দুইয়ের বেশি সন্তান নিলে হবে না সরকারি চাকরি

দুইয়ের বেশি সন্তান থাকলে হবেনা সরকারি চাকরি । পাওয়া যাবেনা কোন সরকারি সুযোগ-সুবিধা। এমনকি দুই সন্তানের বেশি সন্তান জন্ম দিলে কেউ নির্বাচনেও দাঁড়াতে পারবেনা। এমন আইন করা হল ভারতের আসাম রাজ্যে। মঙ্গলবার মুখ্যমন্ত্রী সর্বানন্দ সোনোয়ালের মন্ত্রিসভার তরফ থেকে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ২০২১ সালের ১ জানুয়ারি থেকে এই আইন কার্যকর করা হবে। আগেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। তবে তা বাস্তবায়ন করা হয়নি। তবে এবার ২০২১ সালের ১ জানুয়ারি থেকেই তা কার্যকর হবে বলে জানানো হয়েছে।

২০১৭ সালে জনসংখ্যা নিয়ে একটি খসড়া তৈরি করা হয়। সে সময়ই এ বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করা হয়। আসামের শিল্পমন্ত্রী মোহন পাটওয়ারি জানান, জনসংখ্যা কমাতেই এই পদক্ষেপ নেয়া হচ্ছে। তবে, ইতোমধ্যেই এ বিষয়টি নিয়ে সমালোচনা শুরু হয়েছে বিভিন্ন মহলে। আরো পড়ুন… ফরিদপুরের মুহাম্মদ আবু তালহা। পুরো কুরআনুল কারিম মুখস্থ করার বিরল কৃতিত্ব অর্জন করেন। ঢাকার মারকাজুল কুরআন মাদরাসার ছাত্র তালহা ৬/৭ বছরের শিশু। রাজধানী ঢাকার বারিধারা নতুন বাজারের এ হিফজ মাদ্রাসা থেকেই পবিত্র কুরআনুল কারিম মুখস্থ করে।

হাফেজ মুহাম্মদ আবু তালহা প্রথম দিকে উস্তাদকে ৫ পৃষ্ঠা সবক শোনাত। ধীরে ধীরে সবক বাড়তে থাকে। শেষ দিকে এসে প্রতিদিন ১ পারা পর্যন্ত সবক দিয়েছে এ শিশু। সর্বোপরি মহান আল্লাহর অশেষ মেহেরবানীতে মাত্র ১০৫ দিন অর্থাৎ তিন মাস ১৫ দিনে সে পুরো কুরআন মুখস্থ করতে সক্ষম হয়।

ফরিদপুর জেলার নগরকান্দা থানার গোড়াইল গ্রামের হাবিবুর রহমান ও হুসনে আরা বেগমের তিন সন্তানের মধ্যে বড় আবু তালহা। বাড়ি ও বাবা-মায়ের মায়া ত্যাগ করে রাজধানীর এ প্রতিষ্ঠানে থেকে অল্প সময়ে পুরো কুরআনুল কারিম মুখস্থ করার অনন্য কৃতিত্ব অর্জন করে।

যে কোনো শিশু কিংবা বড় মানুষের জন্যই প্রতিদিন ৫ পৃষ্ঠা থেকে ১ পারা কুরআন মুখস্থ অনেক কষ্টসাধ্য কাজ। কোনো শিশুর তা অর্জন মানেই এটা মহান প্রভু এক নিদর্শন। শিশু হাফেজ আবু তালহা প্রতিটি পরিবারের জন্য অনুপ্রেরণা। এ বয়সে অক্লান্ত পরিশ্রম ও প্রচণ্ড চেষ্টায় গত ৩১ জুলাই পবিত্র কুরআনুল কারিম খতম সম্পন্ন করেছে। আল্লাহ তাআলা এ শিশু হাফেজকে কুরআনুল কারিমের খাদেম হিসেবে কবুল করুন। আমিন।