মক্কায় ক্রেন দুঘর্টনায় হতাহত বাংলাদেশি চার পরিবারকে পাঁচ কোটি টাকা দিলো সৌদি সরকার ।

২০১৫ সালে মক্কায় ক্রেন দুর্ঘটনায় হতাহত বাংলাদেশিদের ক্ষতিপূরণ দিচ্ছে সৌদি সরকার। সৌদি আরবে হজ পালনের সময় দুর্ঘটনার নিহত আবুল কাসেম সুফি এবং আহত আবদুর রব, মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন ও মোহাম্মদ নূরের নামে এরই মধ্যে চেক ইস্যু করেছে সৌদি কর্তৃপক্ষ। তাদের ৫ কোটি ৬৪ লাখ ২৭ হাজার টাকা ক্ষতিপূরণ দেয়া হবে।

সৌদি আরবে বাংলাদেশ দূতাবাস সূত্র জানিয়েছে, ইতোমধ্যে হতাহতদের নামে চেক ইস্যু করা হয়েছে। তবে আহত মোহাম্মদ নূরের নামে এখনও চেক ইস্যু হয়নি। শিগগিরই তার নামে পাঁচ লাখ সৌদি রিয়ালের চেক ইস্যু করা হবে। তিনি বর্তমানে সৌদি আরবের জেদ্দায় অবস্থান করছেন। দুর্ঘটনায় নিহত আবুল কাসেম সুফি চট্টগ্রাম চন্দনাইশ উপজেলার কাঞ্চনাবাদ ইউনিয়নের বাসিন্দা।

তিনি ডিবিএইচ ইন্টারন্যাশনালের মাধ্যমে হজে গিয়েছিলেন। তার পরিবার ক্ষতিপূরণ হিসেবে পাচ্ছে ১০ লাখ সৌদি রিয়াল। এছাড়া আহত সরদার আবদুর রব, মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন ও মোহাম্মদ নূর জনপ্রতি ৫ লাখ সৌদি রিয়াল পাবেন। শিগগিরই ক্ষতিগ্রস্তদের কাছে চেক হস্তান্তর করা হবে।প্রসঙ্গত, ২০১৫ সালে ১১ সেপ্টেম্বর সৌদি আরবের মক্কায় পবিত্র মসজিদুল হারামে নির্মাণ কাজে ব্যবহৃত একটি ক্রেন ছিঁড়ে পড়ে। এতে ১১৮ জন নিহত হয়।

আহত হয় আরো ৩৯৪ জন। তাদের মধ্যে বাংলাদেশের একজন নিহত ও তিনজন আহত হয়। এ ঘটনার পর পরই সৌদি বাদশাহ সালমান বিন আবদুল আজিজ আল সৌদ নিহতের পরিবারকে ১০ লাখ ও আহতদের প্রত্যেককে ৫ লাখ সৌদি রিয়াল দেয়ার ঘোষণা দেন।

আরপ জানুন… সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদে এক মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত হয়ে মুহাম্মদ আরাফাত (২৬) নামে এক যুবকের মৃ’ত্যু হয়েছে। প্রবাসী মুহাম্মদ আরাফাত গত ১৯ সেপ্টেম্বর এক মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় মা’রাত্মক’ভাবে আহত হয়ে রাজধানী রিয়াদে একটি বেসরকারি হাসপাতালের ভর্তি হয়।

আরাফাতের শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাকে আইসিইউতে রাখা হয়। চিকিৎসাধীন অবস্থায় (২৪ সেপ্টেম্বর) মঙ্গলবার দিবাগত রাতে রিয়াদে এই রেমিটেন্স যোদ্ধার মৃ’ত্যু হয়। উল্লেখ্য, সৌদি আরবের রিয়াদ প্রবাসী মুহাম্মদ আরাফাত চট্টগ্রামের লোহাগাড়া উপজেলাধীন পদুয়া ইউনিয়নের উত্তর পদুয়া মনির আহমদ পাড়া নিবাসী মুহাম্মদ ইউসুফের ছোট ভাই।

সংযুক্ত আরব আমিরাত প্রবাসীদের জন্য এক বিশেষ বিজ্ঞপ্তি সংযুক্ত আরব আমিরাতের মন্ত্রিসভা 2020 সালের 1 জানুয়ারি থেকে জন স্বাস্থ্য রক্ষায় মিষ্টিযুক্ত খাবার , মিষ্টিজাতীয় পানীয় এবং বৈদ্যুতিন ধূমপানের ডিভাইস ব্যবহার কমাতে এসব পণ্যের উপর ৫০ থেকে ১০০ শতাংশ ভ্যাট যুক্ত করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে ।

মন্ত্রিপরিষদ জেনারেল সচিবালয়ের এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, “এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে যে সংযুক্ত আরব আমিরাত সরকারের জনস্বাস্থ্য সচেতনতা বাড়ানোর লক্ষ্যে চিনি এবং তামাক সেবনের সাথে সরাসরি জড়িত দীর্ঘস্থায়ী রোগ প্রতিরোধ করার জন্য।”

এক বিবৃতিতে আরো বলা হয়েছে, “পানীয়, তরল, ঘন, গুঁড়ো বা পানীয় হিসাবে রূপান্তরিত হতে পারে এমন কোনও পণ্য আকারে যাই হোক না কেন যুক্ত চিনি বা অন্যান্য মিষ্টি যুক্ত যে কোন পণ্যগুলিতে ৫০ শতাংশ শুল্ক আদায় করা হবে।” “সিদ্ধান্তটি ক্রেভোক্তাদের স্বাস্থ্যকর খাদ্য পছন্দ করার জন্য চিনি উপাদান যুক্ত খাবার পরিষ্কারভাবে চিহ্নিত করা প্রয়োজন।যাতে তারা তাদের চাইলে চিনি যুক্ত খাবার এড়িয়ে যেতে পারে।

“বৈদ্যুতিন ধূমপানে ডিভাইসে ব্যবহৃত তরল নিকোটিন বা তামাক যুক্ত থাকুক বা নাই থাকুক ইলেকট্রনিক ধূমপান ডিভাইসগুলিতেও ১০০ ভাগ শুল্ক বা ট্যাক্স ধার্য করা হবে। সিদ্ধান্তটির লক্ষ্য হ’ল ক্ষতিকারক পণ্যগুলির ব্যবহার হ্রাস করা যা স্বাস্থ্যের ক্ষতি করে এবং পরিবেশ ঝুঁকিতে রয়েছে, ।

” সংযুক্ত আরব আমিরাত সরকার নির্দিষ্ট পণ্যগুলিতে শুল্ক প্রবর্তন শুরু করে, যা সাধারণত মানুষের স্বাস্থ্যের বা পরিবেশের জন্য ক্ষতিকারক,” মন্ত্রিসভার সাধারণ সম্পাদক সচিবের উপসংহারে বলা হয়েছে।