ইমরুলের ছেলে, মিরাজের খালা, মুশফিকের বাবার সম;স্যাও আমাকে দেখতে হয় : পাপন

দেশের ক্রিকেটে অচ;লাব;স্থা সৃষ্টি হওয়ায় আজ দুপুরে জরুরি সভায় বসেছিল বিসিবির পরিচালনা পর্ষদ। সেই সভা শেষে এক ঘণ্টার সংবাদ সম্মেলন করেন বিসিবি সভাপতি নাজমুল হাসান। সংবাদ সম্মেলনে তিনি দাবি করেন, খেলোয়াড়দের নানা সুযোগ-সুবিধা তো দিচ্ছেনই, ব্যক্তিগত-পারিবারিক সমস্যারও তারা সমাধান করেন।

উদাহরণ দিতে প্রথমে ইমরুল কায়েসকে টানলেন নাজমুল হাসান, কদিন আগে ইমরুলের শিশুপুত্র মারা;ত্মক অসুস্থ হয়ে পড়ে। দেশে প্রত্যাশামতো চিকিৎসা হচ্ছিল না বলে বাঁহাতি ওপেনারকে ছুটতে হয় সিঙ্গাপুরে। সিঙ্গাপুরের মাউন্ট এলিজাবেথ হাসপাতালে চিকিৎসার সুযোগ করে দিতে কী ধরনের সহায়তা করেছেন, সেটি জানালেন নাজমুল, ‘অনেকে ব্যক্তিগত সমস্যা আমার কাছে শেয়ার করে।

আমি চেষ্টা করি তাদের সহায়তা করতে। (কদিন আগে) ইমরুলের বাচ্চা খুব অসুস্থ। অ্যাপোলো কিছু করতে পারছে না। সিঙ্গাপুরে নিতেই হবে। আমাকে বলল, আমার ভিসা নেই। কালকের মধ্যে ভিসা করে দিতে হবে। বললাম, টিকিট করে ফেল। এক দিনের মধ্যে (পরিবারের) সবার ভিসা করলাম। রাতে একটা অনুষ্ঠানের মধ্যে আবার ফোন করল।

বলল, বাচ্চার এত খারাপ অবস্থা, ভিআইপি ব্যবহার করতে পারলে ভালো হয়। আমি ভিআইপি ব্যবস্থা করলাম।’ ক্রিকেটারদের পারিবারিক সমস্যা কীভাবে সমাধান করেন, সেটিও বিস্তারিত জানালেন নাজমুল, ‘কার ভাইকে এসপি-ডিসি মেরেছে, রাতে সেই এসপিকে ফোন দিয়ে ব্যবস্থা নিতে হয়েছে।

এক খেলোয়াড়কে পুলিশ ধরে নিয়ে যাচ্ছে। বলছে, মেরে ফেলবে! বিদেশ থেকে এসব থামাতে হয়। কার মামার জমি দখল করে নিয়ে গেছে উত্তরায়, সেটি উদ্ধার করতে হয়েছে। মুশফিকের বাবা, মিরাজের খালা…কোন গ্রামে কাকে মেরেছে, সেটার সমাধান আমাকে করতে হয় বিদেশ থেকে। এগুলো (দাবিদাওয়া) আমার কাছে ধাক্কা।’

‘মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ওদের বাচ্চাদের কোলে নিয়ে হাঁটে’—এমনটাও জানালেন বিসিবি সভাপতি। ক্রিকেটারদের এই দাবিদাওয়ার পর যে সমালোচনায় পড়েছে বিসিবি, তাতে ভীষণ বিরক্ত নাজমুল, ‘সংবাদমাধ্যমে কিংবা বিভিন্ন জায়গায় দেখে মনে হচ্ছে, ওদের আমরা শেষ করে দিয়েছি!’

আরো পড়ুন… কিছুদিন আগে পুত্রসন্তানের বাবা হয়েছেন ক্রিকেটার তাইজুল ইসলাম। প্রথম সন্তানের বাবা হওয়ার আনন্দের আত্মহারা জাতীয় দলের এই তারকা ক্রিকেটার। বাবা হিসেবে দায়িত্ব আরও বেড়ে গেলে জাতীয় দলের এই টেস্ট স্পেশালিস্ট বোলারের। একান্ত সাক্ষাৎকারে নাটোরের এ ক্রিকেটার বলেন, ছেলেকে ক্রিকেটার হিসেবে গড়ে তোলার আগে কুরআনের হাফেজ বানাতে চাই।

তাইজুল বলেন, এখন ওইভাবে চিন্তা করিনি। ক্রিকেটার পরের ব্যাপার। আমি চাইছি যে হয়তোবা হাফেজ যদি করা যায়, আল্লাহ যদি রহম করেন। কুরআনের হাফেজ করার ইচ্ছা আছে আরকি। এটা আমার ইচ্ছা আরকি।