এই যাত্রায় পালাতে পারলেন না ভারতীয় ১৪জেলে,বাংলাদেশ নৌবাহিনীর হাতে আ’টক ।

ক্রিকেটারদের ১১ দফা দাবীর প্রেক্ষিতে বিসিবির সভাকক্ষে বোর্ড পরিচালকদের নিয়ে মিটিং করেন বিসিবি সভাপতি নাজমুল হাসাস পাপন। বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের সাথে প্রায় দেড় ঘন্টার সংবাদ সম্মেলন করেন বিসিবি বস। । তিনি বলেন, ওরা চেয়েছে আমি দেই নাই এটা হয়নি। শ্রীলঙ্কা সফর থেকে আসার পরেই সাকিব-তামিম আমাকে বলেছে, ভাই বেতন বাড়ায় দেন। আমি বললাম, তোমাদের বেতন এখন কত? ওরা বললো ৫০ হাজার। আমি পরে বললাম ঠিক আছে চার লাখ করে দিলাম। কী পরিমান সুযোগ-সুবিধা ওদের দিচ্ছি, ২৪ কোটি টাকা শুধু ওদের বোনাস দিয়েছি।

তিনি আরও জানান, ওরা একটা দাবি করেছে গ্রাউন্ডসম্যান-আম্পায়ারদের বেতন বাড়ানোর। আমরা তো কদিন আগেই আম্পায়ারদের বেতন বাড়িয়েছি। তারপরও কী করে ওরা এই দাবি করে? ওরা এমন ভাব দেখিয়েছে যে আমরা কিছুই করছি না। এত কিছু করার পরও…। কি করিনি? ওদের পারিবারিক সমস্যার আমি সমাধান করেছি। কারও খালার সমস্যা, কারও জমি উদ্ধার, কি কাজে আমি যাইনি।

বিদেশ থেকে ফোনের পর ফোন করে তাদের সমস্যা সমাধান করেছি। পুলিশ একে ধরে নিয়ে গেছে, ওকে ধরে নিয়ে গেছে, আমি সমস্যা সমাধান করার চেষ্টা করেছি। সংবাদ সম্মেলনে পাপন বলেন, ‘ দেশের ক্রিকেট ধ্বংস করার জন্য ষড়যন্ত্র চলছে। তানাহলে তারা যে দাবি করেছে তা দিলেই আমরা মেনে নিব। কিন্তু তারা সে কারনেই করেনি। তারা খেলা বন্ধ করে দিছে।

এটি পূর্ব পরিকল্পিত। দেশের ক্রিকেটকে কে ধ্বংস করার জন্য এই পরিকল্পনা চলছে। কারা এই প্ল্যান করেছে খুব শীগ্রই আপনারা জানতে পারবেন।’ তিনি আরো বলেন, টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের(ভারত সিরিজের) আগে ক্যাম্প ও খেলা বয়কট করা পরিকল্পিত। এছাড়াও আন্দোলনে দুই-একজন ছাড়া বাকীরা জেনেশুনে আসেন নি।

এর আগে, জাতীয় লিগের পারিশ্রমিক বাড়ানো, কোয়াবের বর্তমান কমিটির পদত্যাগসহ ১১টি দাবি তুলে ধরেন সাকিব-মুশফিক-নাঈমসহ দেশের সিনিয়র ক্রিকেটাররা। সংবাদ সম্মেলনে ১০ জন ক্রিকেটার ১১টি দাবি তুলে ধরেন।