৮ দিন পর ফিরলেন আরব আমিরাতের প্রথম মহাকাশচারী হাজ্জাজ ।

আটদিনের মহাকাশ সফর শেষে পৃথিবীতে পা রাখলেন সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রথম মহাকাশচারী হাজ্জাজ-আল মানসুরি। আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনে সফর শেষে শনিবার তাকে আমিরাতে স্বাগত জানানো হয়। রাজধানী আবু ধাবিতে বিমানবন্দরে হাজ্জাজ আল মানসুরিকে স্বাগত জানান আবু ধাবির ক্রাউন প্রিন্স মোহাম্মদ বিন জায়েদ আল নাহিয়ান।

বিমানবন্দরে হাজ্জাজ আল মানসুরিকে লাল গালিচা সংবর্ধনা দেয়া হয়। সে সময় দু’পাশে লাইন ধরে নারী, পুরুষ, শিশুরা দেশের প্রথম নভোচারীকে এক পলক দেখার জন্য ভিড় জমান। এই ভ্রমণে হাজ্জাজ আল মানসুরির সঙ্গে ছিলেন তার সহকর্মী সুলতান আল নিয়াদি। শিশুরা ফুলের তোড়া নিয়ে মানসুরির কাছে দৌঁড়ে গেছে এবং তাকে জড়িয়ে ধরেছে। আর কিছু মানুষকে সে সময় ঐতিহ্যবাহী ইয়োলা নাচে অংশ নিতে দেখা গেছে।

যদিও মানসুরির এই মিশন খুব অল্প সময়ের, মাত্র আট দিনের। তবে এটা আমিরাতের জন্য অনেক বড় গর্বের বিষয়। ২০২১ সালের মধ্যে মঙ্গলগ্রহে মনুষ্যবিহীন যান পাঠানোর পরিকল্পনা রয়েছে আরব আমিরাতের।

বৈবাহিক সম্পর্ক ছাড়াই সৌদি আরবের হোটেলে একসঙ্গে থাকতে পারবে বিদেশি নারী ও পুরুষ পর্যটকরা। কট্টর ইসলামপন্থি দেশটি ভ্রমণ ভিসায় পর্যটকদের টানতে এ সুবিধা চালু করেছে। পাশাপাশি, সৌদি নারীদের জন্যেও শিথিল করা হয়েছে হোটেলে ওঠার নিয়ম।

এখন থেকে শুধু নিজের পরিচয়পত্র দেখিয়েই হোটেলের কক্ষ ভাড়া নিতে পারবেন তারা, পরিবারের কোনো পুরুষ সদস্যের অনুমতি নিতে হবে না। রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দেশটিতে বিবাহবহিভূর্ত সম্পর্ক নিষিদ্ধ।

তবে তেলের ওপর নির্ভরতা কমাতে পর্যটনের ওপর জোর দিয়েছে দেশটি। এরই ধারাবাহিকতায় পারস্য উপসাগরীয় দেশটিতে বিদেশি পর্যটক নারী ও পুরুষ (অবিবাহিত) একসঙ্গে থাকতে পারবে।

শুক্রবার আরবি সংবাদমাধ্যম ওকাজে সৌদির পর্যটন ও জাতীয় ঐতিহ্য কমিশনের এক ঘোষণায় বলা হয়, হোটেল উঠতে সব সৌদি নাগরিককে পারিবারিক পরিচয়পত্র বা সম্পর্কের প্রমাণ দেখাতে হবে।

তবে, বিদেশিদের জন্য এ নিয়ম প্রযোজ্য নয়। সৌদিসহ সব নারীই পরিচয়পত্র দেখিয়ে হোটেলে একা একা কক্ষ ভাড়া নিতে পারবেন। এর আগে, গত সপ্তাহে ৪৯টি দেশের নাগরিকদের জন্য দরজা খুলে দিয়েছে মধ্যপ্রাচ্যের এ দেশটি।

নতুন আদেশে বলা হয়েছে, পর্যটক নারীদের বোরকা পরার প্রয়োজন নেই, শুধু পোশাক-পরিচ্ছদে সংযত থাকলেই চলবে। সৌদির ডি ফ্যাক্টো নেতা যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানের ‘ভিশন ২০৩০’ নামের সংস্কার কর্মসূচির আওতায় এসব উদ্যোগ নিয়েছে দেশটির সরকার।

তবে, দেশটিতে এখনো মদ্যপান নিষিদ্ধ। পাশাপাশি, আঁটসাঁট পোশাক পরে রাস্তায় বের হওয়া ও প্রকাশ্যে চুম্বন করা যাবে না। জনসম্মুখে শালীনতা ভঙ্গ করলেই গুনতে হবে জরিমানা।