যারা সিঙ্গাপুর যাওয়ার স্বপ্ন দেখছেন, তাদের জন্য এটা বড় দুঃসংবাদই বটে।

যারা সি”''ঙ্গাপুর যাওয়ার স্বপ্ন দেখছেন, তাদের জন্য এটা বড় এক দুঃসংবাদই বটে। সি”''ঙ্গাপুরে ক্রমেই সঙ্কু’চিত হচ্ছে শ্রমবাজার। নতুন কাজের সন্ধানে প্রবাসী বাংলাদেশিরা অন্যদেশে পাড়ি দেয়ার চিন্তা করলেও করো’নাভাই’রাসের কারণে আপাতত থমকে গেছে সে স্বপ্ন। সরকার এবং বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগু'’লো এখনও অ’ভিবাসী শ্রমিকদের বেতন দিলেও, করো’নার পর চাকরি হারিয়ে দেশে ফেরার শ’ঙ্কায় বেশিরভাগ বাংলাদেশি শ্রমিক।

বার্তা সংস্থা রয়টার্সের নেয়া সা’ক্ষাৎকারে এমন তথ্য উঠে এসেছে। কাজের তাগিদে দীর্ঘদিন ধরে সি”''ঙ্গাপুরে আছেন প্রবাসী বাংলাদেশি শরিফ উদ্দিন। দেশটির শ্রমবাজার আস্তে আস্তে সঙ্কু’চিত হওয়ায় নতুন কাজের সন্ধানে অন্য দেশে পাড়ি দেয়ার স্বপ্ন দেখছিলেন তিনি। তবে করো’নার কারণে সে স্বপ্নে ভাটা পড়েছে শরিফের মতো অনেক প্রবাসীর। দেশটিতে বসবাসরত অধিকাংশ বাংলাদেশি শ্রমিক নির্মাণ কাজের স”''ঙ্গে জড়িত। কোভিড নাইন্টিনের কারণে এখন বেশিরভাগ প্রকল্প থমকে যাওয়ায় পেশাও বদলেছেন অনেকে।

সামনের দিনগু'’লোতে কাজের পরিধি কমে আসবে বলে ধারণা করছেন দেশটির কর্মকর্তারাও। খরচ কমাতে শ্রমিক ছা’টাইয়ের পথে হাঁটতে পারে অনেক প্রতিষ্ঠান। ভাইরাস টাস্কফোর্স সহকারী প্রধান লরেন্স ওং বলেন, এখানে বাংলাদেশিসহ অনেক অ’ভিবাসী শ্রমিক আছেন। কিন্তু এখন বেশির ভাগই বসে আছেন। ডরমেটরিতে অনেকটা গাদাগাদি করে ব’ন্দি অবস্থায় জীবন-যাপন করছেন। এখানকার নির্মাণ খাত অনেটা সঙ্কু’চিত হয়ে আসায় অনেককে দেশে ফিরতে ‘'হতে পারে।

শ্রমিক নেতা দেবোরাহ ফরডেইস বলেন, অনেক প্রতিষ্ঠানেই পুরাতন শ্রমিক আছেন। কিন্তু ওই সব প্রতিষ্ঠানের মালিক পুরাতনদের ধরে রাখার চেয়ে নতুন শ্রমিক নিয়োগ দিতে পছন্দ করেন। দুঃখজ’নক হলেও সত্যি যে পুরাতন শ্রমিকদের বেতন বেশি হওয়ায় তাদের ছাটাই করে থাকে। সি”''ঙ্গাপুরে অনেক অ’ভিবাসী বাংলাদেশি শ্রমিক জাহাজ শিল্পের স”''ঙ্গেও জড়িত।

তবে করো’না সং’ক্র’মণের কারণে আগের মতো কাজ হচ্ছে না এই খাতটিতেও। জনশক্তি কর্মসংস্থান ও প্র’শিক্ষ’ণ ব্যুরোর তথ্য অনুযায়ী, গেল বছর ৪৯ হাজার ৮২৯ বাংলাদেশি বহির্গমণ ছাড়পত্র নিয়ে সি”''ঙ্গাপুর গিয়েছেন। বাংলাদেশি শ্রমিক দেশটিতে পাড়ি জমান।বাংলাদেশি শ্রমিক দেশটিতে পাড়ি জমান। – সূত্র: সময় নিউজ