১২ বছরের সম্পর্ক, বিয়ে না করা পর্যন্ত অনশন চালিয়ে যাবেন প্রেমিক ।

বারো বছরের সম্পর্ক তারপরেও বিয়ে না করায় এবার প্রেমিকার বাড়ির সামনেই সড়কের ওপর অনশনে বসলেন প্রেমিক৷ এমনকী বিয়ে না করা পর্যন্ত এই অনশন চালিয়ে যাবেন বলে জানালেন প্রেমিক। জানা গেছে, গড়িয়া স্টেশন সংলগ্ন গোড়াগাছার যুবক বাবু মন্ডলের সঙ্গে প্রতিবেশী দেবযানী মন্ডলের দীর্ঘ ১২ বছরের প্রেমের সম্পর্ক৷

প্রথম থেকেই এই সম্পর্কে আপত্তি ছিল মেয়ের বাড়িতে৷ দেবযানী বর্তমানে একটি নামি গহনা প্রস্তুতকারক বিপণীতে কর্মরত৷ সম্প্রতি তাদের সম্পর্কে অবনতি হয়৷ দেবযানী জানায়, তার পক্ষে বাবুকে বিয়ে করা সম্ভব নয়৷ এরপরেই বুধবার থেকে দেবযানীর বাড়ির সামনে অনশনে বসে বাবু৷

একটানা অনশনের ফলে বাবুর শারীরিক অবস্থার অবনতি হয়৷ এই ঘটনা নিয়ে প্রকাশ্যে কিছু বলতে রাজি নয় দেবযানী ও তার পরিবার৷ তবে গোটা ঘটনাটি পুলিশকে জানিয়েছে দেবযানীর পরিবার।

এরপর পুলিশ এসে দেবযাবীর বাড়ির সামনে থেকে বাবুকে তুলে দেয়৷ তারপর বাড়ির সামনের রাস্তায় এসে অনশনে বসেছে বাবু। বিয়ে না করা পর্যন্ত এই অনশন চালিয়ে যাবেন বলে জানিয়েছেন তিনি।

আরো জানুন… দেড় বছর আগে প্রেমের টানে বাংলাদেশে এসেছিলেন মার্কিন নারী শ্যারন (৪১)। ভালোবেসে বিয়ে করেছিলেন ফরিদপুরের যুবক আশরাফ উদ্দিস সিংকুকে (২৭)। বিয়ের পর কয়েক দিন শ্যারন ফিরে যান নিজের দেশে। দীর্ঘ দিন পর সম্প্রতি আবার তিনি বাংলাদেশে এসেছেন।এবার এই দম্পত্তির বিয়ে উপলক্ষে আয়োজন করা হয় বৌভাতের।

বুধবার জেলার কানাইপুর ইউনিয়নের ঝাউখোলা গ্রামে উৎসবমুখর পরিবেশে এ অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়। বৌভাতে এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গসহ প্রায় দুই শতাধিক অতিথি উপস্থিত ছিলেন। জানা গেছে, দুই বছর আগে ফেসবুকে সিংকুর সঙ্গে নিউইয়র্কের বাসিন্দা ব্যাংকার শ্যারনের (৪১) পরিচয় হয়। এরপর তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠে।

সেই প্রেমের টানে ২০১৮ সালের ৫ এপ্রিল বাংলাদেশে আসেন শ্যারন। এরপর ২০ এপ্রিল ঝাউখোলা গ্রামের আলাউদ্দিন মাতুব্বরের ছেলে সিংকুকে বিয়ে করেন তিনি। বিয়ের কয়েকদিন পর শ্যারন আমেরিকায় ফিরে যান এবং সিংকু ও তার পরিবারকে কথা দিয়ে যান তিনি আবার বাংলাদেশে আসবেন।তবে বৌভাত অনুষ্ঠানে শ্যারনের কোনো আত্মীয়-স্বজন উপস্থিত ছিলেন না।

বরের বাবা আলাউদ্দিন বলেন, বৌমা বাংলা কিছুটা বুঝতে শিখেছে। তার আচরণে মনেই হয় না সে ভিনদেশি কোনো নারী। পুত্রবধূকে ভালোবেসেই গ্রহণ করেছি। সিংকু বলেন, আমি শ্যারনকে খুব ভালোবাসি। ও আমাকে অনেক ভালোবাসে। বৌভাত হয়ে গেছে। ৮ অক্টোবর সে আমেরিকায় চলে যাবে। এরপর আমার কাগজপত্র ঠিক হলে আমিও চলে যাব আমেরিকায়। মার্কিন কনে শ্যারন বলেন, আমি বাংলাদেশকে অনেক ভালোবেসে ফেলেছি। আর ভালোবাসার প্রমাণ হিসেবেই এই বিয়ে। সিংকুর হাত ধরে আমি সারাজীবন কাটাতে চাই।