যেভাবে ১৫ দিনের মধ্যে পাওয়া যাবে পাসপোর্ট,এখনি জানুন…

জনভোগান্তি কমাতে ১৫ দিনের মধ্যে পাসপোর্ট ইস্যু করার সুপারিশ করেছে সংসদীয় কমিটি। এর জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের প্রতি জোর সুপারিশ করা হয়েছে। যথাসময়ে পাসপোর্ট ইস্যু করতে সক্ষম না হলে, যথাযথ কারণ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে জানিয়ে দেওয়ার ব্যবস্থা চালু করারও সুপারিশ করা হয়।

মঙ্গলবার (১৫ অক্টোবর) জাতীয় সংসদ ভবনে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির বৈঠকে এসব সুপারিশ করা হয়। বৈঠকে প্রধানমন্ত্রীর জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৭৪তম অধিবেশনে যোগদান এবং ভারত সফরের উপর প্রতিবেদন উপস্থাপন করা হয়।

বৈঠকে জানানো হয়, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জাতিসংঘে পাঁচদিনের সফরে ১৩টি প্রধান ও সাইড মিটিং এবং ৯টি দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে অংশগ্রহণ করেন। তাছাড়া প্রধানমন্ত্রীর যোগ্য ও সাহসী নেতৃত্বের কারণে জাতিসংঘ ও ভারত সফর সফল হয়েছে এবং সারা বিশ্বে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি আরও উজ্জ্বল হয়েছে। এছাড়া দুটি সফরে প্রধানমন্ত্রী মোট পাঁচটি পুরস্কার লাভ করে তা বাংলাদেশের জনগণের জন্য নিবেদন করেছেন।

বাংলাদেশি নাগরিকদের জন্য চালু হতে যাচ্ছে ইলেকট্রনিক পাসপোর্ট (ই-পাসপোর্ট)। এর মেয়াদ হবে ১০ বছর। এই পাসপোর্ট প্রথম দেয়া হবে কয়েত প্রবাসীদের। কুয়েতে এক অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ সরকারের বরাত দিয়ে এ তথ্য জানিয়েছেন লক্ষ্মীপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য ও মারাফি কুয়েতিয়া কোম্পানির সিইও কাজী শহিদ ইসলাম পাপুল।

তিনি বলছেন, খুব শিগগিরই ১০ বছর মেয়াদের পাসপোর্ট পাবেন সবাই। খুশির খবর হলো যে, বিদেশে প্রথম কুয়েত প্রবাসীদের প্রদান করা হবে ১০ বছর মেয়াদি পাসপোর্ট। এই সংসদ সদস্য আরও বলেন, বর্তমান সরকার প্রবাসীদের জন্য একটি উদ্যোগ নিয়েছে। তা হলো- যেসব প্রবাসী বৈধ পথে টাকা পাঠাবেন, সরকার সেই টাকার দুই পারসেন্ট ফেরত দেবেন।

কুয়েতে বাংলাদেশ দূতাবাসের কাউন্সিলর ও দূতালয় প্রধান মোহাম্মদ আনিসুজ্জামানের বাবা নুর মোহাম্মদ বিশ্বাসের মৃত্যুতে এক মিলাদ ও দোয়া মাহফিলে বৃহস্পতিবার (৫ সেপ্টম্বর) তিনি এসব কথা বলেন। মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি বলেন, মানবতার সেবা হলো উত্তম সেবা, যে যার মতো মানবতার সেবায় কাজ করা উচিত। এতে দুনিয়াতে ও আখিরাতে শান্তি পাওয়া যায়।

মিলাদ ও দোয়া মাহফিলের করে কুয়েত প্রবাসী বাংলাদেশিরা। কুয়েতের খাইতান রাজধানী প্লেস হোটেলে এই মিলাদ ও দোয়া মাহফিলে সভাপতিত্ব করেন কুয়েতে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত এস এম আবুল কালাম। আব্দুল হাই ভূঁইয়ার সঞ্চালনায় মাহফিলে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ দূতাবাসের কাউন্সিলর ও দূতালয় প্রধান মোহাম্মদ আনিসুজ্জামান, কাউন্সিলর পাসপোর্ট ও ভিসা সচিব জহিরুল ইসলাম খান, প্রকৌশলী ফরিদ উদ্দিন, মরুলেখা সম্পাদক আব্দুর রউফ মাওলা।

আরও উপস্থিত ছিলেন মোহাম্মদ আবদুস সেলিম, তৌদিলুল আমল চৌধুরী, হাবিবুর রহমান, মাহফুজুর রহমান, হোসেন আজিজ, মো. গাজী প্রমুখ। এ ছাড়া কুয়েতের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার প্রবাসী বাংলাদেশি ও পরিবার, বিভিন্ন সামাজিক, সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দরা উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে কুরআন তেলায়াত ও দোয়া মাহফিল পরিচালনা করেন হাফেজ আবু বক্কর সিদ্দিক।