মতবিরোধী কাউকে পি’টিয়ে হল থেকে বের করে দিলে হাইকমান্ড আমাদের প্রশংসা করতোঃ আ’সামি অনিক ।

‘আমাদের মতের সঙ্গে না মিললে কাউকে পি’টিয়ে বের করে দিতে পারলে; ছাত্রলীগের হাইকমান্ড আমাদের প্রশংসা করত। ছাত্রলীগের এ সিস্টেমটাই আমাদের এমন নি’ষ্ঠুর বানিয়েছে।’ — অনিক আরো পড়ুন… বুয়েট ছাত্র আবরার ফাহাদ হত্যায় আদালতে স্বীকারোক্তি দেয়া অনিক সরকার এখন কেরানীগঞ্জের ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে বন্দি হিসেবে রয়েছেন। আটকের পর কালই তার সাথে দেখা করার সুযোগ পায় তার বন্ধু এবং নিকটাত্মীয়রা।

গতকাল রোববার দুপুরে সাধারণ দর্শনার্থীদের কক্ষে নজরদারির মধ্যে তাদের মধ্যে ৮ মিনিটের সাক্ষাৎ হয়। বেলা ১২টা ২০ মিনিটে অনিকের সাথে কারাগারের প্রধান গেট সংলগ্ন সাধারণ দর্শনার্থীদের কক্ষের দ্বিতীয় তলায় সাক্ষাৎ করতে যান তার বন্ধু অবন্য শ্রাবন ও চাচাতো ভাই হারুনুর রশীদ। লোহার শিকের ফাঁক দিয়ে তাদের মধ্যে ৮ মিনিট আলাপ হয়। এরপরই ১২টা ২৮ মিনিটে তারা বেরিয়ে যান।

গতকাল ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের দায়িত্বশীল একজন কর্মকর্তা দেশের এক জাতীয় দৈনিককে জানান, কারাগারে অনিকের ওপর হামলা হওয়ার যে তথ্য প্রচারিত হয়েছে তার কোনো ভিত্তি নেই। কারণ কারাগারের ভেতরে কোনো কয়েদি বা বন্দী এমন ঘটনা ঘটানোর সাহসই পাবে না।

এটা সম্পূর্ণ মিথ্যা তথ্য। হতে পারে অনিক যখন কারাগারে প্রবেশ করে আমদানি সেলের দিকে যাচ্ছিল তখন তাকে দেখে ক্ষুব্ধ বন্দীরা ছি ছি অথবা খারাপ কোনো মন্তব্য করতে পারে। কিন্তু হাত তোলার প্রশ্নই উঠে না।

এক প্রশ্নের উত্তরে ওই সূত্রটি জানিয়েছে, শনিবার সন্ধ্যার পর অনিক কারাগারে আসার পর তাকে বকুল সেলে (টাওয়ার) নিয়ে যাওয়া হয়। সাধারণ বন্দীরা যে খাবার খাচ্ছে তাকেও সেই খাবার দেয়া হচ্ছে।

অনিকের সাথে বন্ধু ও চাচাতো ভাইয়ের সাক্ষাতের সময় কী কী আলাপ হয়েছে- জানতে চাইলে এক কর্মকর্তা শুধু বলেন, ৮ মিনিটের সাক্ষাতে তাদের মধ্যে তেমন কোনো কথা হয়নি।

তবে অনিকের ওপর কারাগারে ঢোকার সময় কয়েদিদের হামলার প্রসঙ্গে বন্ধু অবন্য অনিকের কাছে জানতে চেয়ে বলেছে, ‘কারাগারে ঢোকার সময় তোর ওপর কি কয়েদিরা হামলা করেছিল’। এই বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ অন্য মাধ্যমে বাইরে প্রচার হয়েছে। তখন অনিক এ নিয়ে কোনো প্রতিক্রিয়া না দেখিয়ে অন্য প্রসঙ্গে চলে যায়।