করোনায় মৃত সাড়ে ১৬ হাজার, আক্রান্ত পৌনে ৪ লাখ

বিশ্বব্যাপী ৩ লাখ ৭৮ হাজার ৮৫৯ জনের শরীরে করোনা ভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। এছাড়া এ ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে প্রাণ হারিয়েছেন ১৬ হাজার ৫১৪ জন। আক্রান্তদের মধ্যে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ১ লাখ ২ হাজার ৬৯ জন। আক্রান্তদের মধ্যে ২ লাখ ৬০ হাজার ২৭৬ জন চিকিৎসাধীন। এদের মধ্যে ২ লাখ ৪৮ হাজার ২১৪ জনের অবস্থা স্থিতিশীল এবং ১২ হাজার ৬২ জন রয়েছেন আশঙ্কাজনক অবস্থায়।

করোনা ভাইরাসের উৎপত্তিস্থল চীনে আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৮১ হাজার ১৭১ জনে। নতুন করে সাত জন মারা যাওয়ায় দেশটিতে মোট মৃতের সংখ্যা ৩ হাজার ২৭৭ জন। ইতালিতে এ ভাইরাস শনাক্ত হয়েছে ৬৩ হাজার ৯২৭ জনের শরীরে। দেশটিতে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৬ হাজার ৭৭ জনে। বাংলাদেশে এ ভাইরাস শনাক্ত হয়েছে ৩৩ জনের শরীরে। এদের মধ্যে মারা গেছেন তিনজন।

করোনাভাইরাসে ইতালিতে ২৪ ঘণ্টায় মৃতের সংখ্যা ও আক্রান্তের পরিমাণ আগের তুলনায় কিছুটা কমেছে। করোনায় সোমবার আরও ৬০২ জন মারা গেছেন, যা রোববার ছিল ৬৫১ জন। এনিয়ে দেশটিতে মোট মৃতের সংখ্যা ৬ হাজার ৭৮ জনে দাঁড়িয়েছে। নতুন করে ২৪ ঘণ্টায় আক্রান্ত হয়েছে ৪ হাজার ৭৯০ জন। যা এর আগে ছিল ৫ হাজার ৫৬০ জন। দেশটিতে মোট আক্রান্ত হয়েছে ৬৩ হাজার ৯২৮ জন।

ইতালির দায়িত্বশীল কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে এসব তথ্য জানায় মেট্রো ডট ইউকে। এদিকে করোনার থাবা থেকে সুস্থ হিয়েছে ইতালির ৭ হাজার ৪৩২ জন নাগরিক। এদিকে এমন ভয়াবহ মহামারিতে রাজধানী রোম নিরব নিস্তব্ধ হয়ে গেছে। রেড জোন ঘোষণার পর ঘরে থাকার নির্দেশ দেয়া হয়েছে। মানুষ ভয়ংকর আতঙ্কে শঙ্কিত হয়ে পড়েছেন। ইতালি সরকার করোনা মোকাবেলায় সর্বোচ্চ চেষ্টা অব্যাহত রেখেছে।

যার ফলে গতকালের চিত্রের চেয়ে আজকের চিত্রটি ভিন্ন। সেখানে আগের তুলনায় মৃতের সংখ্যা ও আক্রান্তের সংখ্যা কিছুটা কমে এসেছে। সরকার সেখানে জরুরি অবস্থা অব্যাহত রেখেছে। চলাফেরাও সীমিত করা হয়েছে। এদিকে প্রধানমন্ত্রী জুসেপ্পে কোন্তি করোনা সংকট নিরসনে বিভিন্ন পদক্ষেপ অব্যাহত রেখেছেন। প্রতিদিন জনগণকে সচেতন ও মনোবল বৃদ্ধি করতে ভাষণ দিচ্ছেন।

দেশের জনগণের আর্থিক সমস্যা মেটাতে ভিন্ন ভিন্ন খাতে বরাদ্দ দিচ্ছেন। ইউরোপে এখন পর্যন্ত রেকর্ড সংখ্যক মৃত্যুর মধ্যে অর্ধেকেরও বেশি ইতালির উত্তরাঞ্চলীয় শহর লম্বার্ডিয়ায়। করোনাভাইরাসে কমপক্ষে ১৮ জন চিকিৎসক মারা গেছেন দেশটিতে।