মায়ের ক’ঙ্কাল জড়িয়ে ধরে তিন মাস ধরে কাঁদছে একটি বিড়ালছানা ।

মায়ের ক’ঙ্কাল জড়িয়ে ধরে তিন মাস ধরে কাঁদছে একটি বিড়ালছানা! সম্প্রতি ফেসবুকে ভা’ইরাল হয়ে পড়েছে কলকাতার শ্যামবাজারের ওই ছানাটির ছবি। কলকাতার রাজীব সরকার অভিমন্যু নামে এক ব্যক্তি ছবিটি প্রথম ফেসবুকে তুলে ধরেন। তাতে দেখা যায়, বিড়ালছানাটি মাটিতে পড়ে থাকা তার মায়ের কঙ্কালটি আঁ’কড়ে ধরে পড়ে আছে।

অভিমন্যু জানান, মোটরসাইকেল চাপায় প্রা’ণহা’নি ঘটেছিলো মা বিড়ালটির। কলকাতার শ্যামবাজারের রাধামাধব গোস্বামি লেনের ঘটনা এটি। প্রায় তিন মাস আগে মাকে হা’রাকেও এখনও ভুলতে পারেনি তাকে। রাতে প্রায়ই বিড়ালছানাটির গোঙানি শোনা যায় বলেও স্থা’নীয়রা জানান।

আরো পড়ুন… মসজিদে জমি দান করে সমাজে বিরল দৃষ্টান্ত স্থা’পন করলেন এক ভি’ক্ষুক দ’ম্পতি। এই ভি’ক্ষুক দ’ম্পতির বাড়ি লালমনিরহাটের কালীগঞ্জ উপজেলার কাকিনা ইউনিয়নের দক্ষিণ গোপাল রায় গ্রামে। তারা হলেন বৃদ্ধ খইমুদ্দিন (৮০) ও হামিজোন বেগম (৬৫)।

সোমবার সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, এক নি’র্জন কুঁড়েঘরে তাদের বসবাস। প্রতিদিনের ভি’ক্ষার চালেই জ্বলে তাদের চুলা। একদিন ভি’ক্ষা না করলে তাদের মুখে খাবার জোটে না। অনেক সময় অ’নাহারেই দিন কাটে তাদের। তারপরও জীবন বাঁচাতে ভি’ক্ষা করতে হয় ওই দ’ম্পতিকে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ওই ভি’ক্ষুক দ’ম্পতি নি’সন্তান থাকায় মৃ’ত্যুর আগে শেষ সম্বল ভি’টে-বাড়ির ৪ শতক জমি গত তিন বছর আগে ওই গ্রামে নি’ত্য ডিঘি জামে মসজিদের নামে দলিল করে দেন।

তাদের এমন দান সমাজে বিরল দৃ’ষ্টান্ত স্থা’পন করেছে। বৃদ্ধ খইমুদ্দিন প্যারালাইসিস রো’গী তারপরও অ’সুস্থ স্বামীকে নিয়ে পেটের দায়ে গ্রামে গ্রামে ভি’ক্ষা করতে বের হন স্ত্রী হামিজোন বেগম। তাদের এমন দু’রবস্থায় ভা’গ্যে জু’টেনি কোনো বয়স্কভাতার কার্ড।

হামিজোন বেগম বলেন, ভিটেবাড়ি টুকু মসজিদের নামে দান করে আমরা দুজনই খুশি। আমাদের কোনো সন্তান নেই। তাই মসজিদে জমি দান করেছি। এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, আমাদের ব’য়স্কভাতার কার্ড হয়নি।

প্রতিবেশী আছমা বেগম (৪০) বলেন, তারা অসহায় গরিব মানুষ। দেখার কেউ নেই। সারাদিন বাড়ি বাড়ি ঘুরে যেটুকু চাল পান তাই রান্না করে খান। ওই এলাকার তৈয়ব আলী (৪০) জানান, ওই বৃ’দ্ধ দ’ম্পতির মৃ’ত্যুর পর তাদের দাফন কা’ফনের ব্যবস্থা গ্রামবাসী করবে। তাদের এমন দান সমাজের বিত্তশালীদের চোখ খুলে দিয়েছে।

ওই গ্রামের নিত্য ডিঘি জামে মসজিদ কমিটির সভাপতি আব্দুল সোবাহান জানান, বৃদ্ধ খইমুদ্দিন ও হামিজোন বেগম তিন বছর আগে বাড়িভিটের জমি মসজিদের নামে দলিল করে দিয়েছেন। কাকিনা ইউনিয়ন চেয়ারম্যান শহিদুল হক শহিদ জানান, ভি’ক্ষুক দ’ম্পতির জমি দান করার বিষয়টি আমার জানা নেই। তবে তাদের ব’য়স্কভাতা না হলে তা দেয়ার ব্যবস্থা করব।