মুসলিম আলেমের কাঁধে হিন্দু ঠাকুর নিশ্চিন্তে ঘুমাতে পারেন, এটাই বাংলাদেশ ।

মুসলিম আলেমের কাঁধে হিন্দু ঠাকুরের নিশ্চিন্তে ঘুম- ভোলায় হিন্দু তরুণের ফে’স’বু’ক আ’ই’ডি হ্যা’ক করে মহানবী (সা.) ও ফাতেমা (রা.) সম্পর্কে ‘অ’ব’মা’ন’না’ক’র’ বক্তব্য ছড়ানোর পর পুলিশের সঙ্গে রোববার (২০ অক্টোবর) ‘জনতা’র সং’ঘ’র্ষে ভোলার বোরহানউদ্দিন উপজেলা সদর র’ণ’ক্ষে’ত্র পরিণত হয়।

স’হিং’স আন্দোলনের মধ্যে দিয়ে দেশব্যাপী যখন গু”জ”ব ছাড়ানোর মাধ্যমে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফে’স’বু’কে সা’ম্প্র’দা’য়ি’ক দা”ঙ্গা ঘটানোর প্রয়াস চলছে ঠিক তখনই ফে’স’বু’কে একটি ছবি ভা”ই”রা”ল হয়েছে। ছবিতে দেখা যায় এক মাওলানার কাঁধে আরেক পুরোহিত নিশ্চিন্তে মাথা রেখে ঘুমিয়ে আছেন।

মঙ্গলবার (২২ অক্টোবর) সিলেট থেকে ছাতক উপজেলার গোবিন্দগঞ্জে যাওয়ার পথে সিএনজি চালিত অটোরিকশায় প্রায় আধা ঘণ্টা সিলেট কাজীর বাজার মাদরাসার মাওলানা রিয়াজ আল মামুনের কাঁধে ঘুমান ওই পুরোহিত।

বিসিবির পরিচালক শফিউল আলম চৌধুরী নাদেল ছবিটি ফেসবুকে পোস্ট করার সঙ্গে সঙ্গেই ভা’ই’রা’ল হয়ে যায়। তিনি তার স্ট্যাটাসে লেখেন অ’সা’ম্প্র’দা’য়ি’ক বাংলাদেশ, একজন হিন্দু ঠাকুর সিলেট থেকে গোবিন্দগঞ্জ যাবার পথে ক্লান্তিতে তার সহযাত্রী একজন মওলানার কাঁধে ঘুমিয়েছিলেন।

একজন হিন্দু ঠাকুর মুসলিম আলেমের কাঁধে নিশ্চিন্তে ঘুমাতে পারেন এই হলো আমাদের বাংলাদেশ। অন্যের আ’ই’ডি হ্যা”ক করে পবিত্র ধর্ম ইসলাম ও প্রিয় নবী হযরত মুহাম্মদ (সা.) কে নিয়ে ক’টু’ক্তি’কা’রী দুই ন’র’প’শু ইমন ও শরীফ ওরফে শাকিলের দৃ’ষ্টা’ন্ত’মূ’ল’ক শাস্তি চাই।

উল্লেখ্য, সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের এক যুবকের হ্যা”ক করা ফেসবুক আইডি থেকে উদ্দেশ্যমূলকভাবে ‘ধর্ম নিয়ে আ’প’ত্তি’ক’র পোস্ট’ দেয়াকে কেন্দ্র করে দিনভর এ সংঘর্ষ হয়। এতে অন্তত দু’জন ছাত্রসহ ৪ জন নি’হ’ত এবং ১০ পুলিশ সদস্যসহ শতাধিক লোক আ’হ’ত হন।

যার ফে’স’বু’ক আইডি থেকে আ’প’ত্তি’ক’র মন্তব্য করা হয়েছে তার নাম বিপ্লব চন্দ্র শুভ। তিনি বোরহানউদ্দিন উপজেলার কাচিয়া ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডের চন্দ্রমোহন বৈদ্দের ছেলে। তার ফে’স’বু’ক আইডি হ্যা”ক করার পর গত শুক্রবার (১৮ অক্টোবর) তিনি থানায় জিডি করতে গেলে ওইদিনই পুলিশ তাকে আ’ট’ক করে।

পরে পুলিশ তদন্ত করে ফোন ট্র্যাকিংয়ের মাধ্যমে আরও দু’জনকে আ’ট’ক করেছে। শুভর ফেসবুক আইডি হ্যা”ক করে আ’প’ত্তি’ক’র মন্তব্য লেখার হু’ম’কি দিয়ে হ্যা’কা’র’রা টাকা দাবি করেছিল বলে পুলিশ জানিয়েছে।

যারা অধিক চাপ নিয়েও দীর্ঘ সময় ধরে কাজ করতে পারেন, তাদের জন্য দুঃখের সংবাদ। গবেষকরা বলছেন, সপ্তাহে ৫২ ঘণ্টার বেশি কাজ করলেই এ সমস্যা প্রকট হয়ে দেখা দেয়। তবে ৪০ ঘণ্টা থেকে কমবেশি কিছু সময় স্বাভাবিক বলে জানিয়েছেন গবেষকরা।

১৩ হাজার পুরুষের ওপর করা গবেষণায় দেখা গেছে, যারা দীর্ঘ সময় ধরে কাজ করেছে, তাদের চুল ঝরে পড়ার হার বেশি। গবেষকরা বলছেন, চাপের ফলে এক ধরনের হ’র’মো’ন নির্গমনের হার বেড়ে যায়। যার প্রভাবে চুল পড়ে যায়।

কেউ যখন মানসিকভাবে হ’তা’শা’য় ভোগে, তখনো চুল ঝরে যাওয়া শুরু হতে পারে বলে জানিয়েছেন গবেষকরা। অনেক গবেষণায় দেখা গেছে, চাপে থাকার কারণে ব্যক্তির ইমিউন সিস্টেম চুলের গোড়ায় আ’ঘা’ত হানে। ফলে চুলের গোড়া ক্ষ’তি’গ্র’স্ত হয়। যার জেরে চুল ঝরে যায়।