খোদ ছাত্রলীগের র‍্যালির পর বঙ্গবন্ধু ও প্রধানমন্ত্রীর ছবির এই দশা ।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ৭৩তম জন্মদিনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে আনন্দ র‌্যালি ও শোভাযাত্রা করেছে ছাত্রলীগ।র‌্যালিতে নেতা-কর্মীদের হাতে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছবি দেখা যায়।তবে র‌্যালি শেষ হওয়ার পর নেতাকর্মীদের কেউ কেউ বঙ্গবন্ধু ও শেখ হাসিনার ছবি মধুর ক্যান্টিনের সামনে পরিত্যাক্ত স্থানে ফেলে যায়। যেটিকে পরে বেদনাদায়ক ও কষ্টের ঘটনা বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি সনজিত চন্দ্র দাস।

এ বিষয়ে সনজিত চ্যানেল আই অনলাইন-কে বলেন: এরকম ঘটনা কোনভাবেই কাম্য নয়। জাতির পিতার চেতনা ও প্রধানমন্ত্রীকে আমরা হৃদয়ে ধারণ করি। নেতাকর্মীদের কেউ তাদের ছবি ভুলবশত ফেলে রেখেছে। এটি তাদের দায়। আমরা ‘স্ট্রিক্টলি’ নিষেধ করেছিলাম যেনো এরকম কোন কিছু না ঘটে। সকলের প্রতি নির্দেশনা ছিলো র‌্যালি শেষে সবাই যেন ছবিগুলো মধুর গোল ঘরে রাখে।

সনজিত বলেন: অনেক নেতাকর্মী ছিলো র‌্যালিতে। বিশ্ববিদ্যালয়ের বাইরেও বিভিন্ন ইউনিটের নেতাকর্মীরা ছিল। অসতর্কতাবশত কেউ কাজটি করেছে। আমরা পরবর্তীতে এ বিষয়ে আরও সচেতন থাকব এবং নেতা-কর্মীদের প্রতি নির্দেশনা থাকবে যেন এমন অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা পরবর্তীতে আর না ঘটে।বঙ্গবন্ধু ও প্রধানমন্ত্রীর ছবি পরিত্যক্ত স্থানে ফেলে রাখার ঘটনাকে অনাকাঙ্ক্ষিত ও বেদনাদায়ক উল্লেখ করে ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি শাহরিয়ার কবির বিদ্যুৎ বলেন: আমরা বঙ্গবন্ধু ও প্রধানমন্ত্রীর চেতনা বুকে ধারণ করি।

এমন অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনায় নেতাকর্মীদের অনেক সচেতন হওয়া উচিত।ঘটনার পরপরই নেতাকর্মীদের এসব অনাকাঙ্খিত ঘটনা থেকে বিরত থাকার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে বলে চ্যানেল আই অনলাইন-কে জানিয়েছেন ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক বাধন। তিনি বলেন: এটি খুবই দুঃখজনক সেইসাথে লজ্জাজনক। বঙ্গবন্ধু ও প্রধানমন্ত্রী থাকবে আমাদের অন্তরে। ঘটনার পরপরই আমি বিষয়টি বিশ্ববিদ্যালয়ের সভাপতিকে অবহিত করি। তিনি নেতাকর্মীদের সতর্ক হওয়ার নির্দেশনা দিয়েছেন।

এর আগে ছাত্রলীগের কয়েক হাজার নেতাকর্মী মধুর ক্যান্টিন থেকে র‌্যালি নিয়ে ক্যাম্পাস প্রদক্ষিণ করে আবার মধুর ক্যান্টিনে এসে শেষ করেন। তারপরই বঙ্গবন্ধু ও প্রধানমন্ত্রীর ছবি মধুর ক্যান্টিনের সামনে পরিত্যক্ত স্থানে পড়ে থাকতে দেখা যায়।এ বিষয়ে জানতে ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সভাপতি (ভারপ্রাপ্ত) আল নাহিয়ান খান জয় ও সাধারণ সম্পাদক (ভারপ্রাপ্ত) লেখক ভট্টাচার্যকে বেশ কয়েকবার ফোন করা হলেও তারা কথা বলেননি। সূত্রঃ নিউজ আর বিডি ।