করো’নার মধ্যেই ভারতের বিরুদ্ধে যু’দ্ধের প্রস্তুতি নিতে বললেন চীনা প্রেসিডেন্ট ।

পৃথিবীর প্রায় সবদেশ যখন ক’রোনাযু’'দ্ধের ল’ড়াইয়ে ব্যস্ত, ঠিক এমন সময়ে লাদাখ সীমা'ন্ত নিয়ে উ’ত্তেজনায় ভাসছে চীন-ভারত। ইতিমধ্যে উ’ভয় দেশের সেনাবাহিনী সীমা'ন্তে ক’ঠোর অবস্থানে রয়েছে। এক্ষেত্রে এক পা যেন এগিয়ে যু’'দ্ধের দা’মামা বাজাতে চাইছেন চীন সরকার। নিজেদের সেনা বাহিনীকে যু’'দ্ধের প্র’স্তুতির নির্দেশ দিয়েছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং। খবর এনডিটিভির।

সবচেয়ে খা’রাপ পরিস্থিতি দৃশ্যমান জানিয়ে তাদের দৃঢ়ভাবে দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি। যদিও কোনও বিশেষ দেশ বা প্রতিপক্ষের নাম উ’চ্চারণ করেননি, কিন্তু প্রকৃত সীমা'ন্তরেখায় ভারত ও চীনের মধ্যে বাড়তে থাকা উ’ত্তেজনার মধ্যেই এমন মন্তব্য করেছেন জিনপিং। ৬৬ বছরের এই রাষ্ট্রনায়ক বেজিংয়ে চলতে থাকা সংসদীয় অধিবেশনের সময় ‘পিপলস লিবারেশন আর্মি’ ও ‘পিপলস আর্মড পু'লিশ ফোর্স’র প্রতিনিধিদের স''ঙ্গে এক পূর্ণা''ঙ্গ অধিবেশনে এই মন্তব্য করেন।

দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষা ও যেকোনও জটিল পরিস্থিতিকে সঠিকভাবে মো’কাবিলা করার জন্য তিনি নির্দেশ দিয়েছেন নিজ দেশের সেনাদের। চীনের‘জিনহুয়া নিউজ এজেন্সি’র প্রতিবেদন থেকে একথা জানা গেছে। তবে, এসময় তিনি চীনের জন্য বি’পজ্জনক হয়ে ওঠা কোনও বিশেষ ইস্যুর কথা উল্লেখ করেননি। গত কয়েক দিন ধরেই লাদাখ ও উত্তর সিকিমের প্রকৃত সীমা'ন্তরেখায় ভারত ও চীনের সেনা প্রভূ'তভাবে মোতায়েন হয়েছে।

এর ফলে উ’ত্তেজনার পারদ ক্র’মশই চড়ছে। তবে শুধু ভারত নয়, মা'র্কিন সেনার স''ঙ্গেও উ’ত্তেজনা তৈরি হয়েছে চীনের সেনাবাহিনীর। মা'র্কিন নৌবাহিনীকে বি’তর্কিত দক্ষিণ চীন সাগরে টহল দিতে দেখা গেছে। পাশাপাশি করো’না সংক্র’মণকে কেন্দ্র করেও উ’ত্ত'প্ত বা’দানুবাদ হয়ে আসছে চীন ও আমেরিকার। এদিকে পররাষ্ট্রমন্ত্রণালয় জানিয়েছে, সীমা'ন্তরেখায় তৎপর রয়েছে ভারত।

তাদের দাবি, বরাবরই সীমা'ন্তের ভারসাম্য রক্ষায় গু'রুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে ভারতীয় সেনারা। একইস''ঙ্গে এও জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, ভারত দেশের নিরাপত্তা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় প্রতিশ্রুতিব'দ্ধ। গত ৫ মে ২৫০ চীনা সেনা ও ভারতীয় সেনার মধ্যে সং'ঘ’র্ষের পর থেকেই পূর্ব লাদাখের পরিস্থিতি ক্রমেই খা’রাপ হয়েছে। ওইদিন ভারতীয় ও চীনা সেনা সং'ঘ’র্ষে লি'প্ত হয়েছিল লোহার রড, লাঠি নিয়ে। এমনকি পাথর ছো’ড়াও হয়েছিল। জ’খম হয়েছিলেন উভয়পক্ষের সেনারাই।