ধর্মের ওপর গবেষণা করার পর ইসলাম গ্রহণ করলেন তিন মার্কিন অধ্যাপক

আমেরিকান ইউনিভার্সিটি অব নাইজেরিয়ার (এইউএন) তিন মার্কিন অধ্যাপক ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেছেন। তারা হলেন, অবসরপ্রাপ্ত আমেরিকান মেরিন অফিসার এবং এইউএন বিশ্ববিদ্যালয়ের নিরাপত্তা প্রধান লিয়নেল রলিনস, এইউএন ইউনিভার্সিটির প্রিন্টিং প্রেসের ডিরেক্টর এবং পরভিস বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনিয়র লেকচারার গ্যাব্রিয়েল ফস্টার এবং ট্রিসন পরভিস।

নাইজেরিয়ার আদামাওয়ার প্রদেশের রাজধানী ইয়োলাতে বিশ্ববিদ্যালয়টি অবস্থিত। ইসলাম গ্রহণকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ইমাম উস্তাজ দাউদা বেলো তাদের সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন। এ সময় স্থানীয় মুসলিম সম্প্রদায়ের লোকজন নতুন এই তিন মুসলিমকে স্বাগত জানান এবং একসঙ্গে নামাজ আদায় করেন।

ইসলাম গ্রহণকারী ওই তিনজন বলেন, ধর্মের ওপর ভালভাবে গবেষণা করার পর ইসলামে ধর্মান্তরিত হওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। ইসলামই জীবনের সেরা পথ বলে আমরা বিশ্বাস করি।

আরো পড়ুন… আল্লাহর একান্ত মেহেরবানীতে হৃদয় দিয়ে আপ্রাণ প্রচেষ্টার পর মানুষ পবিত্র কুরআন মুখস্ত করতে সক্ষম হয়। বিশ্বে এমন অনেক নজির আছে যারা চেষ্টা করেও কুরআন মুখস্ত করতে পারে না। কিন্তু মানসিক প্রতিবন্ধি মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ আল-কারনি এর ব্যতিক্রম। তিনি পুরো পবিত্র কুরআন মুখস্ত করেছেন।

৩১ বছর বয়সের যুবক আল-কারনি মানসিক প্রতিবন্ধি। মানসিকভাবে অক্ষম ব্যক্তি। অসুস্থ হওয়া সত্ত্বেও পুরো কুরআন মুখস্ত করে সারা বিশ্বকে তাক লাগিয়ে দিয়েছেন তিনি। চিকিৎসা বিজ্ঞানের মাধ্যমে তার পরিবার জানতে পারে যে, মোহাম্মাদ আব্দুল্লাহ আল-কারনি লিখতে ও পড়তে পারবে না।

এ কারণে তাকে স্কুলেই ভর্তি করানো হয়নি। হাসপাতলেই কেটেছে তার জীবনের অধিকাংশ সময় কেটেছে।কোনো মাদ্রাসায় ভর্তি না হয়েই প্রাতিষ্ঠানিক পড়ালেখার ক্ষমতা ছাড়াই হৃদয় দিয়ে পুরো মুখস্ত করে সারা বিশ্বকে তাক লাগিয়ে দিয়েছে।

সৌদি বংশোদ্ভূত মোহাম্মাদ আব্দুল্লাহ আল-কারনি শুধু মানসিক অসুস্থই নয়, বরং তার শারীরিক অঙ্গপ্রত্যঙ্গেও রয়েছে অসঙ্গতি। তার ভাই মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ জানান, ‘কারনি শারীরিক সমস্যা নিয়ে এভাবেই জন্ম গ্রহণ করে। জন্মের পর তার একটি মুত্রনালী নষ্ট হয়ে গেছে।

একটি মাত্র পেলভিস নিয়ে সে বেঁচে আছে। এখনও সে রিয়াদের কিং ফাহাদ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রয়েছে। মানসিক অসুস্থ মোহাম্মাদ আব্দুল্লাহ আল-কারনি যেমন প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা ছাড়াই পবিত্র কুরআন মুখস্ত করতে সক্ষম। তাই মানসিক অসুস্থ সব সন্তানকে কুরআনের শিক্ষা দেয়ার চেষ্টা করা যেতে পারে। আল্লাহ তাআলা কুরআনের প্রভাবে মানসিক ও শারীরিক অসুস্থ ব্যক্তিকে সুস্থও করে দিতে পারেন।