৩৭ হাজারের মধ্যে টিকে রইলেন মাত্র ৩৫ সুন্দরী ।

গত ৫ সেপ্টেম্বর আনুষ্ঠানিক ঘোষণার মাধ্যমে যাত্রা করে নতুন মিস ওয়ার্ল্ড বাংলাদেশ নির্বাচনের এবারের আয়োজন। ‘মিস ওয়ার্ল্ড বাংলাদেশ ২০১৯’ খোঁজার প্রতিযোগিতা শুরু হয়েছে। অমিকন এন্টারটেইনমেন্টের সঙ্গে আয়োজক সহযোগী হিসেবে রয়েছে এক্সপার্ট ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট।

এ বছরের ‘মিস ওয়ার্ল্ড বাংলাদেশ’ অডিশনের জন্য রেজিস্ট্রেশন শুরু হয় গত ৫ সেপ্টেম্বর। রেজিস্ট্রেশন করার সুযোগ ছিল ৯ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত। কর্তৃপক্ষ জানায়, পাঁচ দিনে ৩৭ হাজার ২শ’ ৪৩ জন সুন্দরী এই প্রতিযোগিতায় অংশ নিতে নিবন্ধন করেন। সেখানে থেকে অডিশনের জন্য ডাক পান ৩০০ জন।

তাদের মধ্য থেকে যাচাই বাছাই শেষে বর্তমানে টিকে আছেন ৩৫ জন। সৌন্দর্য, শিক্ষা, বুদ্ধিমত্তাসহ আরও কিছু যোগ্যতার ওপর ভিত্তি করে তাদের বাছাই করা হয়। এখন চলছে গ্রুমিং পর্ব।

জানা গেছে, ৩০০ প্রতিযোগী থেকে প্রাথমিকভাবে বাছাই হন ৬০ জন। এই নির্বাচন প্রক্রিয়ায় বিচারকের দায়িত্ব পালন করেন দেবাশীষ বিশ্বাস, লুনা, সুমনা সোমা ও রফিকুল ইসলাম র‌্যাফ।

পরে প্রধান তিন বিচারকের কাছে অডিশন শেষে ৬০ জন থেকে সেরা ৩৫ জন বাছাই করা হয়। তাদের নিয়ে শুরু হয়েছে প্রতিযোগিতার মূল পর্ব। প্রধান তিন বিচারক হিসেবে এই আয়োজনে রয়েছেন চিত্রনায়িকা মৌসুমী, চিত্রনায়ক ফেরদৌস ও সৌন্দর্য বিশেষজ্ঞ ফারনাজ আলম।

সেরা ৩৫ জনকে নিয়ে চলছে চলছে গ্রুমিং। উপস্থাপনা, নাচ, গান, অভিনয়, সামাজিকতা, মানবিকতাসহ নানা বিষয়ের ওপর জোর দিয়ে তৈরি করা হচ্ছে প্রতিযোগীদের। সেইসঙ্গে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে গত বছরগুলোতে বিশ্বসুন্দরীর মঞ্চে বাংলাদেশি সুন্দরীদের সীমাবদ্ধতাগুলোকে।

এদিকে আয়োজকরা জানিয়েছেন, ২৬ সেপ্টেম্বর অডিশনের মাধ্যমে সেরা ৩৫ থেকে ‘টপ টুয়েন্টি’ বাছাই করা হবে। সেই ২০ প্রতিযোগী থেকে বের হয়ে আসবেন এবারের মিস ওয়ার্ল্ড বাংলাদেশ। তিনি বাংলাদেশের প্রতিনিধি হিসেবে অংশ নেবেন বিশ্বসুন্দরী প্রতিযোগিতার মূলমঞ্চে।

মিস ওয়ার্ল্ড বাংলাদেশের অডিশন পর্বগুলো ধারণ করা হয়েছে এটিএন বাংলার ক্যামেরায়। ২৭ সেপ্টেম্বর থেকে প্রতি শুক্র এবং সোমবার রাত ৮ টায় প্রচার হবে ‘মিস ওয়ার্ল্ড বাংলাদেশ ২০১৯’।

আরো পড়ুন… অ বৈধভাবে গড়ে ওঠা ক্যাসিনোতে পুলিশের সাঁ ড়াশি অ’ভিযানে ধরা পড়েছেন ক্যাসিনো মালিকরা। তবে সে অ’ভিযানের ধাক্কা এসে লেগেছে সিনেমা পাড়াতেও। উচ্চারিত হচ্ছে চলচ্চিত্র জগতের অভিনেত্রীদের নাম। জনপ্রিয় অনলাইন পোর্টাল সারাবাংলা ডটনেটের প্রতিবেদক রেজওয়ান সিদ্দিকী–এর প্রতিবেদনে এসব তথ্য উঠে এসেছে।

