মাত্র ৪০ দিনে পুরো কুরআন মুখস্থ করলেন ৯ বছরে শিশু…

কুরআন আল্লাহর কিতাব। এ কুরআনের হেফাজতের ঘোষণাও স্বয়ং তার। তিনিই কুরআন সংরক্ষণ করবেন। কুরআন সংরক্ষণের সেরা স্থান মানুষের সিনা বা হৃদয়। এমনই এক সিনার অধিকারী বগুড়ার মুহাম্ম’দ সাদিক নূর আলম। যিনি মাত্র ৪০ দিনে পুরো কুরআন হেফজ সম্পন্ন করেছেন। বগুড়া জে’লা সদরের সান্তাহার রোডের গোদারপাড়া মাদরাসাতুল উলুমিশ শারইয়্যাহ-এর হেফজ বিভাগের ছাত্র মুহাম্ম’দ সাদিক নূর আলম। প্রতিদিন ১৫ পৃষ্ঠা থেকে শুরু করে ১ পারা পর্যন্ত মুখস্ত করেছেন সাদিক।

আর এতে পুরো কুরআন মুখস্থ করতে তার সময় লেগেছে মাত্র ৪০ দিন। অল্প সময়ে শি’শুদের কচি মনে পবিত্র কুরআনুল কারিম মুখস্থ থাকা মহান আল্লাহর অসীম রহমত ও কুরআনের অন্যতম মুজিজা। হাফেজ সাদিক নূরই এর প্রমাণ। বগুড়া সদর উপজে’লার বড় কুমিরা গ্রামের মুহাম্মাদ আতাউর রহমান ও মা আঁখি বেগমের তিন সন্তানের মধ্যে দ্বিতীয় সাদিক নূর। বর্তমানে তার বয়স ৯ বছর ৬ মাস। এ অল্প বয়সেই সাদিক নূর মাত্র ৪০ দিনে পুরো কুরআন হেফজ সম্পন্ন করেছেন। কুরআনের পাখি হাফেজ মুহাম্ম’দ সাদিক নূর আলমকে আল্লাহ তাআলা কুরআনের খাদেম হিসেবে কবুল করুন। আমিন।

উল্লেখ্য, ছোটবেলা কুরআন শিখতে পারেনি দৃষ্টি প্রতিবন্ধি যায়নাব ইসরা। শৈশব-কৈশোর পেরিয়ে ৩১ বছর বয়সে এসে শুনে শুনেই পুরো কুরআনুল কারিম মুখস্ত করতে সক্ষম হয়েছেন। ইসরার জন্য এটা আল্লাহ তাআলার এক মহা অনুগ্রহ। তুরস্কের খাটায় প্রদেশের আলেকজান্দ্রিয়া শহরের সরিসিকির উকুর পরিবারে জন্ম নেয়া ইসরা। উকুর পরিবারের ৫ সন্তানের মধ্যে এক সন্তান হলেন ইসরা। ছোট বেলায় তার পবিত্র কুরআন মুখস্ত করার সুযোগ হয়নি।

গত ৪ বছর আগে তিনি নারীদের এক কুরআন প্রশিক্ষণ কোর্সে ভর্তি হন। কুরআন প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে ভর্তি হয়ে শুরু করেন কুরআন শেখা। তারপর শুনে শুনেই মুখস্ত করতে থাকেন পবিত্র কুরআন। ২ বছরে পবিত্র কুরআন মুখস্ত করতে সক্ষম হন। ২০১৭ সালে তুরস্কের কিয়েসারি শহরে অনুষ্ঠিত এক হিফজুল কুরআন প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করে সফলতার সঙ্গে উত্তীর্ণ হন। এরপর বেশ কয়েক বার তিনি পবিত্র কুরআনুল পুরোপুরি পড়ে শুনিয়েছেন। যায়নাব ইসরার ভাষায়, নারীদের জন্য কুরআন প্রশিক্ষণ কোর্সে ভর্তি হয়েই আমি পবিত্র কুরআনের অডিও ফাইল শুনতে শুরু করি। কুরআন তেলাওয়াতের অডিও ফাইল শুনে শুনেই পুরো কুরআনুল কারিম মুখস্ত করতে সক্ষম হই।