ফের শোকের ছায়া সিনে পাড়ায়, চলে গেলেন জনপ্রিয় অভিনেতা ।

না ফেরার দেশে চলে গেলেন তেলেগু কমেডিয়ান বেণু মাধব (৩৯)। বুধবার (২৫ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ সময় দুপুর ১টার দিকে ভারতের হায়দ্রাবাদের যশোদা হাসপাতালে লাইফ সাপোর্টে থাকা অবস্থায় তার মৃ ত্যু হয়েছে।

তেলেগু সিনেমার জনসংযোগ কর্মকর্তা (পিআরও) বামসি কাকাট টুইটারে জনপ্রিয় এই অভিনেতার মৃ ত্যুর খবরটি নিশ্চিত করেছেন। তিনি লেখেন, ‘অভিনেতা বেণু মাধব ১২টা ২০ মিনিটে (স্থানীয় সময়) আমাদের ছেড়ে চলে গেছেন। তার পরিবার ও ডাক্তার বিষয়টি আমাকে নিশ্চিত করেছেন। আমি তার আত্মার শান্তি কামনা করছি।’

গত দুই সপ্তাহ ধরে বেণু হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন। মাত্র গত রোববারে (২২ সেপ্টেম্বর) তাকে হাসপাতাল থেকে ছেড়ে দেওয়া হয়। ডাক্তারের শেষ পরামর্শ ছিল, দ্রুতই তার লিভার প্রতিস্থাপন করতে হবে।

কিন্তু এরই মধ্যে বেণুর শারীরিক অবস্থার আরও অবনতি হলে তাকে দ্রুতই আবার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এরপর বেণুকে নিবিড় পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রে (আইসিইউ) লাইফ সাপোর্টে রাখা হয়। অনেক বছর আগে থেকেই বেণু মাধব লিভার ও কিডনিজনিত সমস্যায় ভুগছিলেন। এর ফলে তিনি অনেক সিনেমাতেই কাজ করতে পারেননি। বেণু মাধব এখন পর্যন্ত ১৭০টিরও বেশি তেলেগু সিনেমায় অভিনয় করেছেন। এছাড়া তিনি অনেক তামিল সিনেমাতেও অভিনয় করেছেন।

আরো জানুন… স্ত্রী ও দুই সন্তান রেখে গোপনে দ্বিতীয় বিয়ে করে ঢাকায় সংসার করছেন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আলোচিত সমালোচিত আশরাফুল হোসেন হিরো আলম। ছয়মাস আগে কক্সবাজার গিয়ে মডেল-অভিনেত্রী নুসরাত জাহান জিমুকে বিয়ে করলেও এতদিন এ নিয়ে টু শব্দটি পর্যন্ত করেননি কেউ। শেষ পর্যন্ত বিয়ের গোপন করার বিষয়ে সময়ের কণ্ঠস্বরের কাছে মুখ খুললেন জিমু।

তবে বিষয়টি অস্বীকার করেছেন হিরো আলম। তিনি বলেছেন, নুসরাত জাহান জিমুকে নিয়ে মিউজিক ভিডিওতে একসঙ্গে কাজ করেন। বিয়ে করেনি। অনুসন্ধানে জানা গেছে, মিডিয়ায় কাজ করার সুবাধে রংপুরের মেয়ে নুসরাত জাহান জিমুর প্রেমে হাবুডুবু খান ডিস ব্যবসায়ী থেকে তারকা বনে যাওয়া হিরো আলম।

পরে বিয়ের প্রস্তাব দেন হিরো আলম। একপর্যায়ে কক্সবাজার গিয়ে তারা বিয়েও সারেন। বিয়ের কাবিনের স্বাক্ষী ছিলেন হিরো আলমের দুলাভাই আব্দুল মালেক। তারপর থেকে রাজধানীর বসুন্ধরা এলাকায় বাড়া বাসায় একসঙ্গে থাকছেন দুজন। বিষয়টি সম্পর্কে জানতে সময়ের কণ্ঠস্বর থেকে বুধবার দুপুরে নুসরাত জাহান জিমুর মোবাইলে যোগাযোগ করা হলে তিনি অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে পরে কথা বলবেন বলে জানান। তবে সন্ধ্যায় একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে অবশেষে বিয়ের কথা স্বীকার করেন জিমু।