পুলিশের হাতে আ টক ক্যা’সিনো মালিক ও টে’ন্ডারবাজ জি কে শামীম গোয়েন্দা পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে বলেছেন, টে’ন্ডার পেতে চলচ্চিত্রের নায়িকাদের ব্যবহার করতেন তিনি! এতেই নড়েচড়ে বসেছে চলচ্চিত্র অঙ্গন।যদিও গণমাধ্যমে কোনও নায়িকার নাম প্রকাশ করা হয়নি। তবে আকার ইঙ্গিতে কিছু নাম উঠে আসছে। বাংলা সিনেমার অভিনেত্রী রত্না, এ প্রজন্মের নায়িকা মিষ্টি জান্নাত, রাহা তানহা খান ও শিরিন শীলার নাম এখন ঘুরে ঘুরে উচ্চারিত হচ্ছে অনেকের মুখে।

তবে তাদের মধ্যে রত্না, মিষ্টি জান্নাত ও রাহা তানহা খান কথা বলেছেন। আ ত্মপক্ষ সমর্থন করে বলেছেন, তারা কেউ জি কে শামীম নামে কাউকে চেনেন না। রত্না বলেন, ‘প্রতিবেদনে আমার নাম উল্লেখ করা হয়নি। তবে যেসব বর্ণনা দেওয়া হয়েছে তা কিছুটা আমার সঙ্গে মিলে যায়। সপ্তম শ্রেণিতে পড়ার সময় আমি সিনেমায় এসেছি। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করেছি—এরকম বেশ কিছু তথ্য মিলে যাচ্ছে। তাই অনেকে মনে করছেন আমি সেই। আমি জি কে শামীম নামে কাউকে চিনি না।

তিনি আরও বলেন, আমি বুকে হাত দিয়ে বলতে পারি, আমি কোনো রকম অ’বৈধ কাজে কখনো জড়িত ছিলাম না। কেউ যদি প্রমাণ দিতে পারেন তাহলে যে শা’স্তি দেওয়া হবে আমি মাথা পেতে নেবো। আমি আমার জায়গা থেকে সৎ। সততার সঙ্গে সিনেমা ইন্ডাস্ট্রিতে কাজ করেছি।রত্না জানান, প্রকাশিত প্রতিবেদনে যাদের নাম ই ঙ্গিত করা হয়েছে তাদেরও উচিত এটা নিয়ে স্টেটমেন্ট দেওয়া, যদি তারা সৎ থাকেন। তাতে করে তদন্তে সত্যটা বেরিয়ে আসবে।

এ বিষয়ে মিষ্টি জান্নাতের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি অভি;যোগকারিদের ওপর ক্ষো’ভ প্রকাশ করেন। তিনি ভিডিও প্রমাণ চেয়েছেন। মিষ্টি কিছুটা তেতো ভাষায় বলেন, ‘আমি মিষ্টি কখনো এসব কাজের সঙ্গে জড়িত ছিলাম না। যারা এসব রটিয়ে রেড়াচ্ছে তারা খুব খারাপ মানুষ। উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে করছে। আমি অভিযোগকারিদের বলব, আপনারা যদি ভালো মানুষ হয়ে থাকেন তাহলে দয়া করে ভিডিওসহ প্রমাণ দিন। আর যদি না দিতে পারেন তাহলে আমি তখন অ্যাকশন নেবো।’

মডেল ও অভিনেত্রী রাহা তানহা খানের মতে, নিজেদের দো ষ ঢাকার জন্য অনেকেই নায়িকাদের নাম ব্যবহার করেন। তার ভাষ্য, কেউ কোথাও ধ রা পড়লে সেখানে নায়িকার নাম জুড়িয়ে দেন। এটা এর আগেও হয়েছে। এটা একদম ঠিক না। ধরুন আমি একজনকে চিনি, পরে যদি সে অপ রাধ করে পুলিশের হাতে ধরা পরে এবং আমার নাম বলে তাহলে আমি কি অপরা ধী হয়ে গেলাম? নায়িকা হওয়ায় অনেক মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ থাকতে পারে। সেলফি তুলতে পারি। তাই বলে সেই লোকের অপ’রাধের দায় আমার না।

এসময় তিনি জি কে শামীমকে চেনেন না বলে জানান। রাহা বলেন, জি কে শামীম নামে আমি কখনো কাউকে চিনতাম না। নামই শুনিনি কোনোদিন। যদি চিনতাম তাহলে বলতে পারতাম। এখন যদি কেউ আমার নাম জড়িয়ে দেয় তাহলে আমার কিইবা করার থাকে! তিনি আরও বলেন, আমাদের পেছনে অনেক কোটিপতি ব্যক্তিরা ঘোরে। ঘুরতেই পারে। তাদের সঙ্গে যোগাযোগের জন্য জি কে শামীমের মতো দালালের প্রয়োজন হয় না। গণমাধ্যমে যে খবর এসেছে সেটা ভিত্তিহীন। আমি কখনো কারও অ’বৈধ কাজের সঙ্গে যুক্ত ছিলাম না। অন্যদিকে এ বিষয়ে শিরীন শিলার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তাকে ফোনে পাওয়া যায়নি। কয়েকবার ফোন দেওয়া হলেও তিনি ফোন ধরেননি। সূত্র : সারাবাংলা ডটনেট।