‘অন্যের স্ত্রী’কে ভাগিয়ে নয়, সম্মতিতেই স্কুল শিক্ষিকাকে যেভাবে বিয়ে করেন মেয়র ।

সিরাজগঞ্জের উ’ল্লাপা’ড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষিকা গুলশানারা পারভীন পান্নাকে পৌর মেয়র ও আওয়ামী লীগ নেতা এসএম নজরুল ইসলাম ভা’গিয়ে নিয়ে বিয়ে করার যে অ’ভিযোগ উঠেছে তা সত্য নয় বলে জানিয়েছেন তিনি। বরং উভয় পরিবারের স’ম্মতিতেই পান্না ও মেয়র নজরুল ইসলামের বিয়ে হয়েছিল বলে জানা গেছে। গতকাল সোমবার শিক্ষিকা গুলশানারা পারভীন পান্না ও পৌর মেয়র নজরুল ইসলামকে নিয়ে খবর প্রকাশিত হয়। যেখানে বলা হয় পান্নাকে ভাগিয়ে নিয়ে বিয়ে করেন মেয়র।

আদতে সেটা সত্য নয় বলে জানিয়েছেন মেয়র। ওই প্রতিবেদনে বলা হয়, ‘সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়ায় ব্য’বসায়ী রাজন আহমেদের স্ত্রী সহকারী শিক্ষিকা গুলশানারা পারভীন পান্নাকে ভা’গিয়ে নিয়ে বিয়ে করেছেন উ’ল্লাপাড়ার পৌর মেয়র আওয়ামী লীগ নে’তা এসএম নজরুল ইসলাম। কিন্তু মেয়রের প্র’ভাবে মা’মলা তো দূরের থাক আজ পর্যন্ত কোথাও কোনো অ’ভিযোগও করতে পারেননি গুলশানারার স্বামী রাজন আহমেদ।’ পরে খোঁ’জ নিয়ে জানা গেছে, পান্নাকে ভা’গিয়ে নিয়ে বা জোর করে বিয়ে করেননি মেয়র নজরুল ইসলাম।

দুই পরিবারের স’ম্মতিতেই ২০১৮ সালের ২ এপ্রিল তারা বিয়ে বন্ধনে আ’বদ্ধ হন। তাদের বিয়ের আসরের দুটি ছবিও এসেছে। এরমধ্যে একটি ছবিতে মেয়র নজরুল ইসলামের স’ঙ্গে পান্না ও তার বাবা মুক্তিযো’দ্ধা গোলাপ হোসেন এবং মা জাকিয়া সুলতানাকে দেখা গেছে। আরেকটি ছবিতে পুত্রবধূ পান্নার স’ঙ্গে মেয়রের বাবা চাঁদ আলী সরকার ও মা তারা বানুকে দেখা গেছে। জানা গেছে, প্রথম স্ত্রী জেসমিন জয়ার স’ঙ্গে ২০১৮ সালের ফেব্রুয়ারি মাসের ১০ তারিখে তালাকের মাধ্যমে বিবাহ বিচ্ছেদ হয় মেয়র নজরুল ইসলামের।

এরপর উভয় পরিবারের সি’দ্ধান্তে ২০১৮ সালের ২ এপ্রিল অনাড়ম্ভর অনুষ্ঠানের মাধ্যমে গুলশান আরা পারভীন পান্নাকে দ্বিতীয় বিয়ে করেন মেয়র নজরুল ইসলাম। এর আগে ২০১৬ সালের ২৭ জুলাই শা’রীরিক ও মানুষিক নি’র্যাতনের অ’ভিযোগ এনে প্রথম স্বা’মী রুমান সাইদ রাজনকে লিগ্যাল নোটিশ প্রদান করেন গুলশান আরা পান্না। একই তারিখে তাদের দুজনের বিবাহ বি’চ্ছেদ হয়। এছাড়া মেয়রের প্রথম স্ত্রী জেসমিন জয়ারও দ্বিতীয় বিয়ে হয়ে গেছে। এদিকে তাকে ঘিরে ‘মিথ্যা বানোয়াট ও ভিত্তিহীন’ সংবাদ প্রকাশ করায় সংবাদ স’ম্মেলন করেছেন মেয়র নজরুল ইসলাম।

উ’ল্লাপা’ড়া প্রেসক্লাবে আয়োজিত ওই সংবাদ স’ম্মেলনে পৌরসভার ৮ জন কাউন্সিলর, পৌর আওয়ামী লীগের ৯টি ওয়ার্ডের সভাপতি ও সাধারণ স’ম্পাদকবৃন্দ উ’পস্থিত ছিলেন। সংবাদ স’ম্মেলনে মেয়র বলেন, আমার বি’রুদ্ধে একটি স্থানীয় পত্রিকা ও ২/১টি অনলাইন গ’ণমা’ধ্যমে সংবাদ প্রকাশ করেছে, যা অসত্য। সংবাদ স’ম্মেলনে তিনি বিয়ে সং’ক্রা’ন্ত সব কাগজপত্র সাংবাদিকদের সামনে উ’প’স্থা’পন করেন। মেয়র নজরুল ইসলাম বলেন, ইসলামিক শরিয়ত মোতাবেক আমার দ্বিতীয় বিয়েতে পান্নার বাবা মু’ক্তিযো’দ্ধা গোলাপ হোসেন, মা জাকিয়া সুলতানা ও তার পরিবারের অনেক সদস্যসহ শহরের গ’ণমান্য ব্য’ক্তিব’র্গ উ’পস্থিত ছিলেন। ইতিমধ্যে প্রথম স্ত্রী জেসমিন জয়ারও দ্বিতীয় বিয়ে হয়ে গেছে বলেও জানান মেয়র। এরপরও কেন আমার বি’রুদ্ধে চ’রিত্রহ’রণসহ নানা নোংরা সংবাদ প্র’কাশ করা হচ্ছে? প্রশ্ন করেন তিনি।