ফং এর মত একই কথা বললেন, অবশ্যই এসব পরবাসী শ্র’মিকদের কাজের মূ’ল্যায়ন করতে হবে। তারা বলছেন, আমাদের জাতিগত অ’বস্থার পরিবর্তনের ফলে, আকাশচু’ম্বী এবং কাঠামোগুলি আকাশম’ন্ডলকে ডু’বিয়ে দিচ্ছে পরবাসীরা। এই আকাশচু’ম্বি কা’ঠামোগু’লো বেশিরভাগই এই শ্র’মিকদের নি’র্মিত বলে ম’ন্তব্য করলেন নাম প্রকাশে অ’নিচ্ছুক একজন মালয়েশিয়ান নাগরিক। সুনামগন্জের হারুন মিয়া, নড়াইলের সত্ববাবু, রাজশাহীর সাজু মিয়া,

কুষ্টিয়ার রফিজুল চলতি বছরের আগষ্ট মাস থেকে কুয়ালালামপুরের পিএনবি ১১৮ তলা বিল্ডিয়ের নি’র্মান প্রকল্পের ইলেক্ট্রিকেল ওয়ারিং সেকশনে কাজ করছেন। যেখানে বৈ’ধপারমিট ও সিআইডিবি কাড ছাড়া কাজ পাওয়া খুবই মুশকিল। সেখানে এ চারজন বাংলাদেশি কাজ করছেন। শুধু এ চারজনই নয় বৈ’ধপারমিটসহ শ’তশ’ত লালসবুজ পতাকাবা’হি গ’র্বিত সো’নার ছেলেরা বীরদ’র্পে কাজ করে চলেছেন। হারুন মিয়া বলছেন, এ হাইরাজ বিল্ডিংএ কাজ নিতে অ’নেক বেগ পোহাতে হয়েছে। কাজ পেয়েছি।

হারুন মিয়া বলেন, আমরা যারা বাংলাদেশি এখানে কাজ করছি কাজের দ’ক্ষতা দেখে ক’র্তৃপ’ক্ষ খুব খুশি। তার সাথে সূর মিলালেন কুষ্টিয়ার রফিজুল। বললেন, বিদেশে এসেছি টাকা ইনকাম করতে। শ্র’মদিয়ে যাচ্ছি।রফিজুলের একটাই দু:খ, আগষ্ট মাস থেকে এখানে কাজ করছি। ই’ন্দোনেশিয়া, নে’পাল, মা’লয়েশিয়ান, চা’য়নাসহ আরো কয়েকটি দেশের শ্র’মিকরা কাজ করছেন, তাদের দেশের দূ’তাবাসের সংশ্লি’ষ্ট ক’র্মক’তার্রা প্রতি সপ্তাহে এসে তাদের খো’জঁ খবর নিচ্ছেন। এতে তাদের কাজের উৎ’সাহ বাড়ে। শুধু আমরাই অ’বহেলায় রয়ে গেলাম। আমাদের দূ’তাবাসের কেউই আমাদের খো’জঁ রাখেনা। বিদেশে আমরা শ্র’মের বি’নিময়ে দেশকে দিয়ে যাচ্ছি । কিন্তু দেশের চালকরা আমাদের লো’কদে’খানো স্মৃ’তিচারনে ব্য’স্ত ।