কুমারিত্ব প্রমাণে বাজারে এলো কৃত্রিম রক্তের পিল ।

থম শারীরিক মিলনের রাতে মেয়েটিকে রক্তাক্ত হতেই হবে— এ সংস্কার শুধুই তৃতীয় বিশ্বের নয়, বরং অনেক উন্নত ও উন্নয়নশীল দেশই এই ‘ট্যাবু’ বহন করে এসেছে যুগের পর যুগ। কখনো সরাসরি, কখনো ভিন্নপথে। বিভিন্ন সময়ে নানা ধর্মীয় ভাবাবেগ ও কুসংস্কারকে শিখণ্ডী করে এমন প্রথাকে ‘নিয়ম’ বলে দেগে দিয়েছে সমাজের একাংশ। এমন নিয়মকে পুঁজি করে ব্যবসা করতে বাজারে এসেছে ‘আই ভার্জিন পিল’। অনলাইনে এক ক্লিকেই মিলছে অ্যামাজনের সাইটে।

সঙ্গে রয়েছে অনেকগুলো ‘আশ্বাসবাণী’। কোনো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নেই। প্রয়োজন পড়ে না কোনো কাটাছেঁড়ার। অজ্ঞান করারও প্রয়োজন নেই। স্রেফ এক পিলেই শরীরে জমে যাবে পরিমাণ মতো থকথকে ‘নকল’ রক্ত। প্রেম-ভালোবাসার ক্ষেত্রে পুরুষদের কাছে যৌ’নতা খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়। কিন্তু এমন কিছু বিষয় আছে যা নারীদের কাছে যৌ’নসুখের চাইতেও অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ। কেবল যৌ’ন সুখ নয়, নিজেদের একান্ত সম্পর্কে পছন্দের পুরুষের কাছ থেকে এই বিষয়গুলোও আশা করেন নারীরা।

কী করলে আপনার সঙ্গিনী খুশি হবেন, তারই কিছু সহজপাঠ এখানে দেয়া হলো। ব্যক্তি বিশেষে এই চাহিদার রকমফের হলেও দেখা গিয়েছে কমবেশি এই ব্যবহারই কামনা করেন অধিকাংশ নারী। ০১. যার মধ্যে প্রথমেই রয়েছে আলতো চু’ম্বন। জো’র করে নয়, দুপক্ষের সম্মতিতেই এই চু’ম্বন হওয়া বা’ঞ্ছনীয়। ০২. দ্বিতীয়ত, স্পর্শ। পোশাকি ভাষায় যাকে বলে গুড টাচ। ০৩. গভীর আলি’ঙ্গন। যাতে থাকবে সারাজীবন পাশে থাকার ইঙ্গিত।

এই বিষয়গুলি নারীদের কাছে যৌ’নতার থেকেও অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ। ০৪. যৌ’ন মি’লনের পর গভীর আলিঙ্গনে পরস্পরকে জড়িয়ে ঘুমোনোটাও অধিকাংশ নারীই পছন্দ করেন। ০৫. একান্ত মুহূর্তে আবেগঘন প্রশংসা নারীদের খুবই প্রিয়। ০৬. পাশাপাশি হাত ধরে হাঁটা, উপহার, বিশেষ মুহূর্তে “ভালোবাসি” বলা, মজার খুনসুটি, মজার কোন ই’ঙ্গিত ইত্যাদি ব্যাপারগুলো নারীদের কাছে খুবই গুরুত্বপূর্ণ।