পুলিশ-জনতা সং’ঘর্ষে নি’হত ৪, আহত শতাধিক ।

আল্লাহ ও রাসুলকে (স.) নিয়ে ক’টূক্তির প্র’তিবাদে ভোলার বোরহানুদ্দিনে সাধারণ মু’সুল্লিদের ডাকা বি’ক্ষোভ কর্মসূচিতে ব্যাপক সং’ঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে গনি নামের এক কিশোরসহ ৪ জনের মৃ’ত্যু হয়েছে।এছাড়া পুলিশসহ শতাধিক আহত হয়েছে বলে জানা গেছে। রোববার (২০ অক্টোবর) সকাল থেকে শুরু হওয়া সমাবেশে হঠাৎ পুলিশের সঙ্গে সাধারণ জনতার সং’ঘর্ষ শুরু হয়।

আহত পুলিশকে হাসপাতালে নিলেও সাধারণ মানুষ বিভিন্ন ঘরে আ’টকা পড়েছেন। এই বি’ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে গ্রামেগঞ্জেও। গু’রুতর গু’লিবিদ্ধ ৮ জনকে ভোলা সদর হাসপাতালে আনা হয়েছে।স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, হিন্দু ধ’র্মাবলম্বী বি’প্লব চন্দ্রের ফেসবুক আইডি থেকে তার বন্ধু তালিকার বেশ কয়েকজনের কাছে আল্লাহ এবং রাসুল (সঃ) কে নিয়ে কু’রুচিপূর্ণ ভাষায় গা’লির ম্যাসেজ আসে।

বিপ্লব চন্দ্র শুভ বোরহানউদ্দিন উপজেলার কাচিয়া ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডের চন্দ্র মোহন বৈদ্দের ছেলে। তার আইডি থেকে এই ধরনের ম্যাসেজ আসাকে কেন্দ্র করে সাধারণ মু’সুল্লিদের ব্যানারে রোববার সকাল ১০টায় বি’ক্ষোভের ডাক দেওয়া হয়।সকাল থেকে বোরহানউদ্দিন উপজেলার গ্রামগঞ্জ থেকে মুসুল্লিরা শহর অভিমুখে আসতে থাকে। এতে ভোলার পুলিশ সুপার পরিস্থিতি নি’য়ন্ত্রণের জন্য পুলিশ মোতায়েন করেন। পুলিশ সভা সংক্ষিপ্ত করার জন্য নি’র্দেশ দেয়ার পর পরেই সং’ঘর্ষের শুরু হয়।

প্রথমে এক পুলিশ সদস্য গু’লিবিদ্ধ হওয়ার পর পুলিশ আ’ত্মর’ক্ষার্থে গু’লি ছুঁ’ড়লে পুলিশের গু’লিতে পথচারিসহ বি’ক্ষোভকারী আহত হন। এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত ভোলা শহর পুলিশের নি’য়ন্ত্রণে থাকলেও গ্রামগঞ্জে বি’ক্ষোভ চলমান।বোরহাসউদ্দিন স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিক্যাল অফিসার ডা. মো. শাহীন হোসেন সাংবাদিকদের বলেন, সং’ঘর্ষে ৪ জন গু’লি’বিদ্ধ হয়ে নি’হত হয়েছেন। তাদের ম’রদে’হ স্বজনরা নিয়ে গেছে। নি’হতদের মধ্যে দুজনের নাম জানা গেছে। তারা হলেন- মাহফুজুর রহমান ও মিজান। মাহফুজ বোরহানউদ্দিন পৌরসভার ৩নং ওয়ার্ডের সাবেক কমিশনার মিরাজ পাটোয়ারীর ভাই।