ঘূর্ণি’ঝ’ড়ের ১০৭ বছরের রেকর্ড ভাঙতে পারে ২০১৯

বর্ষা র আগে ও পরে ভারত মহাসাগর, ব ঙ্গো পসা গর ও আরব সাগরে তৈরি হওয়া নি ম্নচা পগু লির অধিকাংশই পরিণত হয় ঘূ র্ণিঝ ড়ে। এই এলাকায় তৈরি হওয়া নি ম্নচা পগু লির ঘূ র্ণি ঝড়ে পরিণত হওয়ার ক্ষেত্রে সম্ভাবনা থাকে ৮০ শতাংশ। মূলত বর্ষার আগে অর্থাৎ এপ্রিল ও মে মাস এবং বর্ষার পরে অর্থাৎ অক্টোবর থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত সব থেকে বেশি ঘূ র্ণি ঝড় তৈরি হতে দেখা যায় এই তিন সাগরের এলাকায়।বর্ষা কালে কম ঘূ র্ণি ঝড় হয় নিম্নচাপ থেকে ঘূ র্ণি ঝড়ে পরিণত হওয়ার এই হার কমে যায় বর্ষাকালে।

এমন কি জানুয়ারি থেকে মার্চ মাস পর্যন্ত ঘূ র্ণি ঝড়ে পরিণত হওয়ার এই হার মাত্র ১০ শতাংশ। এই নি ম্নচা পগু লির আবার অনেকরকম ভাগ থাকে। বিভিন্ন স্তরে এগুলি পরিণত হয় ঘূর্ণি ঝড়ে। নিম্নচাপ থেকে তৈরি হয় গভীর নিম্নচাপ। এর পরের ধাপেই এটি ঘূর্ণি ঝড়ে পরিণত হয়। এরপর শক্তি বাড়তে বাড়তে এটি হয়ে ওঠে শক্তিশালী থেকে অতি শক্তি শালী ঘূর্ণি ঝড়। ঘূর্ণি ঝড়ের পাঁচটি আলাদা ক্যাটাগরি বাতাসের গতিবেগ ঘণ্টায় ৬২ কিলোমিটার ছুঁলে সেটিকে একটি নাম দেয়া হয়। যেমন বুলবুলের নামকরণ হয়েছিল।

এরপর এটা ঘণ্টায় ৬২ কিলোমিটার থেকে ১১৭ কিলোমিটার বেগের ব্যবধানে থাকলে সেটিকে একটি ঝড় বলা হয়। বাতাসের গতিবেগ যখন ঘন্টায় ১১৭ কিলোমিটারের বেশি হয়, তখন এটি পূ র্ণা ঙ্গ ঘূর্ণি ঝড়ে পরিণত হয়। বাতাসের তীব্রতা এবং ধ্বংস ক্ষমতা অনুযায়ী ঘূর্ণি ঝ ড়ের আবার এক থেকে পাঁচ মাত্রার ৫টি আলাদা আলাদা ক্যাটাগরিতে ভাগ করা হয়। বঙ্গো পসা গর থেকে আরব সাগরে বেশি ঘূর্ণি ঝড় এই বছর সাধারণত বঙ্গো পসাগরে আরব সাগর থেকে বেশি নিম্নচাপ তৈরি হয়। যদিও এই বছর উল্লে খযো গ্য ভাবে সংখ্যাটা আরব সাগরের ক্ষেত্রে বেশি।

এই কয়েকদিন আগেই কিয়ার ও মহা তৈরি হয় আরব সাগরে। এর আগে বঙ্গো পসা গরে বর্ষার আগে তৈরি হয় ফণী ও পাবুক। আর কয়েকদিন আগেই তা ণ্ডব ছড়ায় বুলবুল। ১০৭ বছরের রেকর্ড ভা ঙার মুখে এদিকে শেষবার আরব সাগরে একই বছরে চারটে ঘূর্ণি ঝড় তৈরি হয়েছিল ১৯০২ সালে। এবং ২০১৯-এর দেড় মাস বাকি থাকতেই সেই সংখ্যা ছোঁয়া হয়ে গিয়েছে।