দেবহাটায় এক নারীর ৪ সন্তান প্রসব

সাতক্ষীরার দেবহাটায় এক নারী ৪ সন্তান প্রসব করেছেন। এরমধ্যে ৩টি ছেলে ও ১টি মেয়ে সন্তান। ওই নারীর স্বামী শরীফুল ইসলাম জানান, সোমবার তার স্ত্রী রুনা পারভীনের প্রসব বেদনা ওঠে। পরিবারের পক্ষ থেকে প্রথমে তাকে সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে নিলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়ার পরামর্শ দেন।

পরে সেখানে নিয়ে গেলে কিছু সময় তার চিকিৎসার পর অবস্থার অবনতি দেখে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে ঢাকা মেডিকেলে নেয়ার পরামর্শ দেন। গরীব পরিবার হওয়ায় রুনা পারভিনকে তার পরিবারের সদস্যরা পুনরায় তাকে সাতক্ষীরা নিয়ে এসে সাতক্ষীরার একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করে।

ওই হাসপাতালে কর্তব্যরত চিকিৎসকদের সফল অস্ত্রোচারের এক পর্যায়ে রাত ২টার দিকে রুনার গর্ভ হতে ৩ ছেলে ও ১ মেয়ে সন্তানের জন্ম হয়। তবে ৪ সন্তানসহ তাদের মা এখনও পুরোপুরি সুস্থ নয় বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা।

আরো পড়ুন… পঞ্চগড় জেলা শহরের কামাতপাড়া এলাকায় পথে পাওয়া সাজানো নবজাতক কন্যা শিশুটির মা রিমু আক্তারকে খুঁজে পাওয়া গেছে। মিলেছে শিশুটির পুরো পরিচয়। শিশুটির নাম রাখা হয়েছে মোনালিসা। কামাতপাড়া এলাকার অন্ধকার গলিতে বৃহস্পতিবার (১৭ অক্টোবর) ফেলে যাওয়া শিশুকে মা রিমু আক্তার আবার কোলে তুলে নিয়েছেন। সোমবার (২১ অক্টোবর) সন্ধ্যায় পঞ্চগড় আধুনিক সদর হাসপাতালের বিশেষ শিশু পরিচর্যা কেন্দ্রে এ ঘটনা ঘটে।

আপনার শিশুকে তো অনেকে দত্তক নিতে চায় এমন প্রশ্নের জবাবে রিমু আক্তার বলেছেন, এখন আমার মেয়েকে অন্যের হাতে দিব না। বাচ্চাটিকে ফেলে আমি ট্রেনে করে পার্বতীপুর গিয়েছিলাম। পঞ্চগড় সদর থানার উপ পরিদর্শক জামাল হোসেন (ওসি তদন্ত) জানিয়েছেন, ঠাকুরগাঁও রেল ষ্টেশনে রিমু আক্তার গত শুক্রবার রাত সাড়ে সাতটার দিকে কাঁদছিলেন। সে সময় ঠাকুরগাঁও হতে আটোয়ারী উদ্দেশ্যে ট্রেনে আসা যাত্রী আব্দুল খালেক ও তার স্ত্রী আলেমা রিমু আক্তারকে সাথে নিয়ে মালিগাঁও গ্রামে নিয়ে আসে। পরে আব্দুল খালেক স্থানীয় ইউপি সদস্যের মাধ্যমে আটোয়ারী থানা পুলিশকে জানায়।

এরপর আটোয়ারী থানা পুলিশ এবং রিমু আক্তার এর পরিবারের তৎপরতায় আজ সোমবার পঞ্চগড় পুলিশ সুপার কার্যালয়ে হাজির করা হয় ঐ রিমু আক্তারকে। পঞ্চগড় জেলা প্রশাসক সাবিনা ইয়াসমিন বলেন, ওই শিশুটির মাকে পাওয়া গেছে। বর্তমান স্বামীর সাথে টানাপোড়েনের জেরে ওই নারী শিশুটিকে রেখে যাওয়ার কঠিন সিদ্ধান্ত নেন বলে আমরা জেনেছি। টেলিভিশন ও পত্র পত্রিকায় জেলা প্রশাসক তার সন্তানকে কোলে তুলে নিয়েছে জেনে ওই নারীর বুকে মাতৃত্ব জেগে উঠেছে।

সে এখন তার সন্তানকে ফিরে পেতে চায়। সে এখন তার সন্তানকে হাসপাতালে কয়েকদিন দেখাশুনা করবে। সেখানে বোঝা যাবে সে শিশুটি লালন পালনে যোগ্য কিনা। তারপর পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।