রাজশাহী পলিটেকনিকের অধ্যক্ষকে পুকুরে ফেলে দেয়ায় মামলা

রাজশাহী পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের অধ্যক্ষ প্রকৌশলী ফরিদ উদ্দিন আহম্মেদকে রাস্তা থেকে তুলে নিয়ে পুকুরে ফেলে দিয়েছেন শাখা ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা। এ ঘটনায় ৭ জনের নাম উল্লেখ করে ৫০ জনের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে। শনিবার (২ নভেম্বর) দুপুরে পলিটেকনিক ক্যাম্পাসে এ ঘটনা ঘটে। অভিযোগ স্বীকার করে পলিটেকনিক শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি মেহেদী হাসান রিমেল বলেন, ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। অধ্যক্ষ প্রকৌশলী ফরিদ উদ্দীন আহম্মেদ অভিযোগ করেন, বিভিন্ন সময় ছাত্রলীগের নেতারা অন্যায় দাবি নিয়ে আসতেন আমার কাছে।

ওইসব দাবি না মানায় তারা আমার ওপর ক্ষুদ্ধ ছিলেন। তিনি আরও বলেন, ইনস্টিটিউটে সপ্তম সেমিস্টারের ফরম পূরণ চলছিল। ক্লাসে উপস্থিতি কম থাকায় দুই ছাত্রের সেমিস্টারের ফরম পূরণ হয়নি। সেই দুই ছাত্রের ফরম পূরণ করানোর জন্য সকালে ছাত্রলীগের নেতারা আমার কাছে এসেছিল। কিন্তু আমি বিভাগীয় প্রধানের কাছে যেতে বলি। এতে তারা আমার ওপর ক্ষুব্ধ হন। দুপুরে নামাজ পড়ে অফিসে যাওয়ার সময় তারা আমাকে রাস্তা থেকে তুলে নিয়ে পুকুরে ফেলে দেন। এরপর তারা পালিয়ে যান। তাদের মধ্যে দুই-তিন জনের মুখ বাঁধা ছিল। এ ব্যাপারে ছাত্রলীগের সভাপতি মেহেদী হাসান রিমেল বলেন,

অধ্যক্ষকে পুকুরের পানিতে ফেলে দেন কয়েকজন শিক্ষার্থী। এ সময় ছাত্রলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক কামাল হোসেন সৌরভ ছিলেন। এ ছাড়া, যদি ছাত্রলীগের আরও কোনও নেতাকর্মী থাকেন, তাদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এই প্রসঙ্গে জানতে চাইলে রাজশাহী নগরীর চন্দ্রিমা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ মো. গোলাম মোস্তফা বলেন, এ ঘটনায় মামলা হয়েছে। জড়িতেদের শীঘ্রই গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনা হবে।