ওসি মোয়াজ্জেমের আইনজীবী হলেন দুদকের কাজল ।

ফেনীর সোনাগাজী থানার সাবেক ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোয়াজ্জেম হোসেনের পক্ষে সিনিয়র আইনজীবী হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন দুদকের বিশেষ পাবলিক প্রসিকিউটর মোশাররফ হোসেন কাজল। মাদ্রাসাছাত্রী নুসরাত জাহান রাফিকে পু’ড়িয়ে হ’ত্যার ঘটনায় রাফির জবানবন্দির ভিডিও ইন্টারনেটে ছড়ানোর মামলায় তিনি নিযুক্ত হন।

গতকাল বুধবার ওসি মোয়াজ্জেমের পক্ষে একজন সাক্ষীকে জেরার জন্য প্রসিকিউটর মোশাররফ হোসেন কাজল সাইবার ট্রাইব্যুনালে উপস্থিত হন। তবে মামলার নথিতে দাখিল করা ওকালতনামায় তার নাম ও সই না থাকায় বিচারক তাকে জেরা করার অনুমতি দেননি। সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য আগামী ২ অক্টোবর পরবর্তী দিন নির্ধারণ করেন আদালত।প্রসঙ্গত, এ মামলার আসামি ওসি মোয়াজ্জেমের পক্ষে লড়ছেন আইনজীবী ফারুক হোসেন।

গত ১৫ এপ্রিল মোয়াজ্জেম হোসেনের বিরুদ্ধে সাইবার ক্রাইম ট্রাইব্যুনালে মামলার আবেদন করেন ব্যারিস্টার সৈয়দ সায়েদুল হক সুমন। এই আবেদন গ্রহণ করে ঢাকার সাইবার ট্রাইব্যুনালের বিচারক মামলাটি তদন্তের জন্য পিবিআইকে নির্দেশ দেন। এরপর গত ১৬ জুন বিকালে হাইকোর্ট এলাকা থেকে আ’টক হন তিনি। পর দিন জামিনের আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে তাকে প্রেরণের আদেশ দেন বিচারিক আদালত।

উল্লেখ্য, ফেনীর সোনাগাজীতে মাদ্রাসাছাত্রী নুসরাতের গায়ে কেরোসিন ঢেলে আ’গুন ধরি’য়ে দেন মাদ্রাসাটির অধ্যক্ষ সিরাজউদৌলার সহযোগীরা। গত ১০ এপ্রিলের ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইউনিটে চিকিৎসাধীন মৃ’ত্যু হয় নুসরাতের।

আরো পড়ুন… রাজধানীর তেজগাঁও ফু-ওয়াং ক্লাবে অভিযান চালিয়ে পুলিশের অভিযানের দুই দিন পর ২২শ বোতল অ’বৈধ ম’দ ও ১০ হাজার ক্যান বিয়ার জব্দ করেছে র‌্যাব।বুধবার রাত সাড়ে ১১টায় শুরু হওয়া অভিযান চলে ১১ ঘণ্টা ধরে। পরে গণমাধ্যমকে অভিযানের ব্যাপারে বিস্তারিত জানানো হয়। অভিযানে বিপুল আমদানি নিষিদ্ধ সিগারেট জব্দ করা হয়েছে।সঙ্গে বারটি সিলগালা করে মালিকের বিরুদ্ধে মামলার প্রস্তুতি চলছে।

গত ১৮ সেপ্টেম্বর থেকে ক্যাসিনো, জুয়া এবং ম’দের বারগুলোতে অভিযান শুরু হলে ফু-ওয়াং ক্লাব কর্তৃপক্ষ বারটি বন্ধ করে দেয়। কারণ হিসেবে বলা হয়, ক্লাবটি সংস্কার করা হবে। পরে গত সোমবার ফু-ওয়াং ক্লাবটিতে অভিযান চালিয়েছিল পুলিশ৷ ঘণ্টা দুয়েক অভিযান চালিয়ে ক্লাবটির বারে তেমন কোনো অসংগতি পাওয়া যায়নি বলে পুলিশের পক্ষ থেকে বলা হয়েছিল।ডিএমপির নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আব্দুলাহ আল মামুন সেদিন গণমাধ্যমকে জানিয়েছিলেন, ‘ক্লাব কর্তৃপক্ষ বারে রাখা লিকারের কাগজপত্র দেখিয়েছে।

তাদের সকল কাগজপত্র ঠিক রয়েছে।’পুলিশের অভিযানের দুই দিন পর বুধবার রাত সাড়ে ১১টা থেকে একই ক্লাবে অভিযান চালায় র‍্যাব-১৷ ১১ ঘণ্টাব্যাপী অভিযানটি শেষ হয় বৃহস্পতিবার সকালে।অভিযানে ক্লাবের বারটি থেকে ২ হাজার ২০০ বোতল অ’বৈধ মদ ও ১০ হাজার ক্যান অ’বৈধ বিয়ার ও আমদানি নিষিদ্ধ সিগারেট জব্দ করা হয়। ক্লাবের বারটিতে অনুমোদনের থেকে তিনগুণ বেশি লিকার ছিল। অভিযান শেষে র‌্যাবের লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া উইংয়ের সিনিয়র সহকারী পরিচালক এএসপি মিজানুর রহমান বলেন, ‘১১ ঘণ্টা ব্যাপী আমাদের এ অভিযান শেষ হয়েছে।

ফু-ওয়াং ক্লাবের অভিযানে বিপুল বিদেশি ম’দ, সিগারেট ও নগদ টাকা জব্দ করা হয়েছে। যার সবই অ’বৈধ ও অনুমোদনহীন।’‘অভিযানে আমরা ক্লাবটির বারে আমদানি নিষিদ্ধ বিপুল সিগারেট পেয়েছি। এছাড়া মা’দক বিক্রির ৭ লাখ টাকা জব্দ করে হয়েছে। বারটিতে অনুমোদনের থেকে তিনগুণ বেশি লিকার ছিল, সম্পূর্ণ বে-আইনি। ফলে অ’বৈধ মা’দকের পাশে রাখা সকল বৈধ মা’দকও অ’বৈধ হয়ে গেছে।’র‌্যাবের এই কর্মকর্তা বলেন, ‘অভিযান থেকে আমরা তিনজনকে আটক করেছে। এই তিন জনসহ ক্লাবটির মালিকের বিরুদ্ধে মা’দক আইন ও বিশেষ আইনে মামলা করা হবে এবং বারটি সিলগালা করা হয়েছে।’