#জরুরী_খবরঃ ঘূর্ণিঝড় ‘বুলবুল’: ভোলায় ১৬০১টি আশ্রয় কেন্দ্র প্রস্তুত

ভোলায় ঘূর্ণিঝড় ‘বুলবুল’ ধেয়ে আসার কারণে ৬৬৮ সাইক্লোন সেল্টারসহ স্কুল-কলেজ মিলিয়ে ১৬০১টি আশ্রয় কেন্দ্র প্রস্তুত রাখা হয়েছে। শনিবার দুপুর ১২টার মধ্যে সব নিরাপদ আশ্রয় কেন্দ্রে যাওয়ার পাশাপাশি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ছুটি ঘোষণার নির্দেশ দিয়েছেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মাসুদ আলম ছিদ্দিক তিনি জানান, বিভিন্ন আশ্রয় কেন্দ্রে মানুষ আসতে শুরু করেছে। ৬৬৮ সাইক্লোন সেল্টারসহ স্কুল-কলেজ মিলিয়ে ১৬০১টি আশ্রয় কেন্দ্র প্রস্তুত রাখা হয়েছে।

আশ্রয় নেয়াদের জন্য শুকনো খাবার বিতরণের ব্যবস্থা করা হয়েছে। এদিকে রেডক্রিসেন্ট ও সিপিপি কর্মীরা সবাইকে নিরাপদে আশ্রয় কেন্দ্রে যেতে মাইকিং অব্যাহত রেখেছেন। ইসলামী ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে সব মসজিদের মাইকেও একই প্রচার করা হয়। ১০ নম্বার বিপদ সংকেতের আওতায় রয়েছে ভোলা।

উল্লেখ্য, ঘূর্ণিঝড় ‘বুলবুলে’র প্রভাবে উত্তাল হয়ে উঠেছে সমুদ্র। ফলে মোংলা সমুদ্র বন্দরে ৪ নম্বর সতর্ক সংকেত নামিয়ে ৭ নম্বর বিপদ সংকেত দেখিয়েছে আবহাওয়া অধিদফতর। আবহাওয়া অধিদফতর জানায়, শনিবার (৯ নভেম্বর) সন্ধ্যা নাগাদ পশ্চিমবঙ্গ ও বাংলাদেশের খুলনা জেলার সুন্দরবনের নিকট দিয়ে অতিক্রম করতে পারে ঘূর্ণিঝড় বুলবুল। সমুদ্র বন্দরে আগামীকাল দমকা অথবা ঘূর্ণিঝড় বয়ে যেতে পারে। এসময়ের বাতাসের গতিবেগ ঘণ্টায় ১২০ কিলোমিটার থাকতে পারে।

উল্লেখ্য, ঘূর্ণিঝড় ফনি শুক্রবার বাংলাদেশে আঘাত হানতে পারে বলে আবহাওয়া অধিদফতরের পূর্বাভাসে বলা হয়েছে। বাংলাদেশ অতিক্রম করার সময় এটির গতি হবে ঘণ্টায় ১৫০ থেকে ১৮০ কিলোমিটার। ইতিমধ্যে সমুদ্রবন্দরগুলোতে সাত নম্বর বিপদ সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে। প্রাকৃতিক এ মহাবিপর্যয়ে ইতিমধ্যে দেশব্যাপী আতংক শুরু হয়েছে। ইতিমধ্যে সমুদ্র উপকূলে বসবাসকারীদের নিরাপদ আশ্রয়ে যেতে বলা হয়েছে। প্রাকৃতিক এমন দুর্যোগ-দুর্ঘটনা আল্লাহ তায়ালার ইচ্ছারই বহিঃপ্রকাশ।