ডিসির সঙ্গে আপ;ত্তিকর ভিডিও ভাই’রাল হওয়া সাধনা বর;খাস্ত

জামালপুরের সাবেক জেলা প্রশাসক (ডিসি) আহমেদ কবীরের সঙ্গে আপ;ত্তিকর ভিডিও ভাই’রাল হওয়া অফিস সহায়ক সানজিদা ইয়াসমিন সাধনাকে সাময়িক বর’খাস্ত করা হয়েছে। বুধবার বিকেলে সাধনাকে সাময়িক বরখা;স্তের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জামালপুরের জেলা প্রশাসক (ডিসি) মোহাম্মদ এনামুল হক।

ডিসি এনামুল হক বলেন, অফিস সহায়ক সানজিদা ইয়াসমিন সাধনাকে সরকারি কর্মচারী শৃঙ্খ’লা বিধি মালা ২০১৮-এর ৪/৩(ঘ) ধারা মোতাবেক সাময়িক বহি;ষ্কার করা হয়েছে। সেই সঙ্গে তার বিরু;দ্ধে একটি বিভাগীয় মা;মলা করা হয়েছে। গত ২২ আগস্ট সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে জামালপুরের ডিসি আহমেদ কবীরের সঙ্গে তার অফিস সহায়কের আপ’ত্তিকর ভিডিও ছড়িয়ে পড়ে।

পরে নারী অফিস সহায়কের সঙ্গে ডিসির আ’ ত্তিকর ভিডিওটি ভাই’রাল হয়ে যায়। এ ঘটনায় জামালপুরসহ সারাদেশে নিন্দার ঝড় ওঠে। এর পরিপ্রেক্ষিতে প্রাথমিক তদন্তের ভিত্তিতে গত ২৫ আগস্ট আহমেদ কবীরকে ওএসডি (বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা) করে আদেশ জারি করে জনপ্রশাসন মন্ত্রণা লয়।

ওই দিনই মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের যুগ্মসচিব (জেলা ও মাঠ প্রশাসন অধিশাখা) মুশফিকুর রহমানকে আহ্বায়ক করে পাঁচ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। পরবর্তীতে তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনের প্রেক্ষিতে সাবেক ডিসি আহমেদ কবীরকে সাময়িক বর খাস্ত করা হয়।

আরো পড়ুন… এক তরুণীর সঙ্গে তোলা অসামাজিক ছবি ভাইরাল হওয়ায় বিপাকে পড়েছেন নাটোরের সিংড়া উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান ও উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক কামরুল হাসান কামরান। আওয়ামী লীগের চলমান শুদ্ধি অভিযানের মধ্যেই বেড়িয়ে এলো এই যুবলীগ নেতার চারিত্রিক স্খলনের অনেক অজানা তথ্য৷

ডিবিসি নিউজের প্রতিবেদক এ. এস. এম রেজওয়ানুছের করা একটি প্রতিবেদনে বলা হয়, আজ মঙ্গলবার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেইসবুকে এক তরুণীর সঙ্গে কামরানের অন্তরঙ্গ ছবি ভাইরাল হওয়ায় সিংড়ায় ব্যাপক আলোচনা আর সমালোচনার ঝড় বইছে।

প্রেমের ফাঁদে ফেলে একই উপজেলার ছাতারদীঘি ইউনিয়নের প্রান্ত ইসলাম এবং মিফতাহুল জান্নাত মিষ্টি নামের এক দম্পতির সংসার ভাঙার অভিযোগও উঠেছে তার বিরুদ্ধে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রান্ত ইসলামের সহধর্মিণী মিফতাহুল জান্নাত মিষ্টি পেশায় একজন বিউটিশিয়ান। প্রান্ত ইসলাম একটি টেলকো কোম্পানিতে কর্মরত৷

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ভুক্তভোগী প্রান্ত ইসলামের এক ঘনিষ্ঠজন বলেন, “বিভিন্ন প্রলোভোনের মাধ্যমে উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক কামরান, প্রান্ত ইসলামের স্ত্রী মিষ্টির সঙ্গে গভীর প্রেমের সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন। সম্পর্কের শুরুর দিকে প্রান্ত ইসলাম তার স্ত্রীকে সতর্ক করলেও কোনো লাভ হয়নি৷ এক পর্যায়ে এই অবৈধ সম্পর্ক টিকিয়ে রাখতে তাদের একমাত্র ৭ বছরের কন্যা সন্তানকে ফেলে কামরান এর আশায় ঘর ছাড়েন মিষ্টি।”

ঘনিষ্ঠ সূত্রে জানা যায় ইতোমধ্যে গোপনে বিয়ে করেছেন কামরান এবং মিষ্টি৷ যদিও, বর্তমানে উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান, এবং যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক কামরান এখনও পর্যন্ত মিষ্টিকে সামাজিকভাবে স্ত্রী হিসেবে স্বীকৃতি দেননি।

স্থানীয় যুবলীগ নেতাকর্মীদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, মিষ্টির মত আরও অনেক বিবাহিত ও অবিবাহিত নারীর সঙ্গে কামরানের অবৈধ সম্পর্ক রয়েছে। জাতীয় পার্টির নেতা এবং সাবেক সাংসদ ইয়াকুব আলীর ঘনিষ্ঠ আত্মীয় উপজেলার বেলোয়া গ্রামের সিদ্দিকুর রহমানের মেয়ে সেজুতির সঙ্গেও কামরানের দীর্ঘদিনের প্রেমের সম্পর্কের কথা এলাকাবাসীর সবারই জানা৷ কিন্তু, সরকার দলীয় সংগঠন যুবলীগের উপজেলা সেক্রেটারি হওয়ার কারণে কামরানের বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে মুখ খুলতে ভয় পান এলাকার মানুষ।

মিষ্টি এবং সেজুতির মত আরও অনেক তরুণীকে প্রেমের ফাঁদে ফেলে তাদেরকে বিভিন্নভাবে ক্ষতি করার অভিযোগ কামরানের বিরুদ্ধে৷ নারী আসক্তির বাইরেও গোপনে অবৈধ অ’স্ত্র এবং মা’দক ব্যবসায়ীদের মদদ দেয়ার অভিযোগ রয়েছে কামরানের বিরুদ্ধে।