ভাড়া বাসা থেকে নারীসহ পু’লিশের এএসপি আ’টক

রংপুর কোতোয়ালি থা*না পু’লিশ নারীসহ কামরুল হাসান নামের এক পু’লিশ কর্মকর্তাকে আ’টক করেছে। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় নগরীর ২৭ নম্বর ওয়ার্ডের বনানীপাড়া ভাড়া বাসা থেকে তাদের আ’টক করা হয়। কামরুল হাসান চট্টগ্রাম জেলা পু’লিশের এএসপি পদে কর্মরত।

মহিলা পরিষদ রংপুরের সম্পাদিকা রোমানা জামান জানান, রোকসানা পারভীন স্মৃতি নামে এক নারীকে নীলফামারী জেলার কিশোরগঞ্জের বাসিন্দা ও চট্টগ্রাম জেলা পু’লিশের এএসপি কামরুল হাসান দীর্ঘদিন ধরে বিয়ের প্রলোভন দিয়ে আসছে। কিন্তু বিয়ে করছে না। মঙ্গলবার স্মৃতির সঙ্গে দেখা করতে আসলে এলাকাবাসীর সহযোগিতায় পু’লিশের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা কামরুল হাসানকে আ’টক করে।

পরে রংপুর কোতোয়ালি থা’নার ওসি আব্দুর রশিদ উভয়কে রংপুর কোতোয়ালি থানায় নিয়ে আসেন।রোকসানা পারভিন স্মৃতি জানান, পু’লিশের ঊর্ধ্বতন কর্মক’র্তাদের সিদ্ধা’ন্ত মোতাবেক ৫১ লাখ এক হাজার ৫৩ টাকা দেনমোহর নির্ধারণ করে বিয়ের প্রস্তুতি চলছে।

এ দেনমোহরের এক টাকা কম হলে আমি তার বিরুদ্ধে মা’মলা করবো।রংপুর কোতোয়ালি থানা পু’লিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুর রশিদ জানান, বিষয়টি একটু জটিল, তাই ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সিদ্ধান্ত ছাড়া কিছুই বলতে পারছি না।মঙ্গলবার রাত দুইটার দিকে এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত রংপুর কোতোয়ালি থা’নায় আ’টককৃতদের বিয়ে নিয়ে উভয়ের স্বজনদের মধ্যে আলোচনা চলছিল।

আরো পড়ুন… জামালপুরের সাবেক জেলা প্রশাসক (ডিসি) আহমেদ কবীরের সঙ্গে আপ;ত্তিকর ভিডিও ভাই’রাল হওয়া অফিস সহায়ক সানজিদা ইয়াসমিন সাধনাকে সাময়িক বর’খাস্ত করা হয়েছে। বুধবার বিকেলে সাধনাকে সাময়িক বরখা;স্তের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জামালপুরের জেলা প্রশাসক (ডিসি) মোহাম্মদ এনামুল হক।

ডিসি এনামুল হক বলেন, অফিস সহায়ক সানজিদা ইয়াসমিন সাধনাকে সরকারি কর্মচারী শৃঙ্খ’লা বিধি মালা ২০১৮-এর ৪/৩(ঘ) ধারা মোতাবেক সাময়িক বহি;ষ্কার করা হয়েছে। সেই সঙ্গে তার বিরু;দ্ধে একটি বিভাগীয় মা;মলা করা হয়েছে। গত ২২ আগস্ট সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে জামালপুরের ডিসি আহমেদ কবীরের সঙ্গে তার অফিস সহায়কের আপ’ত্তিকর ভিডিও ছড়িয়ে পড়ে।

পরে নারী অফিস সহায়কের সঙ্গে ডিসির আ’ ত্তিকর ভিডিওটি ভাই’রাল হয়ে যায়। এ ঘটনায় জামালপুরসহ সারাদেশে নিন্দার ঝড় ওঠে। এর পরিপ্রেক্ষিতে প্রাথমিক তদন্তের ভিত্তিতে গত ২৫ আগস্ট আহমেদ কবীরকে ওএসডি (বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা) করে আদেশ জারি করে জনপ্রশাসন মন্ত্রণা লয়।

ওই দিনই মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের যুগ্মসচিব (জেলা ও মাঠ প্রশাসন অধিশাখা) মুশফিকুর রহমানকে আহ্বায়ক করে পাঁচ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। পরবর্তীতে তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনের প্রেক্ষিতে সাবেক ডিসি আহমেদ কবীরকে সাময়িক বর খাস্ত করা হয়।