আমেরিকার বিক্ষু’ব্ধ জনতার ভ’য়ে যেখানে পালালেন ট্রাম্প, বেরিয়ে আসলো চাঞ্চল্যকর তথ্য…

হিং’স্র কু’কুর লে’লিয়ে দেওয়ার হু’মকি দিয়েছিলেন মা'র্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। শনিবারের টুইটে তাঁকে বলতে শোনা গিয়েছিল, বি’ক্ষোভ ‘ঠান্ডা’ করতে হোয়াইট হাউসে এমন সব অ’স্ত্র মজুত, যা নাকি অনেকে চোখেই দেখেনি! গত কাল ওয়াশিংটনের কৃ’ষ্ণা''ঙ্গী মেয়র বলেছিলেন, ‘‘হিং’স্র কু’কুর, ভ’য়'ঙ্কর অ’স্ত্র কিছুই ছিল না। হোয়াইট হাউসে সে দিন শুধু এক ভী’তু মানুষ ঘা’পটি মে’রে বসেছিলেন।’’

আজ জানা গেল, কৃ’ষ্ণা''ঙ্গ যু’বক খু’নের ঘ’টনায় শুক্রবার রাতে হোয়াইট হাউসের সামনে বি’ক্ষোভ শুরু 'হতেই ট্রাম্পকে স’রানো হয়েছিল বা'ঙ্কা'রে। মাটির নীচে! নি’ভিয়ে দেওয়া হয়েছিল হোয়াইট হাউসের সব আলো। ঘণ্টাখানেক পরে প্রেসিডেন্ট যখন সিঁড়ি বেয়ে উপরে উঠে আসেন, তত ক্ষণে পু'লিশ ও সিক্রেট সার্ভিস কোনও ক্রমে আট'’কে দিয়েছে বি’ক্ষু'ব্ধ জনতাকে।

ফলে ‘লুকিয়ে পড়বেন না মিস্টার প্রেসিডেন্ট’— সুযোগ পেয়ে আজ এই বলে ক’টাক্ষ করেছে চিন। প্রতিবাদের আ’গু'নও নে’ভেনি। কার্যত করো’নার চেয়েও দ্রুত ছড়াচ্ছে রা’গ! রাস্তায় রাস্তায় ফের স্লোগান ‘ব্ল্যা'ক লাইভস ম্যাটার’, ‘দম আট'’কে আসছে আমা'র!’ মিনিয়াপোলিসের যে-রাস্তায় জর্জ ফ্লয়েডের ঘাড়ের উপর হাঁটু চেপে ধরে মে’রেই ফেলেছিলেন শ্বেতা''ঙ্গ অফিসার ডেরেক শভিন, আজ সেখানে যান আগামী ভোটে ট্রাম্পের সম্ভাব্য ডেমোক্র্যাট প্রতিদ্বন্দ্বী জো বাইডেন।

তার উপর বি’ষফোঁড়ার মতো এই বিক্ষো’ভ। মায়ামি, কানসাস সিটি, সান ফ্রান্সিসকো, নিউ ইয়র্ক, হিউস্টন, ওয়াশিংটনের মতো প্রায় সব বড় শহরে কাল ছিল প্রতিবাদের ষষ্ঠ দিন। রাস্তায় রাস্তায় সেনা, বেশির ভাগ শহরেই কার্ফু। তবু পথে নেমে ভা’ঙচুর, লুটপাট এমনকি পু'লিশের স''ঙ্গেও সং'ঘ’র্ষে জ’ড়াল জনতা।

জবাবে চলল দেদার ধ’রপাকড়, ধা’ক্কাধাক্কি, লা’ঠিচার্জ, ঘো’ড়সওয়ার পু'লিশের লা’থি, চলন্ত পু'লিশ ভ্যান খেকে কাঁদা’নে গ্যা’স, ল’ঙ্কাগু'ঁড়ো। এখনও পর্যন্ত গ্রে'’ফতার প্রায় চার হাজার। মিনিয়াপোলিসে গাড়ি বোঝাই করে প্রতিবাদীদের নিয়ে ব্রিজ পেরোনোর সময় এক ট্রাকচালককেও আট'’ক করেছে পু'লিশ।

‘থার্ড ডিগ্রি’ খু’নের মা'মলায় ধৃত পু'লিশের উ’পযুক্ত শা’স্তি চেয়ে তবু নাছোড় সাদা-কালোর মিছিল। পরিস্থিতির সামাল দিতে অন্তত আট'টি প্রদেশে নেমেছে ‘ন্যাশনাল গার্ড’। শুধু ওয়াশিংটনেই মোতায়েন প্রায় দু’হাজার সেনা। কাল তবু এরই মধ্যে বিক্ষো’ভকারীদের একাংশ চলে আসেন হোয়াইট হাউসের খুব কাছের একটি পার্কে।

ফের এক দফা ভা’ঙচুর চলে। সূত্রের খবর, শুক্রবারের মতোই কালকের এই ঘটনাতেও আত’ঙ্ক ছড়িয়েছে হোয়াইট হাউসের অন্দরে। ট্রাম্পের দাবি, ফ্যা’সিবাদ-বি’রোধী তথা চর’ম বামপন্থী গোষ্ঠী ‘অ্যান্টিফা’ই অশান্তিতে উ’স্কানি দিচ্ছে। সংগঠনটিকে ‘স'ন্ত্রা’সবাদী’ তকমা দিতে পদ'ক্ষেপ করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন ট্রাম্পের অ্যাটর্নি জেনারেল উইলিয়াম বার-ও।