এইমাত্র পাওয়াঃ যুক্তরাষ্ট্রের মসজিদে মুসল্লিদের ওপর আকস্মিক হামলা!

যু’ক্তরাষ্ট্রের কানেকটিকাট অ''ঙ্গরাজ্যের ম্যানচেস্টারে বায়তুল মামুর ম’সজিদে কমিটির কতিপয় সদস্য কর্তৃক নিরীহ মু’সল্লিদের ওপর হা’মলা ও অ’প্রীতিকর ঘটনা ঘটেছে। স্থানীয় সময় শুক্রবার (২৬ জুন) বিকেলে তিন বছর মেয়াদি নতুন কমিটি গঠন করার সময় মু’সল্লিদের উদ্দেশ্যে ‘শয়তান’ বলাকে কেন্দ্র করে কমিটির সদস্য ও মু’সল্লিদের মাঝে হট্টগোল ও অ’প্রীতিকর ঘটনা ঘটে।

একই ম’সজিদে এর আগেও কয়েক দফা অ’প্রীতিকর ঘটনাসহ কোষাধ্যক্ষের হাতে ম’সজিদের ই’মাম লা’ঞ্ছিত হবার ঘটনা ঘটেছে। মা’র্কিন সংবাদ মাধ্যম বাংলা প্রেস এ খবর জানিয়েছে। প্রত্যক্ষদর্শী মু’সল্লিরা জানান, ম’সজিদের নতুন কমিটি গঠনের করার জন্য গত শুক্রবার সাধারণ সভা আহ্বান করা হয়। বাদ আছর সভা শুরু হলে ম’সজিদ কমিটির সাধারণ সম্পাদক আশিক রহমান শান্তিপূর্ণভাবেই সভা পরিচালনা করছিলেন।

মাগরিব নামাজের পূর্ব পর্যন্ত কোনও প্রকার সমস্যা দেখা যায়নি। বাদ মাগরিব আবারও সভা কার্য শুরু হয়। মু’সল্লিদের পক্ষ থেকে চাঁদা ভিত্তিক ম’সজিদের সদস্য ভোটারের মেয়াদ ৩ বছর থেকে ১ বছর করে সংবিধানের কিছু নিয়মকানুন পরিবর্তনের দাবি উঠে। এ প্রস্তাবটির পক্ষে উপস্থিত মু’সল্লিদের শতকরা ৯৫ ভাগ মু’সল্লি তাদের সম’র্থন দিলেও কমিটির কোষাধ্যক্ষ পদধারী তারেক আম্বিয়া ও তার ভাই তৌফিফুল আম্বিয়ার সম’র্থক ও নিকটাত্মীয়রা উক্ত প্রস্তাবটির বিপক্ষে অবস্থান নেন।

ওই সাধারণ সভায় সংবিধান সংশোধন ও সংবিধান বহির্ভূ'ত কাযর্ক্রমের ওপর মু’সল্লিগণ বিভিন্ন প্রশ্ন করেন। মু’সল্লিগণের প্রশ্নের সঠিক উত্তর দিতে না পারায় তারেক আম্বিয়ার ঈশারায়। তার চাচাত ভাই মইনুল, এনাম, নাজমুল প্রশ্নকারীদের অকথ্য ভাষায় গা’লম’ন্দ করে না’জেহাল করে তোলেন। মইনুল ইস’লাম এক পর্যায়ে মু’স্ললিদের উদ্দেশ্যে বলেন, ‘এখানে অনেক শ’য়তানও আছে।

তার কথা অন্য সদস্য/ মু’সল্লি হারুন আহমেদের কানে গেলে তিনি পাল্টা জবাব দেন। উপয় পক্ষের মধ্যে কথা কা’টাকাটি শুরু হয়। মা’রমুখি হয়ে আ’ক্রমণ ও পাল্টা আ’ক্রমণের চেষ্টা চলে উভ’য় পক্ষে। — এক পর্যায়ে প্রচুর হ’ট্টগোল শুরু হয়। হা’মলা ও হট্টগোলের সময় ম’সজিদে বাংলাদেশি আ’মেরিকান অ্যাসোশিয়েশন অব কানেকটিকাট (বাক) এর বেশ কিছু কর্মক’র্তাদের দেখা গেছে।

ইতোপূর্বে ম’সজিদ কমিটির সাধারন সভায় বেশ কয়েকবার বাক-এর এসব কর্মক’র্তাদেরকে হট্টগোল করার জন্য কেবা-কারা' ভাড়া করে এনেছিল বলে অ’ভিযোগ রয়েছে।’ ম’সজিদ কমিটির সদস্য/মু’সল্লি হারুন আহমেদ ও সরকার মামুন জানান, কমিটির কোষাধ্যক্ষ তারেক আম্বিয়া ও তৌফিফুল আম্বিয়া’র তাদের চাচাত ভাই মইনুল,নাজমুল ও এনাম উক্ত শান্তিপূর্ণ সভায় বি’শৃংখলার সৃষ্টি করেন এবং বাংলা সিনেমা’র খল নায়কদের মতো দুই দফা মু’সল্লিদের উপর আ’ক্রমণ করেন।

এতে মু’সল্লিগন খি'প্ত হয়ে ওঠেন। অবস্থা বেগতিক দেখে তারেক-টিপু তাদের লা’ঠিয়াল চাচাত ভাইদেরকে ম’সজিদ থেকে পালিয়ে যেতে সাহায্য করেন। কমিটির সাধারন সম্পাদক আশিক রহমান হ’ট্টগো’ল থামানোর চেষ্টা করে ব্য’র্থ হন।

পরে অন্যান্যদের সহায়তায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে। কমিটি গঠনের এ সভা ভুন্ডুল হলেও অধিকাংশ মু’সল্লিদের অনুপস্থিতিতেই জো’রপুর্বক এবং অ’বৈধভাবে আগামী ৩ বছরের জন্য নতুন কমিটি গঠন করা হয়। ম’সজিদ কমিটির সাধারণ সম্পাদক আশিক রহমানের কাছে শুক্রবারের উ’ক্ত ঘ’টনার বর্ণনা জানতে চাওয়া হলে তিনি অ’প্রীতিকর ঘটনার কথা স্বীকার করে বলেন, উ’ক্ত ঘটনার জন্য তিনিই দায়ী।

কারণ পদাধিকার বলে তিনি উক্ত সভাটি পরিচালনা করছিলেন। সভা’র কার্য চলাকালীন সময় দুই গ্রুপের লোকজনই উপস্থিত ছিলেন। একসময় মইনুল ইস’লাম নামের এক মু’সল্লি/সদস্য বলে ওঠেন, এখানে অনেক শ’য়তানও আছে। এর পাল্টা জবাব দিতে গিয়ে সদস্য/ মু’সল্লি হারুন আহমেদ বলেন শ’য়তান তোমা'দের মধ্যেও রয়েছে।