২ মাস ধরে যেভাবে নাতনির সর্বনাশ করলো দাদা ।

নিজের নাতনিকে সর্বনা’শ করার অভিযোগ উঠেছে দাদার বিরু’দ্ধে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত দাদাকে আ’টক করেছে পুলিশ। পশ্চিমবঙ্গের সোনাপুরের এই ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। জানা গেছে, ওই নাবালিকাকে দিনের পর দিন লাগাতার সর্বনা’শ করে আসছিলেন দাদা। পাশের গ্রাম গঙ্গা জোয়ারায় সেলাই শিখতে যেত নাতনি। দাদাকে সঙ্গে করে নিয়েই যেতো সে। একদিন যাওয়ার পথে নির্ঝণ যায়গায় নিয়ে গিয়ে তার সর্বনা’শ করে দাদা। এরপর এ ঘটনা কাউকে বলতে নিষেধ করে দাদা।

এরপর টানা দুই মাস এভাবে তাকে যৌ’ন নি’র্যা’তন করেন দাদা। দিনের পর দিন তার ওপর এমন নি’র্যাত’নে মানসিকভাবে ভে’ঙে পড়ে নি’র্যা’তিতা। বুঝতে পেরে মেয়েকে চেপে ধরেন মা। সব কথা খুলে বলে মেয়ে। গোটা ঘটনা গ্রামে জানাজানি হতেই এলাকা ছেড়ে পালায় ওই দাদা। সোনারপুর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করে নি’র্যা’তিতার পরিবার। তারপর অভিযুক্তকে গ্রে’প্তার করে পুলিশ।

নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজারে মসজিদের এক ইমামের পুর’ষাঙ্গ কেটে দিয়েছেন তাঁর ক্ষু’ব্ধ স্ত্রী। আজ সোমবার সকালে আড়াইহাজার উপজেলার নৈকাহন এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। গুরু’তর আহত ওই ইমামকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তাঁর নাম আমজাদ হোসেন। তিনি পর’কীয়ায় আস’ক্ত ছিলেন বলে স্ত্রী সন্দেহ করতেন। সোমবার সকালে স্বামীকে হাত-পা টি’পে দেওয়ার কথা বলে তিনি এ ঘটনা ঘটান। ঘটনার পর স্ত্রী জানান, স্বামীকে পর’কীয়ায় আ’সক্তির স’ন্দেহ থেকেই তিনি এ কাজ করেছেন।

আড়াইহাজার উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা হাবিব ইসমাইল ভূঁইয়া বলেন, আমাদের কাছে আসলে আমরা দ্রুত তাকে ঢাকা প্রেরণ করি। তাঁর পুরুষা’ঙ্গের প্রায় ২ সেন্টিমিটার কা’টা হয়েছে বলেও জানান ওই চিকিৎসা কর্মকর্তা। আড়াইহাজার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নজরুল ইসলাম বলেন, ঘটনার অনেক পরে আমরা অভিযোগ পেয়েছি। ভিকটি’মের বাবা একটি অভি’যোগ থানায় দাখিল করেছেন। ঘটনার পর থেকেই ওই নারী প’লাতক রয়েছেন। তাঁকে খোঁজার জন্য এবং বিষয়টি তদ’ন্ত করে দেখার জন্য এসআই সোহরাব হোসেনের নেতৃত্বে একটি দল এরই মধ্যে কাজ শুরু করেছে।