ঘূর্ণিঝড় বুলবুল মোকাবেলায় যে যে অঞ্চলে সেনাবাহিনী মোতায়েন করা হল…

ঘূর্ণিঝড় বুলবুল নিয়ে পরিস্থিতি ক্রমাগত খারাপের দিকে যাচ্ছে। খুলনা এলাকার পর এবার চট্টগ্রামে ৯ নম্বর মহাবিপদ সংকেত জারি করা হয়েছে। পাশাপাশি ক্ষতির মাত্রা কমিয়ে আনতে সাতক্ষীরায় সেনাবাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। শনিবার (৯ নভেম্বর) বিকেল সাড়ে চারটায় এ ঘোষণা দেয়া হয়। এর আগে, মংলা-পায়রা বন্দরে ১০ নম্বর মহাবিপদ সংকেত জারি করেছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। ধারণা করা হচ্ছে আজ শনিবার (৯ নভেম্বর) সন্ধ্যার আগে পরে ঝড়টি ১৫০

কিলোমিটার বেগে উপকূলীয় অঞ্চলে আঘাত হানতে পারে। এর আগে, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী ডা. মো. এনামুর রহমান ঘূর্ণিঝড় বুলবুল নিয়ে সংবাদ সম্মেলনে জানিয়েছেন, ঘূর্ণিঝড়ের মুখে বাংলাদেশের অতিঝুঁকিপূর্ণ জেলাগুলো হলো- খুলনা, সাতক্ষীরা, বরগুনা, বাগেরহাট, পটুয়াখালী, পিরোজপুর ও ভোলা।

উল্লেখ্য, উপকূলীয় এলাকার দিকে ধেয়ে আসছে ঘূর্ণিঝড় ‘বুলবুল’। ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে উপকূলীয় এলাকায় মাঝারি ও গুড়ি গুড়ি বৃষ্টিপাত হচ্ছে। উত্তাল রয়েছে সমুদ্র। এরই মধ্যে সমুদ্র থেকে ফেরার পথে পটুয়াখলীর একটি মাছ ধরার ট্রলার ডুবে অন্তত ১৮ জেলে নিখোঁজ হয়েছেন বলে জানা গেছে। তবে তাৎক্ষণিকভাবে নিখোঁজ জেলেদের পরিচয় জানা যায়নি। শুক্রবার (৯ নভেম্বর) বঙ্গোপসাগর থেকে তীরে আসার পথে এই দুর্ঘটনা ঘটে।

নিখোঁজ জেলেদের উদ্ধারে কাজ শুরু হয়েছে। এদিকে আবহাওয়া অধিদপ্তর থেকে জানানো হয়েছে, ঘূর্ণিঝড় ‘বুলবুল’-এর কারণে সাগর উত্তাল হয়ে উঠেছে। ছয় ঘণ্টার ব্যবধানে ঘূর্ণিঝড় কেন্দ্রের সর্বোচ্চ গতিবেগ ঘণ্টায় ১০ কিলোমিটার বৃদ্ধি পেয়েছে। মোংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দরকে ৭ নম্বর বিপদ সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে। এছাড়া চট্টগ্রামে ৬ নম্বর বিপদ সংকেত এবং কক্সবাজারে ৪ নম্বর হুশিয়ারি সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে। এমন অবস্থায় সারাদেশের নৌ চলাচল বন্ধ ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ)। পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত এই নিষেধাজ্ঞা বহাল থাকবে।