১৪ কোটি টাকায় শিক্ষার্থীর কুমা’রিত্ব কিনলেন এমপি ।

উচ্চশিক্ষার জন্য চাই অর্থ, কিন্তু সেই টাকা যোগাতে ব্যর্থ এক যুবতী। অবশেষে আর কোন উপায়ান্তর না পেয়ে বিক্রির পথে হাঁটলেন। তবে বাড়ির কোনও সম্পদ বা সামগ্রী নয়, বিক্রি করলেন নিজের কুমা’রিত্ব! আর তার বদলে পেলেন ১৪ কোটি টাকা।

চাঞ্চল্যকর এই ঘটনাটি ঘটেছে ইংল্যান্ডে। সেই যুবতীর নাম লিয়া (২৪)।জানা গেছে, বিপুল টাকা কামানোর তাড়নায় লিয়া অনলাইন একটি এসকর্ট সাইটে নিজের কুমা’রিত্ব বিক্রি করেছেন,বদলে তিনি পেয়েছেন ১৪ কোটি ৩০ লাখ টাকা। আর তার কুমা’রিত্ব কিনেছেন এক ব্রিটিশ সংসদ সদস্য।

লিয়ার কথায়, ওই সাইটে তার কুমা’রিত্ব নিলামে তোলেন তিনি। সেই নিলামেই বিজয়ী হন ওই সাংসদ।তবে, তার সঙ্গে অনেক আগে থেকেই আলাপ ছিল লিয়ার। দু’মাস একসঙ্গে ডেটিংও করেন তারা।আরও জানা গেছে, ওই দু’মাসে লিয়ার পেছনে অন্তত প্রতি মাসে ১৫ লাখ টাকা খরচ করেছেন ওই ব্রিটিশ সাংসদ।

তবে ব্রিটিশ রাজনীতিবিদের নাম বলেননি ওই তরুণী। তাকে শুধু ‘টনি এম পি’ বলেই অ’ভিহিত করেছেন লিয়া। আর এতেই জো’র জল্পনা শুরু হয়েছে।তার কুমা’রিত্বের দাম এত টাকা উঠবে সেটা কল্পনাও করতে পারেননি বলে জানিয়েছেন ব্রিটিশ ওই তরুণী।

আরো জানুন… মানুষের সবচেয়ে আপনজন তার বাবা-মা। কিন্তু চার বছরের ছোট্ট শি’শু মাসান আরদিতের আপন কে? তার বাবা-মাই যে তাকে রাখতে চান না। যাতে বিস্মিত আ’দালতও। বিষয়টি নিয়ে পরস্পরকে দুষছেন দুপক্ষের আইনজীবী। মানবাধিকারকর্মীরা বলছেন, বিবাহ বিচ্ছেদের মা’মলা বিপর্যস্ত করে তুলছে শি’শুদের জীবন।চার বছর তিন মাস বয়সী মাসান আরদিত নিষ্ঠুর এক বাস্তবতার শিকার।

ঢাকার সিএমএম আ’দালতে তার মা-বাবা জানিয়েছেন, মাসানকে তারা রাখতে চান না। বিবাহ বিচ্ছেদের পর, বাবা উঠেছেন একটি মেসে। সেখানে শি’শুটিকে রাখার পরিবেশ নেই। আর সন্তানের খরচ চালানোর অক্ষমতার কথা বলছেন মা।এমন ঘটনা অ’বাক করে দেয় উপস্থিত সবাইকে। এ সময় আ’দালত প্রশ্ন রাখেন, বাবা-মা না দেখলে ছোট্ট শি’শুটির দায়িত্ব নেবে কে? মাসানের মা সানজিদা শারমিন বলছেন, বাচ্চার বাবা তার কোনই খোঁজ নেই না, একবার দেখতে আসে না। ভরণপোষণও দিচ্ছে না। তাহলে বাচ্চাটাকে আমি কিভাবে রাখবো?

তবে, বিষয়টি নিয়ে গণমাধ্যমে কথা বলতে চাননি বাবা মাহফুজ ইস’লাম। দুপক্ষের আইনজীবীরাও একে অ’পরের ওপর দোষ চাপালেন।মাসানের বাবার আইনজীবী ইকবাল আহাম্মেদ খান বলেন, বাচ্চা নাবালক হলে ৭ বছর বয়স পর্যন্ত আইন অনুযায়ী মা’র কাছেই থাকবে।অ’পরদিকে মাসানের মায়ের আইনজীবী আকলিমা ইস’লাম বলছেন, বাচ্চা মা রাখতে পারবে কিন্তু বাচ্চার খরচ অবশ্যই বাবাকে দিতে হবে, না দিলে ভিন্নপথ অবলম্বন করতে হবে আমাদের। ২০১৩ সালে ভালোবেসে বিয়ে করেছিলেন এ দম্পতি। তবে, এরপর সময় যত গড়িয়েছে, দাম্পত্য ক*লহে ফাটল ধরেছে স’ম্পর্কে। (চ্যানেল ২৪ এর প্রতিবেদন