আইসোলেশন ওয়ার্ডে নিষেধ না মেনে প্রেম, বের হয়েই বিয়ে

নিষে'ধ না মেনে প্রেম- করো'নাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে গোটা বিশ্ব। চারিদিকে করো'নার খারাপ খবর। তবে দুই একটা মন ভালো করা খবরও নজরে আসছে। এবার যেমন করো'নার জন্যে আইসোলেশন ওয়ার্ডে গিয়েই এক তরুণ-তরুণী তাদের জীবনের সবচেয়ে বড় সি'দ্ধান্ত নিয়ে নিলেন। ঘটনাটি ঘটেছে দেশের জয়পুরহাটের আক্কেলপুর উপজে'লায়।

করো'নার জন্যে সেখানে তৈরি আইসোলেশন সেন্টারে ভর্তি থাকা এক তরুণ ও তরুণীর মধ্যে হয়ে গেল প্রেমের সম্পর্ক। তাদের সেখানে আনা হয়েছিল করো'নাভাইরাসের চিকিৎসার জন্য। জানা গেছে, অনেকবার নিষে'ধ করার পরও আইসোলেশনে থাকা ওই তরুণ ও তরুণী তাদের নিজ নিজ তলার বারান্দায় দাঁড়িয়ে কথা বলতেন কয়েকদিন।

এরপরই দু’জন বুঝতে পারেন মনের মানুষ তারা খুঁজে পেয়েছেন ভাইরাসের স''ঙ্গে যু'দ্ধযু'দ্ধ করতে-করতেই। এরপর দুজন সুস্থ হলে তাদের ছেড়ে দেওয়া হলে দু’জনেই ঠিক করেন আর দেরি নয়, এবার সেরে ফেলতে হবে বিয়ে। সেই মোতাবেক তারা ঘরোয়াভাবে বিয়েও করেছেন বলে জানা গেছে। জীবনযু'দ্ধে গিয়ে জীবনের সবচেয়ে বড় সি'দ্ধান্তটা নিতে পারার জন্যে খুশি দু’জনেই।

লকডাউনের মেয়াদ ৪৫ দিন পেরিয়ে যাওয়ার পরও যে ভাবে আ'ক্রা'ন্তের সংখ্যা বেড়ে চলেছে তা দেখে অনেকেই প্রশ্ন তুলছেন এই লকডাউনের কার্যকারিতা নিয়ে। হু-এর মুখপাত্র ডেভিড নাবারো অবশ্য মনে করেন, ভারত তড়িঘড়ি লকডাউনে চলে যাওয়ায় ভালোই হয়েছে। এর ফলে ভাইরাসের সংক্রমণ মূলত শহর এবং শহর লাগোয়া এলাকাগু'লোতেই আট'কে গিয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে করো'নায় আ'ক্রা'ন্ত ১২৭ জনের মৃ'ত্যু হয়েছে। কোভিড-১৯ ভাইরাসে আ'ক্রা'ন্ত হয়েছেন আরও ৩ হাজার ২৭৭ জন।

রবিবার সকালে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রক থেকে এই তথ্য জানানো হয়েছে। তাদের ওয়েবসাইটে দেওয়া পরিসংখ্যান অনুযায়ী দেশে মোট করো'না আ'ক্রা'ন্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৬২ হাজার ৯৩৯ জন। সুস্থ হয়েছেন ১৯৩৫৮ জন। মৃ'ত্যু হয়েছে ২০১৯ জনের। –করো'নার কবলে পু'লিশ এবং অন্য নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যরাও। মহারাষ্ট্রে করো'নায় আ'ক্রা'ন্ত হয়েছেন ৭১৪ জন পু'লিশকর্মী! এখনও পর্যন্ত পাঁচ জনের মৃ'ত্যু হয়েছে। উদ্বেগের পরিস্থিতি দিল্লিতেও। সেখানে ১১০ জন পু'লিশকর্মী করো'না পজিটিভ।

কোয়ারান্টিনে পাঠানো হয়েছে আরও ১৫০ জনকে। কিছুদিন আগেই দিল্লি পু'লিশের এক কনস্টেবলের করো'নায় মৃ'ত্যু হয়। পজিটিভ তাঁর স্ত্রী ও মেয়েও। কর্মীদের ক্ষোভ সামাল দিতে বিশেষ হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ তৈরি করেছে দিল্লি পু'লিশ, সেখানেই তাঁদের অ'ভিযোগ শোনা হচ্ছে।