আট বছর আগে একবার বিয়ে করেছিলেন পরীমনি!

গত ১০ মার্চ গো পনে বিয়ে করেছেন চিত্রনায়িকা পরীমনি। তার স্বামী ছোট পর্দার নির্মাতা কামরুজ্জামান রনি। বৃহস্পতিবার এই বিয়ের কথা প্রকাশ করেছেন নবদম্পতি। পরী জানান, নির্মাতা হৃদি হকের ‘১৯৭১: সেই সব দিন’ ছবিতে একসঙ্গে কাজ করতে গিয়ে তাদের স খ্যতা তৈরি হয়। এরপর তারা ১০ মার্চ রাতে হঠাৎই বিয়ের কাজটা সেরে ফেলেন। নায়িকা পরীমনির ভক্তদের জন্য এটা অবশ্যই খুশির খবর।

সঙ্গে একটা গো পন খবরও ঘুরে বেড়াচ্ছে সোশ্যাল দুনিয়ায়। অভিনয়ে আসার আগে নাকি পরীমনি একবার বিয়ে করেছিলেন। তার সেই স্বামীর নাম ফেরদৌস কবীর সৌরভ। তিনি একজন ফুটবলার। বাড়ি যশোরের কেশবপুরে। তিন বছর প্রেম করার পর ২০১২ সালের ২৮ এপ্রিল বিয়ে করেছিলেন পরীমনি ও সৌরভ। ২০১৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে পরীমনি ও সৌরভের কয়েকটি ঘ নিষ্ঠ ছবি ছড়িয়ে পড়েছিল ফেসবুকে।

পাওয়া গিয়েছিল বিয়ের কাবিননামার একটি কপিও। এরপরই পরীমনির বিয়ের খবর দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। পরে এটা নিয়ে খবরও প্রকাশ হয় বিভিন্ন মিডিয়ায়। সেসব খবরে সৌরভের সঙ্গে তোলা পরীমনির ছবি ও কাবিননামাও জু’ড়ে দেয়া হয়। এই ঘটনায় সেসময় ক্ষে পে গিয়েছিলেন পরীমনি। ক্ষো ভ ঝেড়েছিলেন ফেসবুকে। তিনটি ঘ নিষ্ঠ সেলফিও পোস্ট করেছিলেন। লিখেছিলেন, ‘এমন হাজারটা ছবি আছে আমার সঙ্গে।

তবে কি সবাই আমার স্বামী? আজকের কুইজ- বলুনতো আমার পাশের এই ছেলেগুলোর সঙ্গে আমার কী স ম্পর্ক? হাজব্যান্ড রাইট? পিকগুলো সেভ করে রাখেন। এগুলোও একদিন পুরনো হয়ে যাবে, তখন এ রকম নিউজে কাজে দেবে খুব।’ পরীমনির এই পোস্টের প্রতিক্রিয়ায় কয়েক গামলা জল ঢেলে দিয়েছিলেন শাকিল রিয়াজ নামে একজন ফেসবুক ইউজার। তিনিও প্রকাশ করেন বেশ কিছু ছবি ও তথ্য।

লিখেছিলেন, ‘একটু আগে পরীমনি ভাবীকে নিয়ে একটা পোস্ট দেখলাম, যেখানে ভাবীকে নিয়ে বিভিন্ন বিভ্রা ন্তিকর স্ক্যা ন্ডাল ছড়ানো হয়েছে। আসল সত্য হয়তো অনেকেই জানেন না।’ ‘পরীমনির আসল নাম সামসুর নাহার স্মৃতি। ভাবী আমাদের খুব কাছের বড় ভাইয়ের বৌ। ভাইয়ের নাম ফেরদৌস কবীর সৌরভ। ভাবীকে নিয়ে এসব বিভ্রা ন্তিকর তথ্য ছড়ানোর কা রণে আমি আর মুখবুজে থাকতে পারলাম না।

আমার মনে হলো এখনই সময়, আসল সত্যটা সবার সামনে তুলে ধরার। ভাই ও ভাবীর বিয়ে হয় ২৮ এপ্রিল ২০১২ সালে। তিন বছর প্রেম করার পরে তারা নিজেদের ইচ্ছায় বিয়ে করেন এবং পরে সেটা দুই পরিবার থেকেই মেনে নেয়। ভাইয়ের বাসা যশোরের কেশবপুরে।’ শাকিল রিয়াজ আরও লিখেন, ‘ভাই এবং ভাবীর পেশার জগত আলাদা। ভাই পেশায় একজন প্রফেশনাল ফুটবলার।

ভাই এবং ভাইয়ের পরিবারের সম্মতিতেই ভাবী মিডিয়া জগতে প্রবেশ করেন। ভাই এবং ভাবীর নিজেদের ক্যারিয়ারের কথা চিন্তা করে তাদের এ স ম্পর্কের কথা আড়াল করে রেখেছেন। তারা এখনও একসঙ্গে বিবাহিত জীবনযাপন করছেন। কিন্তু আজকের এ ঘটনার পরে আমি আর মুখ বুজে থাকতে পারলাম না। আসল সত্য সবার সামনে তুলে ধরলাম। ভাই ও ভাবী আপনারা কিছু মনে করলেও আমি বাধ্য হয়ে এই পোস্টটি করলাম। আমার এই পোস্ট নিয়ে যদি কারও কোনও স ন্দেহ থেকে থাকে, তাহলে আমরা প্রমাণ দেয়ার জন্য প্রস্তুত।’