গ্যাস সিলিন্ডারে আর কতটুকু গ্যাস মজুদ আছে তা দেখার উপায় জেনে নিন ।

রান্নার গ্যাসের সিলিন্ডার নিয়ে অনেকেই সমস্যায় পড়েন। কারণ, আগে থেকে বুঝতে না পারায় অনেক সময়েই রান্না করতে করতেই সিলিন্ডারের গ্যাস ফুরিয়ে যায়। আবার যতই তারিখ লিখে রাখনে আর যতই ধারণা থাকুক, তারপর মনে দুশ্চিন্তা বাসা বাধে কখন যেন গ্যাস ফুরে যায়।

পুরুষেরা ঘরে না থাকলে সিলিন্ডারের গ্যাস ফুরিয়ে গেলে রান্না করা অনেক কঠিন হয়ে পড়ে। তাই গ্যাস ফুরিয়ে যাবার আগেই ঘরোয়া পদ্ধতিতে সিলিন্ডারের গ্যাস মেপে নিন। কতু টুকু পরিমান গ্যাস আছে সিলিন্ডারে তা জেনে নিন!

আপনার বাড়িতে একটা গ্যাস (সিলিন্ডার) কতদিন চলবে তার একটা ধারণা আমাদের আছে। পরিবারের সদস্য সংখ্যা কত, বাড়িতে কত রান্নাবান্না হচ্ছে বা কী ভাবে রান্না হচ্ছে, এমন অনেক কিছুর উপর নির্ভর করে যে একটা গ্যাস সিলিন্ডার কতদিন চলবে।

কিন্তু যতই ধারণা থাকুক না কেন, একটা দুশ্চিন্তা কিন্তু আমাদের অনেকের মধ্যেই কাজ করে। এই বুঝি গ্যাস ফুরিয়ে গেল! রান্নার মাঝে এমনটা হলে ঝক্কি কম হয় না। কিন্তু সিলিন্ডারে আর কতটা গ্যাস রয়েছে তা বুঝবেন কী করে? আমরা অনেকেই সাধারণত, সিলিন্ডার ঝাঁকিয়ে বা হাতে তুলে ধরে বোঝার চেষ্টা করি, সিলিন্ডারে কতটুকু গ্যাস বাকি আছে!

কিন্তু তাতেও নিশ্চিন্ত হওয়া যায় কি? একটা পদ্ধতি কাজে লাগিয়ে সহজেই বোঝা সম্ভব যে, সিলিন্ডারে আর কতটা গ্যাস বাকি রয়েছে। আসুন জেনে নেওয়া যাক। প্রথমে একটা ভিজে কাপড় দিয়ে সিলিন্ডারটিকে খুব ভাল করে মুছতে হবে। খেয়াল রাখতে হবে, সিলিন্ডারের গায়ে যেন কোনও ধুলোর আস্তরণ না থাকে।

সিলিন্ডার মোছা হয়ে গেলে ২-৩ মিনিট পর দেখা যাবে, সিলিন্ডারের কিছুটা অংশ শুকিয়ে গিয়েছে, বাকি অংশ ভিজে রয়েছে। সিলিন্ডারের যে অংশটা শুকোতে বেশি সময় নিচ্ছে, সেই অংশেই গ্যাস রয়েছে। আর যে অংশটা তাড়াতাড়ি শুকিয়ে গিয়েছে, সেটিতে গ্যাস নেই! কারণ, যেখানে তরল থাকে,

সেখানকার তাপমাত্রা খালি জায়গার তুলনায় কিছুটা কম হয়। ফলে সিলিন্ডারের যে অংশে গ্যাস রয়েছে, সেই অংশটি তাপমাত্রার তারতম্যের জন্য শুকোতে বেশি সময় লাগছে।

সুতরাং, দুশ্চিন্তা করার আর প্রয়োজন নেই। সিলিন্ডারে কি পরিমাণ গ্যাস রয়েছে তা নিয়ে বিন্দুমাত্র সংশয় থাকলে নিজেই পরীক্ষা করে দেখে নিন। পদ্ধতি তো জেনেই গিয়েছেন! আর চিন্তা কিসের।