টোলারবাগে মারা যাওয়া বৃদ্ধের পরিবারের ৩ সদস্য আক্রান্ত

রাজধানীর মিরপুরের টোলারবাগ এলাকায় করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মারা যাওয়া বৃদ্ধের পরিবারের তিন সদস্য এই ভাইরাসে আক্রান্ত বলে জানা গেছে। আক্রান্তরা হলেন- তার মেয়ে, মেয়ের জামাই ও কাজের মেয়ে। তিনজনের টেস্ট করা হয়েছে। তাদের শরীরে করোনা ভাইরাস কোভিড-১৯ পাওয়া গেছে। এদিকে তাদের দুই শিশুর এখনো পরীক্ষা করা হয়নি। তাদের একজনের বয়স ৭ বছর।

অপর জনের বয়স আরো কম। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক পরিবারটির এক আত্মীয় জানান, গতকাল রাতে এই পরিবারের সাথে শেষ যোগাযোগ হয়। তাদের কুর্মিটোলা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার কথা ছিলো। কিন্তু তাদের শিশুদের বিষয়ে তখনো কোনো নির্দেশনা প্রদান করা হয়নি।এদিকে ফেনীতে প্রাণঘাতী করোনা ভাইরাসে আ’ক্রান্ত’ এক ব্যক্তি আত্মগোপন করেছেন, স্থানীয়দের মাধ্যমে এমন খবর ছড়িয়ে পড়লে রবিবার রাতে স্বাস্থ্য বিভাগের লোকজন ওই ভবন ঘিরে ফেলেন।

সেখানে স’ন্দেহভাজন করোনাভাইরাস আ’ক্রান্ত ব্যক্তিকে না পেলেও ভবনটি ‘লকডাউন’ করা হয়েছে। এ দিকে ওই ব্যক্তি ফেনী থেকে ঢাকায় এসেছেন। আজ ২৩ মার্চ সোমবার জেলা স্বাস্থ্য বিভাগের নিয়মিত প্রেস ব্রিফিংয়ে সিভিল সার্জন ডা. সাজ্জাদ হোসেন বলেন, ‘ফেনী সদর উপজেলার পাঁচগাছিয়া এলাকার সেতু বিল্ডিং নামে একটি ভবনে স’ন্দেহভাজন করোনা আক্রান্ত রোগী অবস্থান জানতে পারি।

তিনি রাজধানীর একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের অফিস সহকারী। গত কয়েকদিন প্রবাসফেরত ব্যক্তিদের নিয়ে বিভিন্ন স্থানে ঘুরিয়ে তিনি বাড়িতে উঠেছিলেন বলে জানা যায়। কিন্তু স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মকর্তাদের উপস্থিতি টের পেয়ে ওই ব্যক্তি পালিয়ে যান।’ ওই ব্যক্তির পরিবার সূত্র জানায়, সোমবার সকালে ওই ব্যক্তি নিজে রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানে (আইইডিসিআর) করোনাভাইরাস পরীক্ষার জন্য যান।

সেখান থেকে তাকে কুর্মিটোলা হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে বলে জানা গেছে। তবে কীভাবে তিনি ঢাকায় পৌঁছান তা জানা যায়নি। এ ব্যাপারে জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ জানায়, গত ২০ ঘণ্টায় ফেনীতে ১৪৬ প্রবাসীসহ ৫২১ জনকে হোম কোয়ারেন্টিনে রাখা হয়েছে। এর মধ্যে ২১ জনের হোম কোয়ারেন্টিনের মেয়াদ শেষ হওয়ায় মৌখিকভাবে তাদের ছাড়পত্র দিয়েছে জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ। গত কয়েকদিনে জেলায় মোট ১২৬ জনের কোয়ারেন্টিন শেষ হয়েছে।