ফের কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো!

কানাডার সাধারণ নির্বাচনে জিতে দ্বিতীয় দফায় ক্ষমতায় বসতে যাচ্ছে প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডোর নেতৃত্বাধীন লিবারেল পার্টি। সোমবার (২১ অক্টোবর) নতুন শাসকদল নির্বাচিত করতে লাখ লাখ কানাডীয় তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন।

ভোটে জয়লাভ করেছে লিবারেল পার্টি। মঙ্গলবার (২২ অক্টোবর) কানাডার জাতীয় প্রচারমাধ্যম সিবিসি নিউজের বরাতে এ খবর জানিয়েছে বিবিসি। এই নির্বাচনে লিবারেল পার্টির নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বি ছিল অ্যান্ড্রু শিয়ারের নেতৃত্বাধীন কনজারভেটিভ পার্টি। এছাড়াও জগমিত সিংয়ের নিউ ডেমোক্রেটিক পার্টি, এলিজাবেথ মের গ্রিন পার্টি এবং কুইবেক প্রদেশের স্থানীয় ব্লক কুইবেকোইসও ভোটের লড়াইয়ে সমান তালে অংশ নিয়েছে।

কিন্তু চূড়ান্ত বিজয় হয়েছে লিবারেল পার্টির। উল্লেখ করা যায় যে, এই নির্বাচনে রেকর্ড সংখ্যক নারী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন। এদিকে, লিবারেল পার্টির বিজয়ের সংবাদ ছড়িয়ে পড়লে মন্ট্রিয়েলের রাস্তায় নেমে আসেন জাস্টিন ট্রুডো সমর্থকরা। তারা আনন্দ উল্লাস আর বিজয় মিছিল করে লিবারেল পার্টির এই বিজয় উদযাপন করেন।

১০টি প্রদেশ নিয়ে গঠিত কানাডা আয়তনের দিক থেকে বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম দেশ। প্রায় চার কোটি মানুষের দেশটিতে এবারের নির্বাচনে অংশ মোট ছয়টি রাজনৈতিক দল অংশ নিয়েছে। দলগুলো হচ্ছে লিবারেল, কনজারভেটিভ, নিউ ডেমোক্র্যাটিক, ব্লক কুবেকুয়া, গ্রিন ও পিপলস পার্টি অব কানাডা।

প্রয়াত প্রধানমন্ত্রী এবং লিবারেল পার্টির সাবেক নেতা পিয়েরে ট্যুডোর সন্তান জাস্টিন ট্রুডো। বাবার দেখানো পথেই এগিয়ে যাচ্ছেন তিনি। ২০১৫ সালে ট্রুডো প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণের সময় তার মন্ত্রিসভায় নারী-পুরুষের সমান অংশগ্রহণের কারণে বিশ্বের সংবাদমাধ্যমে শিরোনাম হয়েছিলেন, যা তার দলের প্রধান গুরুত্বপূর্ণ লক্ষ্য বলে তিনি প্রমাণ করতে চেয়েছিলেন।

আরো পড়ুন… চীনের পূর্ব তুর্কমেনিস্তান এর জিনজিয়াং প্রদেশের উইঘুর মুসলমানদের ওপর নি’র্যাতন বন্ধ না করা পর্যন্ত চীনা কর্মকর্তাদের ভিসা বন্ধ করার ঘোষণা দিয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। গত মঙ্গলবার (৮ অক্টোবর) মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাইক পম্পেও এক টুইটবার্তায় এ ঘোষণা দেন।

মি. পম্পেও টুইটে বলেন, জিনজিয়াং থেকে মুসলিম ও তাদের সংস্কৃতি মুছে দিতে চীন জোরপূর্বক দশ লাখ মুসলিম নাগরিককে নিষ্ঠুরভাবে কনসেন্ট্রেশন ক্যাম্পে অবরুদ্ধ করে রেখেছে। চীনকে অবশ্যই তাদের দমননীতি ও নজরদারির অতিসত্তর বন্ধ করতে হবে। একইসঙ্গে চীনের মুসলিমদের মুক্তি দিতে হবে ও তাদের বিদেশ ভ্রমণের ওপর নিষেধাজ্ঞা উঠিয়ে দিতে হবে।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প চীনের ২৮টি নজরদারি প্রতিষ্ঠানের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপের পরদিনই চীনা কর্মকর্তার ভিসা বন্ধের এমন ঘোষণা দিলেন পম্পেও। এর ফলে দীর্ঘদিন ধরে মার্কিন-চীন বাণিজ্যিক যুদ্ধ নতুন মাত্রা লাভ করতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

আরেক বিবৃতিতে পম্পেও আরোও বলেন, চীনের সব সরকারি কর্মকর্তা ও ক্ষমতাসীন কমিউনিস্ট দলের কর্মকর্তা যারা উইঘুর মুসলমানদের দমন-নিপীড়নের সঙ্গে জ’ড়িত তাদের ভিসা বন্ধ করার সি’দ্ধান্ত নিয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। এছাড়াও জিনজিয়াং প্রদেশের কাজাখ ও অন্যান্য সংখ্যালঘু মুসলিমদের ওপর অ’ত্যাচারে জ’ড়িত ব্যক্তিদেরও ভিসা দেয়া হবে না।