যে কারণে কবর থেকে তোলা হলো আবরারের লাশ ।

আদালতের নির্দেশে ঢাকা রেসিডেন্সিয়াল মডেল কলেজের নবম শ্রেণির ছাত্র নাইমুল আ’বরারের লা’শ ক’বর থেকে উ’ত্তোল’ন ক’রা হয়েছে। শনিবার দুপুর ২টা ৩০ মিনিটের দিকে নোয়াখালীর সোনাইমুড়ী উপজেলার ৮ নম্বর সোনাপুর ইউনিয়নের ধন্যপুর গ্রামের মাওলানা মোহাম্মদ উল্যা বাড়ির পারিবারিক ক’বরস্থা’ন থেকে লা’শ উ’ত্তোল’ন করা হয়। পরে ম’য়নাত’দন্তে’র জন্য তার লা’শ নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতাল ম’র্গে প্রেরণ করা হয়।

এর আগে গত বুধবার ঢাকার চতুর্থ অ’তিরি’ক্ত মহানগর হাকিম মো. আমিনুল হক নাইমুল আ’বরারের লা’শ উ’ত্তোল’নের এ আ’দেশ দেন। শনিবার নোয়াখালীর নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ইলিশায় রিসিলের নেতৃত্বে লা’শ উ’ত্তোল’ন করা হয়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন, মামলার ত’দ’ন্ত ক’র্মক’র্তা ও মোহাম্মদপুর থা’নার ইন্সপেক্টর মো.আব্দুল আলিমসহ পুলিশের চার সদস্য। ঠিক একমাস আগে ছাত্র লিগের নেতা-কর্মীদের হা তে খু ন হতে হয়েছিল আবরার ফাহাদকে।

এই ঘটনায় ১৬ জন গ্রে প্তার হলেও এখনও পর্যন্ত তিন অভি যুক্তকে গ্রে প্তার করতে পারেনি পুলি শ। এদিকে এখনও চোখের জলে ভাসছে আবরার ফাহাদের পরিবার। সমস্ত কাজের ফাঁ কেই ঘরের ছেলেকে মনে করে করুণ হয়ে উঠছে প্রতিটি সদস্যের মুখ। বৃহস্পতিবার সকালে খু নের ঘটনার ঠিক একমাসের মা থায় কুষ্টিয়া

শহরে অবস্থিত ফা হাদের বাড়িতে দেখা গেল, ছেলে হারানোর ক ষ্টে মায়ের চোখে বইছে জল। বাবা বরকত উল্লাহ ও ছোট ভাই আবরার ফাইয়াজ শো কে মূহ্যমান হয়ে পড়েছেন। তিন কামরার বাড়ির একটি ঘরে ছিল ফাহাদের দুনিয়া। বর্তমানে সেখানে তাঁর বইপত্র-সহ যাবতীয় জিনিসপত্র স্বযত্নে গু ছিয়ে রাখা হয়েছে। সে গুলি দেখাতে দেখাতে ছোট ভাই ফাইয়াজ জানালেন, ‘দাদা ছুটিতে বাড়ি আসার আগে দুটি শার্ট কিনেছিল।

সে গুলি প্যাকেটবন্দি অবস্থাতেই রয়ে গেল। কোনওদিন আর ওর শরীরে উঠবে না। উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষার পর দাদার মতো আমারও বুয়েটে পড়ার ইচ্ছে ছিল। কিন্তু, আর ওখানে পড়ার কোনও ইচ্ছা নেই।’ ছলছলে চোখ আর কান্না ভেজা কন্ঠে ফাহাদের মা রোকেয়া খাতুন বললেন, ‘আগে ওর সঙ্গে প্রতিদিন ফোনে কথা হত। বারবার আমাকে জিজ্ঞাসা করত, আম্মু কেমন আছো? কিন্তু, আজ একটা মাস হয়ে গেল।

একটা বার জিজ্ঞেস করেনি আম্মু কেমন আছো?’ বাবা বরকত উল্লাহ জানান, গত বুধবার ফাহাদের মামা ছেলেকে নিয়ে বুয়েটে গিয়েছিলেন। বুয়েটের উপাচার্যের কাছে এই মামলায় আইনজীবী নিয়োগের বিষয়ে আবেদন করেন। তাঁদের সঙ্গে কথা বলার পর এই মাম লার যাবতীয় দায়ভার গ্রহণ করতে রাজি হয়েছে সরকার। পলাতক অপ রাধী দের গ্রে প্তার করার পাশাপাশি মা মলা টির দ্রুত বিচার করা হোক। কড়া শাস্তি দেওয়া হোক অভি যুক্ত দের।