তিনি সময়ের কণ্ঠস্বরকে বলেন, বিয়ের কথা প্রকাশ পেলে জনপ্রিয়তা কমে যাবে এই ভেবে বিয়ের বিষয়টি হিরো আলম প্রকাশ করতে নিষেধ করেছিল এতদিন, তাই কাউকে জানাননি। জিমু বলেন, একসাথে দীর্ঘদিন মিউজিক ভিডিওতে কাজ করছি। আলম আমার প্রতি দুর্বল ছিল। আলম আমাকে বিয়ে করার জন্য পাগল ছিল। পরে আলমের বাবা-মা আর ওর বন্ধুদের অনুরোধে বিয়েতে রাজি হই। বিয়ের স্বাক্ষী আলমের দুলাভাই আব্দুল মালেক।

বিয়ের পর আলমের বাবা ঢাকায় এসেছিলেন। বাসায় এসে আমাদের আশীর্বাদ করে গেছেন। আমিও বিয়ের পর আলমের বাড়িতে (বগুড়া) গেছি। তবে ওর আগের স্ত্রী বাড়িতে থাকেনা। মামলার ঝামেলার পর থেকে বাপের বাড়ি থাকে।সূত্রঃসময়ের কণ্ঠস্বর

আরো খবর… ঢাকাই ছবির চিত্রনায়ক শাকিব খান। ভালোবেসে অপু বিশ্বাসকে বিয়ে করেছিলেন ২০১৮ সালে। সেই বিয়ে ভেঙে গেছে ২০১৭ সালে। তাদের দাম্পত্যের সুবাস হয়ে আছে একমাত্র পুত্র আব্রাম খান জয়।অপুর সঙ্গে ছাড়াছাড়ির পর শাকিব একা। তুমুল ব্যস্ত সময় কাটে তার সিনেমার শুটিংয়ে। কখনো দেশে কখনো বা বিদেশে। এই মুহূর্তে শুটিং চলছে ‘আ’গুন’ নামের একটি ছবির। হাতে আছে আরও বেশ কিছু সিনেমা যেগুলোর শুটিং শিগগিরই হয়তো শুরু হবে।

এমনি সময় ফেসবুকে ভাইরাল হলো শাকিবের বিয়ের খবর। ঘটক বাড়ি নামের একটি ফেসবুক পেজে পোস্ট করা হয় শাকিব খানের বায়োডাট। যেখানে শাকিব খানের জন্য বিয়ের পাত্রী চাওয়া হয়েছে।পোস্টটি করেছেন শাকিবের বোনের ননদ দাবি করা ‘মুনা স্বপন’ নামের একটি আইডি থেকে। সেখানে শাকিবের ছবিসহ পুর্ণাঙ্গ জীবন বৃত্তান্ত উল্লেখ করে যোগ্য পাত্রী নিয়ে যোগাযোগ করতে বলা হয়েছে।

তার নাম দেয়া হয়েছে শাকিব খান রানা। ১৯৮০ সালে জন্ম। উচ্চতা ৬ ইঞ্চি। রক্তের গ্রুপ বি পজিটিভ। তবে জীবন বৃত্তান্তে কোথাও উল্লেখ নেই শাকিব খান বিবাহিত।এদিকে পোস্টটি নিয়ে হৈ চৈ শুরু হয়েছে ফেসবুকে। শাকিবের অনেক ভক্তরা পোস্টদাতাকে ভুয়া আইডির দাবি করে এটিকে ভিত্তিহীন বলে দাবি করছেন। শাকিবের ঘনিষ্টজনদের সঙ্গে যোগাযোগ করেও এর কোনো সত্যতা পাওয়া যায়নি। বিয়ে করার কোনো পরিকল্পনাই নেই শাকিব খানের। তিনি আপাতত নিজের ক্যারিয়ার নিয়েই মনযোগী।