ক্যাসিনো থেকে প্রতি মাসে ১০ লাখ টাকা পেতেন রাশেদ খান মেনন এমপি ।

ঢাকা, ২০ অক্টোবর- অ’বৈধ ক্যাসিনো ব্য’বসা থেকে প্রতি মাসে ১০ লাখ টাকা পেতেন রাশেদ খান মেনন এমপি। কোনো মাসে টাকা পাঠাতে দেরি হলে সংশ্লিষ্ট ক্যাসিনো প’রিচালনাকা’রীদের ফোন করে ধ’মকও দিতেন তিনি। যুবলীগের ব’হিষ্কৃত দুই নে’তা ইসমাইল চৌধুরী সম্রাট ও খালেদ মাহমুদ ভুঁইয়া জি’জ্ঞাসাবাদে এমন চা’ঞ্চল্যকর ত’থ্য দিয়েছেন আ’ইনশৃ’ঙ্খলা বা’হিনীর কাছে।

প্রতি মাসে কোন তারিখে, কার মাধ্যমে ক্যাসিনোর টাকা মেননের কাছে পৌঁছা’নো হতো তার বি’স্তারিত ত’থ্য সম্রাট-খালেদ বলে দিয়েছেন। বিষয়টি সম্প্রতি সরকারের হাইক’মান্ডকে জানানো হয়েছে। জানা গেছে, রাশেদ খান মেনন এমপির বি’রুদ্ধে কী কী ব্য’বস্থা নেওয়া যায়, তার ত’থ্য-উ’পাত্ত ও অডিও রেকর্ড সংগ্র’হ করা হচ্ছে।

উল্লেখ্য, রাজধানীর ফ’কিরাপুলের ইয়ংমেন্স ক্লাবের অ’বৈধ ক্যাসিনো প’রিচালনার অ’ভিযোগে গ্রে’ফতার ক’রা হয়েছে এর মালিক যুবলীগের ব’হিষ্কৃত ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সাংগঠনিক সম্পাদক খালেদ মাহমুদ ভুঁইয়াকে। ক্লাবটির গভর্নিং বডির চেয়ারম্যান হলেন রাশেদ খান মেনন এমপি। সম্প্রতি গণমা’ধ্যমকে খান বলেন, ক্যাসিনো সম্পর্কে কিছুই জানতাম না, ক্যাসিনো চলছে কিনা তা দেখভাল করা গভর্নিং বডির চেয়ারম্যানের দা’য়িত্বের মধ্যে পড়ে না।

তিনি আরো বলেন, এলাকার সংসদ সদস্য হিসেবে আমাকে ইয়ংমেন্স ক্লাবের গভর্নিং বডির চেয়ারম্যান করা হয়েছিল। এলাকার কোথায় কী ঘ’টছে, তার খ’বর রাখার দা’য়িত্ব সংসদ সদস্যের নয়, পুলিশের। তিনি বলেন, আমি জানি ইয়ংমেন্সের ফুটবল টিম আছে। ক্রিকেট খেলে। আমাকে ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক সেখানে একদিন নিয়ে যায় এবং বলা হয়, আপনি ক্লাবের চেয়ারম্যান হবেন। আমি বলেছিলাম, ঠিক আছে। ব্যস ঐটুকুই। আমি এরপর আর কখনো সেখানে যাইনি। আর/০৮:১৪/২০ অক্টোবর